ময়মনসিংহ , শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
হজের ব্যয় আরও ৪০ হাজার টাকা কমবে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশে কোনো শিশুই আর পিছিয়ে থাকবে না জানিয়েছেন ববি হাজ্জাজ প্রশাসনিক রদবদল: ডিএমপির তিন থানার দায়িত্বে নতুন ওসি, বদলি হয়েছেন ৬ পুলিশ পরিদর্শক ভোল পাল্টে এখন সবাই জুলাইযোদ্ধা বলে মন্তব্য করেছেন মির্জা ফখরুল ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১৮০০ পিস ইয়াবাসহ কুখ্যাত মাদক কারবারি রবিউল ও তার সহযোগী গ্রেপ্তার ছেলে কনের বাড়িতে, প্রেমিকার হানায় বিয়ে পণ্ড: রাতে বাবার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার বাগেরহাটে সরকারি খাল দখলমুক্ত করার দাবিতে তিন দিনের অবস্থান কর্মসূচি সংকটে সিরাজগঞ্জের রান্ধুনীবাড়ির ঐতিহ্যবাহী কাদা-মাটির শিল্প নেত্রকোণাবাসীর দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান: ১৫ বছর পর চালু হচ্ছে পূর্বধলা পৌরসভা মানবতার অনন্য দৃষ্টান্ত: তিন প্রতিভাবান প্রতিবন্ধী ব্যক্তির হাতে চাকরির নিয়োগপত্র তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

২ সাংবাদিককে ওসির ‘গালিগালাজ’ গংঙ্গাচড়ায় হিন্দু পল্লীতে হামলার তথ্য চাওয়ায়

  • স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় ১২:২০:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ জুলাই ২০২৫
  • ১৭৫ বার পড়া হয়েছে

রংপুরের গঙ্গাচড়ায় হিন্দুপল্লীতে হামলার ঘটনার তথ্য জানতে চাওয়ায় দুই সাংবাদিককে গালিগালাজ ও গ্রেপ্তারের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশরাফুল ইসলামের বিরুদ্ধে।

বুধবার (৩০ জুলাই) বিকেল ৩টার দিকে নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ থানার সামনে ‘গোলঘর’ নামক স্থানে এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, গত রোববার রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার খিলালগঞ্জ ইউনিয়নের সীমানা লাগোয়া কিশোরগঞ্জ উপজেলার সিঙ্গেরগাড়ি বাজারের কাছে মাইকিং করে হাজারো মানুষ জড়ো করা হয়। পরে ওই এলাকার হিন্দুপল্লীতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। জমায়েত ও হামলার প্রস্তুতির স্থান কিশোরগঞ্জ থানার আওতাধীন হওয়ায় তথ্য জানতে থানায় যান দুই সাংবাদিক।

পরে এ বিষয়ে জানতে চেয়ে নীলফামারী সাংবাদিক নীলফামারী সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক রিপন শেখকে ওসি আশরাফুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। ওই সময় ওসি সাংবাদিক নেতাকে বলেন, আমি কিন্তু আধুনিক পুলিশ। আপনাদের সাংবাদিকদের ভয় করে চলবো এরকম কিন্তু আমি না। আপনি এসপি, ডিআইজি ও  আইজির কাছে কমপ্লেইন (অভিযোগ) করবেন, আপনার অভিযোগে যদি আমার চাকরি না থাকে, তাহলে এই চাকরিও আমি করবো না। দুষ্কৃতিকারীর স্থান নেই, সাংবাদিক হোক, পুলিশ অফিসার হোক আর রাজনীতিবিদ হোক। যদি ফাইজলামো করে, পিটিয়ে সোজা করে দেবো একেবারে।’

এ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে রংপুর সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সালেকুজ্জামান সালেক বলেন, এটি সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে সরাসরি বাধা। ওসিকে প্রত্যাহার করে বিভাগীয় তদন্ত করতে হবে।

এ বিষয়ে জেলা পুলিশ সুপার এএফএম তারিক হাসান খানের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠালেও কোনো সাড়া মেলেনি।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হজের ব্যয় আরও ৪০ হাজার টাকা কমবে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান প্রতিমন্ত্রী

২ সাংবাদিককে ওসির ‘গালিগালাজ’ গংঙ্গাচড়ায় হিন্দু পল্লীতে হামলার তথ্য চাওয়ায়

আপডেট সময় ১২:২০:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ জুলাই ২০২৫

রংপুরের গঙ্গাচড়ায় হিন্দুপল্লীতে হামলার ঘটনার তথ্য জানতে চাওয়ায় দুই সাংবাদিককে গালিগালাজ ও গ্রেপ্তারের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশরাফুল ইসলামের বিরুদ্ধে।

বুধবার (৩০ জুলাই) বিকেল ৩টার দিকে নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ থানার সামনে ‘গোলঘর’ নামক স্থানে এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, গত রোববার রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার খিলালগঞ্জ ইউনিয়নের সীমানা লাগোয়া কিশোরগঞ্জ উপজেলার সিঙ্গেরগাড়ি বাজারের কাছে মাইকিং করে হাজারো মানুষ জড়ো করা হয়। পরে ওই এলাকার হিন্দুপল্লীতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। জমায়েত ও হামলার প্রস্তুতির স্থান কিশোরগঞ্জ থানার আওতাধীন হওয়ায় তথ্য জানতে থানায় যান দুই সাংবাদিক।

পরে এ বিষয়ে জানতে চেয়ে নীলফামারী সাংবাদিক নীলফামারী সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক রিপন শেখকে ওসি আশরাফুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। ওই সময় ওসি সাংবাদিক নেতাকে বলেন, আমি কিন্তু আধুনিক পুলিশ। আপনাদের সাংবাদিকদের ভয় করে চলবো এরকম কিন্তু আমি না। আপনি এসপি, ডিআইজি ও  আইজির কাছে কমপ্লেইন (অভিযোগ) করবেন, আপনার অভিযোগে যদি আমার চাকরি না থাকে, তাহলে এই চাকরিও আমি করবো না। দুষ্কৃতিকারীর স্থান নেই, সাংবাদিক হোক, পুলিশ অফিসার হোক আর রাজনীতিবিদ হোক। যদি ফাইজলামো করে, পিটিয়ে সোজা করে দেবো একেবারে।’

এ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে রংপুর সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সালেকুজ্জামান সালেক বলেন, এটি সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে সরাসরি বাধা। ওসিকে প্রত্যাহার করে বিভাগীয় তদন্ত করতে হবে।

এ বিষয়ে জেলা পুলিশ সুপার এএফএম তারিক হাসান খানের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠালেও কোনো সাড়া মেলেনি।