ময়মনসিংহ , শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬, ২৭ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

যৌথ বাহিনীর অভিযান ১৫ জানুয়ারির পর জোরদার হবে বলেছেন ইসি সানাউল্লাহ

  • ডিজিটাল রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৯:৩৪:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১৯ বার পড়া হয়েছে

সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় আনার পাশাপাশি অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে গতিশীলতা আসবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেছেন, অপকর্ম করে কোনো গোষ্ঠী বা দলের পার পাওয়ার সুযোগ নেই। ডেভিল হান্ট ফেজ-টু অভিযানে দুই শতাধিক অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। যৌথ বাহিনীর অভিযানকে আরও গতিশীল করার নির্দেশনা দিয়েছি। বিশেষ করে ১৫ জানুয়ারির পর থেকে এটা আরও বেড়ে যাবে।

গত মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে আইনশৃঙ্খলা সেলের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

নির্বাচন কমিশনার সানাউল্লাহ বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন নিয়ে কোনো রকম শঙ্কা নেই। বরং ভোটাররা ভোট দিতে ভোটকেন্দ্রের দিকে তাকিয়ে আছেন। মিডিয়ার দায়িত্ব সঠিক তথ্য সঠিক সময়ে তুলে ধরা। অপতথ্য ও গুজব রোধে সাংবাদিকরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন। অপতথ্য ছড়ানো যেমন অপরাধ, তেমনি অপতথ্য শেয়ার করাও অপরাধ। এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

তিনি জানান, জুলাই অভ্যুত্থানের পর এখনও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক অস্ত্র উদ্ধার হয়নি। ৮৫ শতাংশের কাছাকাছি অস্ত্র উদ্ধার হলেও আনুমানিক ১৫ শতাংশ অস্ত্র উদ্ধার করা যায়নি। এগুলো খুঁজে পেতে হবে। শতভাগ খুঁজে পাবেন– তা আশা করা যায় না। তবে যারা এগুলো নিয়েছে, তাদের চিহ্নিত বা উদ্ধার করতে পারলে মানুষের মধ্যে আস্থা বাড়বে।

তিনি বলেন, চট্টগ্রামে সংখ্যালঘুদের আবাস আছে। নির্বাচন ঘিরে কোনো স্বার্থান্বেষী মহল সংখ্যালঘুদের মাঝে বিভিন্ন ঘটনা ঘটানোর প্রয়াস চালাতে পারে। অতীতেও এমনটা ঘটেছে। সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। রোহিঙ্গাদের ক্যাম্প ও সীমান্ত অবশ্যই বন্ধ করতে হবে। রোহিঙ্গা ক্যাম্পভিত্তিক কিছু কর্মকাণ্ড নিরাপত্তাকে বিঘ্নিত করছে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

যৌথ বাহিনীর অভিযান ১৫ জানুয়ারির পর জোরদার হবে বলেছেন ইসি সানাউল্লাহ

আপডেট সময় ০৯:৩৪:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৬

সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় আনার পাশাপাশি অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে গতিশীলতা আসবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেছেন, অপকর্ম করে কোনো গোষ্ঠী বা দলের পার পাওয়ার সুযোগ নেই। ডেভিল হান্ট ফেজ-টু অভিযানে দুই শতাধিক অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। যৌথ বাহিনীর অভিযানকে আরও গতিশীল করার নির্দেশনা দিয়েছি। বিশেষ করে ১৫ জানুয়ারির পর থেকে এটা আরও বেড়ে যাবে।

গত মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে আইনশৃঙ্খলা সেলের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

নির্বাচন কমিশনার সানাউল্লাহ বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন নিয়ে কোনো রকম শঙ্কা নেই। বরং ভোটাররা ভোট দিতে ভোটকেন্দ্রের দিকে তাকিয়ে আছেন। মিডিয়ার দায়িত্ব সঠিক তথ্য সঠিক সময়ে তুলে ধরা। অপতথ্য ও গুজব রোধে সাংবাদিকরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন। অপতথ্য ছড়ানো যেমন অপরাধ, তেমনি অপতথ্য শেয়ার করাও অপরাধ। এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

তিনি জানান, জুলাই অভ্যুত্থানের পর এখনও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক অস্ত্র উদ্ধার হয়নি। ৮৫ শতাংশের কাছাকাছি অস্ত্র উদ্ধার হলেও আনুমানিক ১৫ শতাংশ অস্ত্র উদ্ধার করা যায়নি। এগুলো খুঁজে পেতে হবে। শতভাগ খুঁজে পাবেন– তা আশা করা যায় না। তবে যারা এগুলো নিয়েছে, তাদের চিহ্নিত বা উদ্ধার করতে পারলে মানুষের মধ্যে আস্থা বাড়বে।

তিনি বলেন, চট্টগ্রামে সংখ্যালঘুদের আবাস আছে। নির্বাচন ঘিরে কোনো স্বার্থান্বেষী মহল সংখ্যালঘুদের মাঝে বিভিন্ন ঘটনা ঘটানোর প্রয়াস চালাতে পারে। অতীতেও এমনটা ঘটেছে। সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। রোহিঙ্গাদের ক্যাম্প ও সীমান্ত অবশ্যই বন্ধ করতে হবে। রোহিঙ্গা ক্যাম্পভিত্তিক কিছু কর্মকাণ্ড নিরাপত্তাকে বিঘ্নিত করছে।