ময়মনসিংহ , বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
আদ্-দ্বীন হাসপাতালের কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব গ্রহণযোগ্য নয় জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জরুরি সহায়তা হিসেবে ১০ হাজার কোটি টাকা ধার চায় ইসলামী ব্যাংক বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় বদ্ধপরিকর শান্তিরক্ষীরা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী ​শামীম ওসমানের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ: আদালতের কাঠগড়ায় ১২ জন সরকার ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্র নীতি পরিচালনা করছে বলে মন্তব্য করেছেন শামা ওবায়েদ সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে ১৭ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা আলোচিত নাসির-তামিমা মামলার রায় আজ, নজরে আদালত ​মার্কিন পঞ্চম নৌবহরে হামলার হুমকি দিলো ইরান, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা তুঙ্গে পূর্বধলায় বিদ্যুৎ বিলের বকেয়া আদায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: ২০৬ সংযোগ বিচ্ছিন্ন সরকারি চাকরিজীবীদের সুখবর: জুনেই নতুন পে-স্কেলের গেজেট, আসছে গ্রেড ও পেনশন সুবিধায় বড় পরিবর্তন
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

আজ প্রধান উপদেষ্টা রোহিঙ্গা সম্মেলনে যোগ দেবেন

  • ডিজিটাল রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:৩৩:৩৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৫
  • ১৪৮ বার পড়া হয়েছে

রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় টেকসই সমাধানের পথ খুঁজতে কক্সবাজারে গতকাল (রোববার, ২৪ আগস্ট) থেকে শুরু হয়েছে ‘স্টেকহোল্ডারস ডায়লগ’ নামে তিন দিনের আন্তর্জাতিক সম্মেলন।

আগামী ২৬ আগস্ট পর্যন্ত উখিয়ার ইনানীতে হোটেল বে-ওয়াচ মিলনায়তনে ‘টেকঅ্যাওয়ে টু দ্য হাই লেভেল কনফারেন্স অন দ্য রোহিঙ্গা সিচুয়েশন’ শীর্ষক স্টেকহোল্ডারস ডায়ালগ নামে তিন দিনব্যাপী এ সম্মেলন চলবে। প্রথম দিনে সরকার কঠোর বার্তা দিয়ে জানিয়েছে, আর কোনো রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশে ঢুকতে দেওয়া হবে না।

প্রায় আট বছর আগে মিয়ানমারের রাখাইন থেকে লাখ লাখ রোহিঙ্গার অনুপ্রবেশ ঘটে বাংলাদেশে। দিনে দিনে সংখ্যার হিসেবে তা ১০ লাখ ছাড়িয়েছে। ১৮ কোটির বেশি জনসংখ্যার এ বাংলাদেশে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনও তাই জরুরি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

গতকাল রোববার প্রথম দিনের সংলাপে উপস্থিত হন বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর প্রতিনিধি,বিএনপি, জামায়াত, এনসিপিসহ রাজনৈতিক দলগুলোর নেতারা। তবে মূল আকর্ষণ ছিল রোহিঙ্গাদের প্রায় শ খানেক প্রতিনিধি।

রোহিঙ্গারা জানান, বাংলাদেশের সঙ্গে এক হয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় যেন তাদের প্রত্যাবাসনে যথেষ্ট উদ্যোগ নেয়। বিভিন্ন দেশগুলোর পাশাপাশি মুসলিম দেশগুলোকে এগিয়ে আসারও আহ্বান জানান তারা।

রোহিঙ্গা প্রতিনিধিদের মধ্যে একজন বলেন, ‘আমরা শুধু শারীরিকভাবে মাতৃভূমিতে ফিরে যেতে চাই না। আমরা আমাদের অধিকারসহ ফিরে যেতে চাই।’

এসময় বিভিন্ন দেশে থাকা রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীও মিয়ানমারকে আন্তর্জাতিকভাবে চাপ দিয়ে হলেও সংকট সমাধানের দাবি জানান।

