ময়মনসিংহ , মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
নির্বাচিত সরকারের সদিচ্ছা থাকলে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনা সম্ভব জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা গৌরীপুরে শ্রেষ্ঠ শিক্ষক-প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা নির্বাচনের পরের দিনের পরিস্থিতি কেমন হতে পারে: ছাত্রশিবির সভাপতি ঢাকা-৮ আসনকে মদিনার সমাজ বানাতে চাই বললেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী যারা বিক্রি হচ্ছেন তাদের হিসাব ১২ তারিখের পর হবে বললেন বিএনপি প্রার্থী ফারুক আজ মধ্যরাত থেকে নির্বাচন ও গণভোট ঘিরে মোটরসাইকেল চলাচল নিষিদ্ধ ১৮ ঊর্ধ্ব সবাইকে বাধ্যতামূলক সামরিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে বলেছেন নাহিদ ইসলাম ইউপি সদস্যের স্বামীকে গুলি করে হত্যা, আহত ১ নরসিংদীতে সোনার দাঁড়িপাল্লা উপহার দিলেন সমর্থক শিশির মনিরকে ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশ করা যাবে না জানিয়েছে ইসি
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

‘ মির্জা ফখরুলের দুর্নীতির প্রমাণ মেলেনি ফাইল তন্নতন্ন করে খুঁজেও’

  • ডিজিটাল রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৪৭:০৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৬৬ বার পড়া হয়েছে

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের শুরুর দিকের স্মৃতি ও সততার প্রসঙ্গ তুলে ধরে ভোটারদের কাছে ধানের শীষে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তার স্ত্রী রাহাত আরা বেগম। তিনি বলেন, ১৯৮৮ সালে প্রথম নির্বাচনের সময় ঠাকুরগাঁও পৌরসভা ছিল অব্যবস্থাপনায় জর্জরিত। সে সময় ঢাকায় চাকরি ছেড়ে পরিবারকে রেখে ঠাকুরগাঁওয়ে ফিরে এসে পৌরসভার দায়িত্ব কাঁধে নিয়েছিলেন মির্জা ফখরুল।

গত শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) রাতে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের মহেশালী গ্রামে এক উঠান বৈঠকে রাহাত আরা বেগম এসব কথা বলেন। তিনি জানান, সাইকেল প্রতীক নিয়ে মেয়র নির্বাচনে অংশ নিয়ে মির্জা ফখরুল পৌরসভার হাল ধরেছিলেন।

তিনি আরও বলেন, ২০০১ সালে বিএনপির মনোনয়নে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে পরে কৃষিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালনের পর সরকার পরিবর্তনের পর আওয়ামী লীগের মতিয়া চৌধুরী কৃষিমন্ত্রী হন। সে সময় তাঁর স্বামীর মন্ত্রী থাকাকালীন ফাইলপত্র খুঁটিয়ে দেখা হলেও কোনো অনিয়ম বা দুর্নীতির প্রমাণ মেলেনি বলে জানান রাহাত আরা বেগম। তাঁর ভাষ্য, মতিয়া চৌধুরী পর্যন্ত বলেছিলেন, ‘তন্নতন্ন করে খুঁজেও কোনো চুরি বা দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়া যায়নি।’

উঠান বৈঠকে তিনি বলেন, ‘স্যার আগেও কয়েকবার নির্বাচন করেছেন। এবারের নির্বাচনটা হয়তো তাঁর শেষ। বয়সের কারণে এরপর আর নির্বাচন করা সম্ভব নাও হতে পারে।’ তিনি যোগ করেন, মির্জা ফখরুল এখন শুধু বিএনপির নন, গোটা দেশের একজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা। তাঁকে বিজয়ী করতে পারলে এবং বিএনপিকে ক্ষমতায় আনতে পারলে তিনি আরও বড় পরিসরে কাজ করার সুযোগ পাবেন।

শেষে তিনি ভোটারদের উদ্দেশে বলেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে ভোট দিয়ে আবারও জয়যুক্ত করতে। বিএনপি ক্ষমতায় এলে ঠাকুরগাঁওয়ের উন্নয়ন আরও গতিশীল হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

উঠান বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি মহাসচিবের ছোট মেয়ে মির্জা সাফারুহ, জেলা মহিলা দলের সভাপতি ফোরাতুন নাহার প্যারিস, সাধারণ সম্পাদক নাজমা পারভিনসহ ইউনিয়ন বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নির্বাচিত সরকারের সদিচ্ছা থাকলে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনা সম্ভব জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা

‘ মির্জা ফখরুলের দুর্নীতির প্রমাণ মেলেনি ফাইল তন্নতন্ন করে খুঁজেও’

আপডেট সময় ১১:৪৭:০৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের শুরুর দিকের স্মৃতি ও সততার প্রসঙ্গ তুলে ধরে ভোটারদের কাছে ধানের শীষে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তার স্ত্রী রাহাত আরা বেগম। তিনি বলেন, ১৯৮৮ সালে প্রথম নির্বাচনের সময় ঠাকুরগাঁও পৌরসভা ছিল অব্যবস্থাপনায় জর্জরিত। সে সময় ঢাকায় চাকরি ছেড়ে পরিবারকে রেখে ঠাকুরগাঁওয়ে ফিরে এসে পৌরসভার দায়িত্ব কাঁধে নিয়েছিলেন মির্জা ফখরুল।

গত শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) রাতে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের মহেশালী গ্রামে এক উঠান বৈঠকে রাহাত আরা বেগম এসব কথা বলেন। তিনি জানান, সাইকেল প্রতীক নিয়ে মেয়র নির্বাচনে অংশ নিয়ে মির্জা ফখরুল পৌরসভার হাল ধরেছিলেন।

তিনি আরও বলেন, ২০০১ সালে বিএনপির মনোনয়নে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে পরে কৃষিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালনের পর সরকার পরিবর্তনের পর আওয়ামী লীগের মতিয়া চৌধুরী কৃষিমন্ত্রী হন। সে সময় তাঁর স্বামীর মন্ত্রী থাকাকালীন ফাইলপত্র খুঁটিয়ে দেখা হলেও কোনো অনিয়ম বা দুর্নীতির প্রমাণ মেলেনি বলে জানান রাহাত আরা বেগম। তাঁর ভাষ্য, মতিয়া চৌধুরী পর্যন্ত বলেছিলেন, ‘তন্নতন্ন করে খুঁজেও কোনো চুরি বা দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়া যায়নি।’

উঠান বৈঠকে তিনি বলেন, ‘স্যার আগেও কয়েকবার নির্বাচন করেছেন। এবারের নির্বাচনটা হয়তো তাঁর শেষ। বয়সের কারণে এরপর আর নির্বাচন করা সম্ভব নাও হতে পারে।’ তিনি যোগ করেন, মির্জা ফখরুল এখন শুধু বিএনপির নন, গোটা দেশের একজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা। তাঁকে বিজয়ী করতে পারলে এবং বিএনপিকে ক্ষমতায় আনতে পারলে তিনি আরও বড় পরিসরে কাজ করার সুযোগ পাবেন।

শেষে তিনি ভোটারদের উদ্দেশে বলেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে ভোট দিয়ে আবারও জয়যুক্ত করতে। বিএনপি ক্ষমতায় এলে ঠাকুরগাঁওয়ের উন্নয়ন আরও গতিশীল হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

উঠান বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি মহাসচিবের ছোট মেয়ে মির্জা সাফারুহ, জেলা মহিলা দলের সভাপতি ফোরাতুন নাহার প্যারিস, সাধারণ সম্পাদক নাজমা পারভিনসহ ইউনিয়ন বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।