ময়মনসিংহ , বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
শিক্ষায় বরাদ্দ বাড়ছে, ৪৩টি ক্ষেত্র চিহ্নিত করে বাস্তবায়ন হচ্ছে পরিকল্পনা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী দেশের ২৮৪৭টি গ্রামে কোনো প্রাথমিক বিদ্যালয় নেই জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রী: ৩ মে নয়, সারাদেশে হামের টিকা শুরু ২০ এপ্রিল ২১ এপ্রিল সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নপত্র জমা যুদ্ধবিরতি ইস্যুতে নীরবতা: নিজ দেশেই তোপের মুখে নেতানিয়াহু মার্কিন নাগরিকদের জন্য সতর্কতা: হজে না যাওয়ার পরামর্শ দূতাবাসের রুদ্ধশ্বাস অপেক্ষার অবসান: উন্মুক্ত হচ্ছে হরমুজ, কমছে তেলের দাম ধর্ষণেরস্বীকার দৃষ্টি প্রতিবন্ধী তরুণী গৌরীপুরে জ্বালানি সংকটে সোয়াদ ফিলিং স্টেশানে অবৈধ তেল মজুদ! ফিলিং স্টেশন ম্যানেজারের বিরুদ্ধে মামলা আজ ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে সিলেটে
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

বিএনপির নতুন চিন্তা শরিকদের নিয়ে

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:১০:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৭৭ বার পড়া হয়েছে

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে যুগপৎ আন্দোলনের শরিক দলগুলোর সঙ্গে বিএনপির নির্বাচনী সমীকরণ পাল্টে যাচ্ছে। দায়িত্বশীল সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে যে, শরিকদের সঙ্গে বিএনপি কোনো আনুষ্ঠানিক ‘নির্বাচনী জোট’ করছে না। বরং আসনভিত্তিক সমঝোতার পথে হাঁটছে দলটি। এই নতুন কৌশলে শীর্ষ নেতাদের আসনে ছাড় দেওয়া হলেও অনেক আসনেই শরিকদের বিএনপির সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হতে পারে। দেশের প্রথম সারির একটি সংবাদপত্রের প্রতিবেদনে এমন তথ্যই উঠে এসেছে।

বিএনপি ইতিমধ্যে দুই দফায় ২৭২টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে। এতে শরিক দলগুলোর মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা দেখা দিলেও বিএনপি আশ্বস্ত করছে যে: নাগরিক ঐক্য, গণসংহতি আন্দোলন, জেএসডি ও বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির শীর্ষ নেতাদের আসনে বিএনপি কোনো প্রার্থী দেবে না। সমঝোতার ভিত্তিতে যেসব আসন শরিকদের ছেড়ে দেওয়া হবে, সেখানে ইতিমধ্যে ঘোষিত বিএনপির প্রার্থীদের সরিয়ে নেওয়া হবে। অনেক আসনে শরিক দলগুলো চাইলে ধানের শীষের প্রার্থীর বিরুদ্ধে নিজেদের প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবে।

আগামী ২৯ ডিসেম্বরের মধ্যে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময়। অন্যদিকে ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আসন সমঝোতার চূড়ান্ত অনুমোদন তাঁর পক্ষ থেকেই আসার কথা। তিনি লন্ডন থেকে এই সিদ্ধান্ত দেবেন নাকি দেশে ফেরার পর দেবেন—তা নিয়ে শরিকদের মধ্যে সংশয় রয়ে গেছে। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছেন, আলোচনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত চূড়ান্ত কিছু বলা সম্ভব নয়।

ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের অবর্তমানে নির্বাচন যতটা সহজ মনে করা হয়েছিল, বর্তমানে শরিকদের মানিয়ে নেওয়া এবং দলীয় প্রার্থীজট সামলানো বিএনপির জন্য ততটাই বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষায় বরাদ্দ বাড়ছে, ৪৩টি ক্ষেত্র চিহ্নিত করে বাস্তবায়ন হচ্ছে পরিকল্পনা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

বিএনপির নতুন চিন্তা শরিকদের নিয়ে

আপডেট সময় ১২:১০:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে যুগপৎ আন্দোলনের শরিক দলগুলোর সঙ্গে বিএনপির নির্বাচনী সমীকরণ পাল্টে যাচ্ছে। দায়িত্বশীল সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে যে, শরিকদের সঙ্গে বিএনপি কোনো আনুষ্ঠানিক ‘নির্বাচনী জোট’ করছে না। বরং আসনভিত্তিক সমঝোতার পথে হাঁটছে দলটি। এই নতুন কৌশলে শীর্ষ নেতাদের আসনে ছাড় দেওয়া হলেও অনেক আসনেই শরিকদের বিএনপির সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হতে পারে। দেশের প্রথম সারির একটি সংবাদপত্রের প্রতিবেদনে এমন তথ্যই উঠে এসেছে।

বিএনপি ইতিমধ্যে দুই দফায় ২৭২টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে। এতে শরিক দলগুলোর মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা দেখা দিলেও বিএনপি আশ্বস্ত করছে যে: নাগরিক ঐক্য, গণসংহতি আন্দোলন, জেএসডি ও বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির শীর্ষ নেতাদের আসনে বিএনপি কোনো প্রার্থী দেবে না। সমঝোতার ভিত্তিতে যেসব আসন শরিকদের ছেড়ে দেওয়া হবে, সেখানে ইতিমধ্যে ঘোষিত বিএনপির প্রার্থীদের সরিয়ে নেওয়া হবে। অনেক আসনে শরিক দলগুলো চাইলে ধানের শীষের প্রার্থীর বিরুদ্ধে নিজেদের প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবে।

আগামী ২৯ ডিসেম্বরের মধ্যে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময়। অন্যদিকে ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আসন সমঝোতার চূড়ান্ত অনুমোদন তাঁর পক্ষ থেকেই আসার কথা। তিনি লন্ডন থেকে এই সিদ্ধান্ত দেবেন নাকি দেশে ফেরার পর দেবেন—তা নিয়ে শরিকদের মধ্যে সংশয় রয়ে গেছে। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছেন, আলোচনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত চূড়ান্ত কিছু বলা সম্ভব নয়।

ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের অবর্তমানে নির্বাচন যতটা সহজ মনে করা হয়েছিল, বর্তমানে শরিকদের মানিয়ে নেওয়া এবং দলীয় প্রার্থীজট সামলানো বিএনপির জন্য ততটাই বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।