ময়মনসিংহ , রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
অন্তর্বর্তী সরকারের সময় মত প্রকাশের জন্য কোনো সাংবাদিককে জেলে যেতে হয়নি জানিয়েছেন তথ্য উপদেষ্টা পরবর্তী মন্ত্রিসভায় আমার থাকার প্রশ্নই ওঠে না বলেছেন আসিফ নজরুল গৌরীপুরে মাদক, সন্ত্রাস ও ছিনতাই প্রতিরোধে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত নেত্রকোণা-৫ আসনের ভোট পুনঃগণনার দাবিতে ধানের শীষের প্রার্থীর সংবাদ সম্মেলন তারেক রহমান আজ ডা. শফিকুর রহমান ও নাহিদ ইসলামের বাসায় যাচ্ছেন ট্রাকসেলের মাধ্যমে পণ্য বিক্রি করবে টিসিবি রোজায় মির্জা ফখরুল দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে আলোচনায় কোনো অপশক্তির কাছে আমরা মাথা নত করব না বলেছেন জামায়াত আমির জামায়াত-ছাত্রশিবির ইহুদি স্টাইলে রাজনীতি করে বলেছেন ছাত্রদল সভাপতি রাকিব এনসিপির বিক্ষোভ মিছিল নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতার প্রতিবাদে
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

উপদেষ্টাদের দুর্নীতির অভিযোগ সাত্তারের ব্যক্তিগত, বিএনপির নয় বললেন ফখরুল

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টাদের সততার ওপরের বিএনপির পূর্ণ আস্থা রয়েছে মন্তব্য করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার সাবেক একান্ত সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার সরকারের ৮ উপদেষ্টার ‘সীমাহীন দুর্নীতির’ প্রমাণ নিজের কাছে রয়েছে দাবি করার পর এ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। ঠিক এমন পরিস্থিতিতেই সরকারের উপদেষ্টাদের ওপর আস্থার কথা জানালেন মির্জা ফখরুল।

শনিবার (১০ আগস্ট) দিবাগত রাতে বাসসকে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় মির্জা ফখরুল এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমি স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই, ওই বক্তব্যের দায় সম্পূর্ণভাবে ওনার (আবদুস সাত্তার) নিজের। দলের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।’

মূলত জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর তিনি প্রভাবশালী হয়ে ওঠেন।

সবশেষ গত শুক্রবার রাজধানীর বিয়াম মিলনায়তনে এক সেমিনারে কয়েকজন উপদেষ্টার দুর্নীতি নিয়ে আবদুস সাত্তার বক্তব্য দেন। ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রত্যাশা ও আগামী দিনের জনপ্রশাসন’ শীর্ষক সেমিনারটি আয়োজন করে প্রশাসন ক্যাডারদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন।

সেখানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব এম সিরাজ উদ্দিন মিয়া। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব মোখলেস উর রহমানসহ বেশ কয়েকজন আমলা সেখানে বক্তব্য দেন। দর্শক সারিতে প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের বহু কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

এমন পরিপ্রেক্ষিতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পক্ষ থেকে সরকারের অবস্থান পরিষ্কার করে শনিবার একটি বিবৃতি গণমাধ্যমে পাঠায় প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘সম্প্রতি সংবাদপত্রে প্রকাশিত কিছু প্রতিবেদন অন্তর্বর্তী সরকারের নজরে এসেছে; যেখানে সাবেক সরকারি কর্মকর্তা এ বি এম আবদুস সাত্তার নাম উল্লেখ না করে কয়েকজন উপদেষ্টার বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ উত্থাপন করেছেন। আমরা এই অভিযোগগুলো দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করছি। প্রমাণ উপস্থাপন বা ব্যক্তিদের শনাক্ত না করে ঢালাওভাবে অভিযোগ করা দায়িত্বজ্ঞানহীন এবং জন আস্থার জন্য ক্ষতিকর।’

