ময়মনসিংহ , মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
নির্বাচিত সরকারের সদিচ্ছা থাকলে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনা সম্ভব জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা গৌরীপুরে শ্রেষ্ঠ শিক্ষক-প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা নির্বাচনের পরের দিনের পরিস্থিতি কেমন হতে পারে: ছাত্রশিবির সভাপতি ঢাকা-৮ আসনকে মদিনার সমাজ বানাতে চাই বললেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী যারা বিক্রি হচ্ছেন তাদের হিসাব ১২ তারিখের পর হবে বললেন বিএনপি প্রার্থী ফারুক আজ মধ্যরাত থেকে নির্বাচন ও গণভোট ঘিরে মোটরসাইকেল চলাচল নিষিদ্ধ ১৮ ঊর্ধ্ব সবাইকে বাধ্যতামূলক সামরিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে বলেছেন নাহিদ ইসলাম ইউপি সদস্যের স্বামীকে গুলি করে হত্যা, আহত ১ নরসিংদীতে সোনার দাঁড়িপাল্লা উপহার দিলেন সমর্থক শিশির মনিরকে ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশ করা যাবে না জানিয়েছে ইসি
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

নির্বাচিত সরকারের সদিচ্ছা থাকলে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনা সম্ভব জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা

  • ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:৩৮:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ২৩ বার পড়া হয়েছে

বিদেশে অর্থ পাচারকারীদের শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে এবং আগামীতে একটি নির্বাচিত সরকার যদি আন্তরিক হয়, তবে পাচার হওয়া সেই অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। 

আজ মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই মন্তব্য করেন।

অন্তর্বর্তী সরকারের গত ১৮ মাসের কার্যক্রমের ওপর আলোকপাত করে ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, দেশকে এমন একটি শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে আসা হয়েছে যেখান থেকে আগামীতে আরও দ্রুত গতিতে উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব। তিনি আরও জানান, বর্তমান উপদেষ্টা পরিষদের সম্পদের বিবরণী আগামী দু-এক দিনের মধ্যেই মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ প্রকাশ করতে পারে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের স্বায়ত্তশাসন এবং গ্রাহকদের স্বার্থ রক্ষার বিষয়েও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেন অর্থ উপদেষ্টা। তিনি জানান, কেন্দ্রীয় ব্যাংক আরও বেশি স্বাধীনতা চাচ্ছে এবং সরকার তা ইতিবাচকভাবে দেখছে। বিশেষ করে সম্মিলিত পাঁচটি ব্যাংকের আমানতকারীদের অর্থ ফেরত দেওয়ার বিষয়টি এবং সংশ্লিষ্ট শেয়ারহোল্ডারদের স্বার্থ সুরক্ষার বিষয়টিও বর্তমানে পর্যালোচনাধীন রয়েছে।

এ ছাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ইন্টারনেট সংযোগ সেবা প্রসঙ্গে তিনি জানান, এই খাতটি আর কোনো একক কোম্পানির একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণে থাকবে না। এখন থেকে বিদ্যালয়গুলো নিজেরাই সিদ্ধান্ত নেবে তারা গ্রামীণফোন, রবি নাকি বাংলালিংকের সেবা গ্রহণ করবে।

ব্যক্তিগত ভবিষ্যতের পরিকল্পনা নিয়ে ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ জানান, পুনরায় সরকারের অংশ হওয়ার প্রস্তাব পাবেন কি না তা তিনি জানেন না, তবে তাঁর মূল পেশা শিক্ষকতায় ফিরে যাওয়ার প্রস্তাব রয়েছে। তিনি মনে করেন, অন্তর্বর্তী সরকার দেশের অর্থনীতির একটি ভঙ্গুর দশাকে টেনে তুলে একটি মজবুত ভিত্তি দেওয়ার চেষ্টা করেছে।

এখন সংস্কারের এই গতিকে ধরে রেখে সামনে এগিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব থাকবে পরবর্তী নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের ওপর। দেশের আর্থিক খাতে সুশাসন নিশ্চিত করাই ছিল এই সরকারের প্রধানতম লক্ষ্য এবং সেই লক্ষ্যে অধিকাংশ ক্ষেত্রে সফলতা এসেছে বলে তিনি দাবি করেন।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নির্বাচিত সরকারের সদিচ্ছা থাকলে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনা সম্ভব জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা

নির্বাচিত সরকারের সদিচ্ছা থাকলে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনা সম্ভব জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা

আপডেট সময় ০২:৩৮:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বিদেশে অর্থ পাচারকারীদের শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে এবং আগামীতে একটি নির্বাচিত সরকার যদি আন্তরিক হয়, তবে পাচার হওয়া সেই অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। 

আজ মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই মন্তব্য করেন।

অন্তর্বর্তী সরকারের গত ১৮ মাসের কার্যক্রমের ওপর আলোকপাত করে ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, দেশকে এমন একটি শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে আসা হয়েছে যেখান থেকে আগামীতে আরও দ্রুত গতিতে উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব। তিনি আরও জানান, বর্তমান উপদেষ্টা পরিষদের সম্পদের বিবরণী আগামী দু-এক দিনের মধ্যেই মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ প্রকাশ করতে পারে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের স্বায়ত্তশাসন এবং গ্রাহকদের স্বার্থ রক্ষার বিষয়েও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেন অর্থ উপদেষ্টা। তিনি জানান, কেন্দ্রীয় ব্যাংক আরও বেশি স্বাধীনতা চাচ্ছে এবং সরকার তা ইতিবাচকভাবে দেখছে। বিশেষ করে সম্মিলিত পাঁচটি ব্যাংকের আমানতকারীদের অর্থ ফেরত দেওয়ার বিষয়টি এবং সংশ্লিষ্ট শেয়ারহোল্ডারদের স্বার্থ সুরক্ষার বিষয়টিও বর্তমানে পর্যালোচনাধীন রয়েছে।

এ ছাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ইন্টারনেট সংযোগ সেবা প্রসঙ্গে তিনি জানান, এই খাতটি আর কোনো একক কোম্পানির একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণে থাকবে না। এখন থেকে বিদ্যালয়গুলো নিজেরাই সিদ্ধান্ত নেবে তারা গ্রামীণফোন, রবি নাকি বাংলালিংকের সেবা গ্রহণ করবে।

ব্যক্তিগত ভবিষ্যতের পরিকল্পনা নিয়ে ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ জানান, পুনরায় সরকারের অংশ হওয়ার প্রস্তাব পাবেন কি না তা তিনি জানেন না, তবে তাঁর মূল পেশা শিক্ষকতায় ফিরে যাওয়ার প্রস্তাব রয়েছে। তিনি মনে করেন, অন্তর্বর্তী সরকার দেশের অর্থনীতির একটি ভঙ্গুর দশাকে টেনে তুলে একটি মজবুত ভিত্তি দেওয়ার চেষ্টা করেছে।

এখন সংস্কারের এই গতিকে ধরে রেখে সামনে এগিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব থাকবে পরবর্তী নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের ওপর। দেশের আর্থিক খাতে সুশাসন নিশ্চিত করাই ছিল এই সরকারের প্রধানতম লক্ষ্য এবং সেই লক্ষ্যে অধিকাংশ ক্ষেত্রে সফলতা এসেছে বলে তিনি দাবি করেন।