ময়মনসিংহ , বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

৭৬ হাজার ৫৮০ বাংলাদেশি ২০২৬ সালে হজে যেতে নিবন্ধন করেছেন

  • ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:০৪:৫৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১০২ বার পড়া হয়েছে

২০২৬ সালে পবিত্র হজে যেতে ৭৬ হাজার ৫৮০ জন বাংলাদেশি নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন।

ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, মোট ৭৬ হাজার ৫৮০ জনের মধ্যে ৭২ হাজার ৩৪৪ জন বেসরকারি ব্যবস্থাপনায়, ৪ হাজার ২৬০ জন সরকারি ব্যবস্থাপনায় নিবন্ধন করেছেন। এ বছর বাংলাদেশ থেকে মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জন হজ পালনের সুযোগ পাবেন।

ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা মো. আবুবকর সিদ্দীক বাসসকে বলেন, সাধারণ হজযাত্রীদের পাশাপাশি মেডিক্যাল টিম, হজ গাইড, প্রশাসনিক ও কারিগারি দলও সৌদি আরবে যাবেন হজযাত্রীদের সহায়তার জন্য। মন্ত্রণালয় তাঁদের তালিকা সৌদি কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের জন্য পাঠিয়েছে।

হজ অফিসের তথ্যমতে, এ বছর বাংলাদেশ থেকে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭২ হাজার ৩৪৪ জন, সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৫৬৫ জন হজ পালন করবেন।

হজ এজেন্সি ও এয়ারলাইনসগুলোকে হজ ব্যবস্থাপনাসংক্রান্ত সব নির্দেশনা কঠোরভাবে মানতে নির্দেশ দিয়েছে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়।

২০২৬ সালের হজযাত্রীদের ফ্লাইট আগামী ১৮ এপ্রিল থেকে শুরু হবে।

সৌদি সরকার সব হজযাত্রীর জন্য মেডিক্যাল ফিটনেস বাধ্যতামূলক করেছে।

মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘হজযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো স্বাস্থ্য সচেতন থাকা এবং শারীরিক ও মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকা। সাধারণ স্বাস্থ্য সমস্যা মোকাবিলায় হজযাত্রীদের প্রস্তুতি থাকতে হবে।’

হজযাত্রীরা ই-হজ সিস্টেম, লাব্বাইক মোবাইল অ্যাপ, ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার, ইসলামী ফাউন্ডেশনের বিভাগীয় ও জেলা অফিস এবং বায়তুল মোকাররম হজ অফিস ও আশকোনা হজ অফিসের মাধ্যমে নিবন্ধন করেছেন।

বাংলাদেশি হজযাত্রী বহনের জন্য মোট তিনটি এয়ারলাইনস দায়িত্বে থাকবে। সেগুলো হলো বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, সৌদিয়া এয়ারলাইনস ও ফ্লাইনাস এয়ারলাইনস।

নির্দেশনা অনুযায়ী, এজেন্সিগুলোকে প্রি-হজ ফ্লাইটের মধ্যবর্তী সময়ে ২০ শতাংশ হজযাত্রী পাঠাতে হবে। অন্যদের প্রথম ও শেষ পর্যায়ে পাঠাতে হবে।

মন্ত্রণালয় স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, কোনো এজেন্সি প্রি-হজ ফ্লাইটের প্রথম বা শেষ পর্যায়ের হজ ফ্লাইটে ৩০ শতাংশের কম এবং ৫০ শতাংশের বেশি টিকিট ইস্যু করতে পারবে না।

সবাইকে নির্দেশনার আলোকে টিকিট ইস্যু ও ফ্লাইট পরিচালনা নিশ্চিত করার অনুরোধ জানিয়েছে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মোগলটুলীর সেই আওয়ামী লীগ ‘বিক্রি হয়ে গেছে’বললেন মাহফুজ আলম

৭৬ হাজার ৫৮০ বাংলাদেশি ২০২৬ সালে হজে যেতে নিবন্ধন করেছেন

আপডেট সময় ১১:০৪:৫৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

২০২৬ সালে পবিত্র হজে যেতে ৭৬ হাজার ৫৮০ জন বাংলাদেশি নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন।

ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, মোট ৭৬ হাজার ৫৮০ জনের মধ্যে ৭২ হাজার ৩৪৪ জন বেসরকারি ব্যবস্থাপনায়, ৪ হাজার ২৬০ জন সরকারি ব্যবস্থাপনায় নিবন্ধন করেছেন। এ বছর বাংলাদেশ থেকে মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জন হজ পালনের সুযোগ পাবেন।

ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা মো. আবুবকর সিদ্দীক বাসসকে বলেন, সাধারণ হজযাত্রীদের পাশাপাশি মেডিক্যাল টিম, হজ গাইড, প্রশাসনিক ও কারিগারি দলও সৌদি আরবে যাবেন হজযাত্রীদের সহায়তার জন্য। মন্ত্রণালয় তাঁদের তালিকা সৌদি কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের জন্য পাঠিয়েছে।

হজ অফিসের তথ্যমতে, এ বছর বাংলাদেশ থেকে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭২ হাজার ৩৪৪ জন, সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৫৬৫ জন হজ পালন করবেন।

হজ এজেন্সি ও এয়ারলাইনসগুলোকে হজ ব্যবস্থাপনাসংক্রান্ত সব নির্দেশনা কঠোরভাবে মানতে নির্দেশ দিয়েছে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়।

২০২৬ সালের হজযাত্রীদের ফ্লাইট আগামী ১৮ এপ্রিল থেকে শুরু হবে।

সৌদি সরকার সব হজযাত্রীর জন্য মেডিক্যাল ফিটনেস বাধ্যতামূলক করেছে।

মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘হজযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো স্বাস্থ্য সচেতন থাকা এবং শারীরিক ও মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকা। সাধারণ স্বাস্থ্য সমস্যা মোকাবিলায় হজযাত্রীদের প্রস্তুতি থাকতে হবে।’

হজযাত্রীরা ই-হজ সিস্টেম, লাব্বাইক মোবাইল অ্যাপ, ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার, ইসলামী ফাউন্ডেশনের বিভাগীয় ও জেলা অফিস এবং বায়তুল মোকাররম হজ অফিস ও আশকোনা হজ অফিসের মাধ্যমে নিবন্ধন করেছেন।

বাংলাদেশি হজযাত্রী বহনের জন্য মোট তিনটি এয়ারলাইনস দায়িত্বে থাকবে। সেগুলো হলো বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, সৌদিয়া এয়ারলাইনস ও ফ্লাইনাস এয়ারলাইনস।

নির্দেশনা অনুযায়ী, এজেন্সিগুলোকে প্রি-হজ ফ্লাইটের মধ্যবর্তী সময়ে ২০ শতাংশ হজযাত্রী পাঠাতে হবে। অন্যদের প্রথম ও শেষ পর্যায়ে পাঠাতে হবে।

মন্ত্রণালয় স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, কোনো এজেন্সি প্রি-হজ ফ্লাইটের প্রথম বা শেষ পর্যায়ের হজ ফ্লাইটে ৩০ শতাংশের কম এবং ৫০ শতাংশের বেশি টিকিট ইস্যু করতে পারবে না।

সবাইকে নির্দেশনার আলোকে টিকিট ইস্যু ও ফ্লাইট পরিচালনা নিশ্চিত করার অনুরোধ জানিয়েছে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়।