ওই বিবৃতিতে আবদুস সাত্তারের কাছে সব প্রমাণ যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দিতে আহ্বান জানানো হয়। বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আমাদের প্রশাসন স্বচ্ছতা, সততা এবং জবাবদিহির প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। যদি আবদুস সাত্তারের কাছে কোনো অসদাচরণের বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ থাকে, আমরা তাঁকে যথাযথ আইনগত ও তদন্তকারী কর্তৃপক্ষের কাছে তা দ্রুত জমা দেওয়ার আহ্বান জানাই।’

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় মত প্রকাশের জন্য কোনো সাংবাদিককে জেলে যেতে হয়নি জানিয়েছেন তথ্য উপদেষ্টা

উপদেষ্টাদের দুর্নীতির অভিযোগ সাত্তারের ব্যক্তিগত, বিএনপির নয় বললেন ফখরুল

আপডেট সময় ১২:২৯:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ অগাস্ট ২০২৫

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টাদের সততার ওপরের বিএনপির পূর্ণ আস্থা রয়েছে মন্তব্য করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার সাবেক একান্ত সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার সরকারের ৮ উপদেষ্টার ‘সীমাহীন দুর্নীতির’ প্রমাণ নিজের কাছে রয়েছে দাবি করার পর এ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। ঠিক এমন পরিস্থিতিতেই সরকারের উপদেষ্টাদের ওপর আস্থার কথা জানালেন মির্জা ফখরুল।

শনিবার (১০ আগস্ট) দিবাগত রাতে বাসসকে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় মির্জা ফখরুল এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমি স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই, ওই বক্তব্যের দায় সম্পূর্ণভাবে ওনার (আবদুস সাত্তার) নিজের। দলের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।’

মূলত জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর তিনি প্রভাবশালী হয়ে ওঠেন।

সবশেষ গত শুক্রবার রাজধানীর বিয়াম মিলনায়তনে এক সেমিনারে কয়েকজন উপদেষ্টার দুর্নীতি নিয়ে আবদুস সাত্তার বক্তব্য দেন। ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রত্যাশা ও আগামী দিনের জনপ্রশাসন’ শীর্ষক সেমিনারটি আয়োজন করে প্রশাসন ক্যাডারদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন।

সেখানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব এম সিরাজ উদ্দিন মিয়া। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব মোখলেস উর রহমানসহ বেশ কয়েকজন আমলা সেখানে বক্তব্য দেন। দর্শক সারিতে প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের বহু কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

এমন পরিপ্রেক্ষিতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পক্ষ থেকে সরকারের অবস্থান পরিষ্কার করে শনিবার একটি বিবৃতি গণমাধ্যমে পাঠায় প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘সম্প্রতি সংবাদপত্রে প্রকাশিত কিছু প্রতিবেদন অন্তর্বর্তী সরকারের নজরে এসেছে; যেখানে সাবেক সরকারি কর্মকর্তা এ বি এম আবদুস সাত্তার নাম উল্লেখ না করে কয়েকজন উপদেষ্টার বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ উত্থাপন করেছেন। আমরা এই অভিযোগগুলো দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করছি। প্রমাণ উপস্থাপন বা ব্যক্তিদের শনাক্ত না করে ঢালাওভাবে অভিযোগ করা দায়িত্বজ্ঞানহীন এবং জন আস্থার জন্য ক্ষতিকর।’

ওই বিবৃতিতে আবদুস সাত্তারের কাছে সব প্রমাণ যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দিতে আহ্বান জানানো হয়। বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আমাদের প্রশাসন স্বচ্ছতা, সততা এবং জবাবদিহির প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। যদি আবদুস সাত্তারের কাছে কোনো অসদাচরণের বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ থাকে, আমরা তাঁকে যথাযথ আইনগত ও তদন্তকারী কর্তৃপক্ষের কাছে তা দ্রুত জমা দেওয়ার আহ্বান জানাই।’