অন্যদিকে ডেপুটি প্রেস সচিব আজাদ মজুমদার জানান, রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে সরকার আন্তরিক। তবে নতুন করে আর কাউকে সীমান্ত পার হয়ে দেশে ঢুকতে দেয়া হবে না।

 প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘বাংলাদেশ প্রান্তে বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণটা আরোপ করতে পারে। বাংলাদেশে যারা সীমান্ত রক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত আছেন, তারা সতর্ক অবস্থানে আছেন যেন নতুন করে কোনো রোহিঙ্গা না আসে। অলরেডি এটা অনেক বড় একটা সংকট আমাদের দেশে বিদ্যমান।’

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব গ্রহণযোগ্য নয় জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আজ প্রধান উপদেষ্টা রোহিঙ্গা সম্মেলনে যোগ দেবেন

আপডেট সময় ১০:৩৩:৩৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৫

রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় টেকসই সমাধানের পথ খুঁজতে কক্সবাজারে গতকাল (রোববার, ২৪ আগস্ট) থেকে শুরু হয়েছে ‘স্টেকহোল্ডারস ডায়লগ’ নামে তিন দিনের আন্তর্জাতিক সম্মেলন।

আগামী ২৬ আগস্ট পর্যন্ত উখিয়ার ইনানীতে হোটেল বে-ওয়াচ মিলনায়তনে ‘টেকঅ্যাওয়ে টু দ্য হাই লেভেল কনফারেন্স অন দ্য রোহিঙ্গা সিচুয়েশন’ শীর্ষক স্টেকহোল্ডারস ডায়ালগ নামে তিন দিনব্যাপী এ সম্মেলন চলবে। প্রথম দিনে সরকার কঠোর বার্তা দিয়ে জানিয়েছে, আর কোনো রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশে ঢুকতে দেওয়া হবে না।

প্রায় আট বছর আগে মিয়ানমারের রাখাইন থেকে লাখ লাখ রোহিঙ্গার অনুপ্রবেশ ঘটে বাংলাদেশে। দিনে দিনে সংখ্যার হিসেবে তা ১০ লাখ ছাড়িয়েছে। ১৮ কোটির বেশি জনসংখ্যার এ বাংলাদেশে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনও তাই জরুরি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

গতকাল রোববার প্রথম দিনের সংলাপে উপস্থিত হন বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর প্রতিনিধি,বিএনপি, জামায়াত, এনসিপিসহ রাজনৈতিক দলগুলোর নেতারা। তবে মূল আকর্ষণ ছিল রোহিঙ্গাদের প্রায় শ খানেক প্রতিনিধি।

রোহিঙ্গারা জানান, বাংলাদেশের সঙ্গে এক হয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় যেন তাদের প্রত্যাবাসনে যথেষ্ট উদ্যোগ নেয়। বিভিন্ন দেশগুলোর পাশাপাশি মুসলিম দেশগুলোকে এগিয়ে আসারও আহ্বান জানান তারা।

রোহিঙ্গা প্রতিনিধিদের মধ্যে একজন বলেন, ‘আমরা শুধু শারীরিকভাবে মাতৃভূমিতে ফিরে যেতে চাই না। আমরা আমাদের অধিকারসহ ফিরে যেতে চাই।’

এসময় বিভিন্ন দেশে থাকা রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীও মিয়ানমারকে আন্তর্জাতিকভাবে চাপ দিয়ে হলেও সংকট সমাধানের দাবি জানান।

অন্যদিকে ডেপুটি প্রেস সচিব আজাদ মজুমদার জানান, রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে সরকার আন্তরিক। তবে নতুন করে আর কাউকে সীমান্ত পার হয়ে দেশে ঢুকতে দেয়া হবে না।

 প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘বাংলাদেশ প্রান্তে বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণটা আরোপ করতে পারে। বাংলাদেশে যারা সীমান্ত রক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত আছেন, তারা সতর্ক অবস্থানে আছেন যেন নতুন করে কোনো রোহিঙ্গা না আসে। অলরেডি এটা অনেক বড় একটা সংকট আমাদের দেশে বিদ্যমান।’