ময়মনসিংহ , রবিবার, ২৪ মে ২০২৬, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
​যৌন নির্যাতন রোধে মাদরাসায় বিশেষ কমিশন গঠনের দাবি শায়েখ আহমাদুল্লাহর দেশের মানুষ এখন আর সহজ-সরল নেই বলেছেন মির্জা ফখরুল ময়মনসিংহের গৌরীপুরে শাওনের ফাঁসির দাবিতে তৌহিদী জনতা বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত ইরানের সঙ্গে দ্বন্দ্বে কি বড় কোনো ভুল করছেন ট্রাম্প? যমুনা সেতুতে আয়ের নতুন রেকর্ড, একদিনেই আদায় ৩ কোটি! ​দেশের ৪ অঞ্চলে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা, নদীবন্দরে সতর্কতা ​যুক্তরাষ্ট্রে গণহারে ছাঁটাই: চরম অনিশ্চয়তায় হাজারো ভারতীয় আইটি কর্মী ইয়াবা কারবারে জড়িত পুলিশ সদস্যসহ আটক ২ চুরির অপবাদে গৃহবধূর বিষপানে মৃত্যু, শাশুড়ি গ্রেফতার বিশ্বমানের স্বাস্থ্যসেবায় ময়মনসিংহে একেএস ডায়াগনস্টিকের ৯ম শাখার উদ্বোধন
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

সংরক্ষিত নারী আসনের চূড়ান্ত চিত্রে পরিবর্তন আসতে পারে, ৪ আসনের ফল বাকি

  • স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় ১০:৪৫:০৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৪৪৩ বার পড়া হয়েছে

নির্বাচন কমিশন (ইসি) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ২৯৬টি আসনের গেজেট প্রকাশ করেছে। প্রকাশিত গেজেট অনুযায়ী কমিশন জানিয়েছে সংরক্ষিত ৫০টি নারী আসনের মধ্যে জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোট ১৩টি এবং বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট ৩৫টি আসন পেতে পারে বলে কমিশন জানিয়েছে।

ঘোষিত ফলাফলে জামায়াতে ইসলামী পেয়েছে ৬৮টি আসন বিএনপি এককভাবে ২০৯টি আসন লাভ করেছে এবং এনসিপি পেয়েছে ৬টি। এছাড়া বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস দুটি আসনে জয়ী হয়েছে। গণঅধিকার পরিষদ, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, ও গণসংহতি আন্দোলন প্রত্যেকে একটি করে আসন পেয়েছে। সাতটি আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জয়ী  হয়েছেন। সংসদে সংরক্ষিত একটি নারী আসন পেতে ন্যূনতম ছয়জন নির্বাচিত সংসদ সদস্য থাকা বাধ্যতামূলক।

স্বতন্ত্র সদস্যরা চাইলে কোনো জোটে যুক্ত হয়ে সংরক্ষিত নারী আসনের দাবিদার হতে পারেন। তবে তারা জোটে যোগ দিলে আসন বণ্টনের হিসাব পরিবর্তিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।গেজেট অনুযায়ী জোটভিত্তিক হিসাবে বিএনপি জোটের আসন দাঁড়িয়েছে ২১১টি এবং জামায়াত জোটের ৭৪টি। স্বতন্ত্রদের সাতটি আসনের কারণে তারাও একটি সংরক্ষিত নারী আসন পাওয়ার সুযোগ পেতে পারেন।

অন্যদিকে চট্টগ্রাম-২, চট্টগ্রাম-৪ আসনের গেজেট হাইকোর্টের নির্দেশে স্থগিত রয়েছে। বগুড়া-৬ আসন শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে এবং শেরপুর-৩ আসনে একজন প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে ভোটগ্রহণ স্থগিত হয়েছে। এই চার আসনের ফলাফল প্রকাশের পর সংরক্ষিত নারী আসনের চূড়ান্ত সংখ্যা কিছুটা পরিবর্তন হতে পারে।নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, একটি সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য অন্তত ছয়টি নির্বাচিত আসন প্রয়োজন। তবে রাজনৈতিক দলগুলো চাইলে জোটগতভাবে নারী আসনের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবে এবং এতে কোনো আইনি বাধা নেই।

সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় সংসদে ৫০টি সংরক্ষিত নারী আসন রয়েছে এবং সাধারণ নির্বাচনের ফলাফলের গেজেট প্রকাশের ৯০ দিনের মধ্যে এসব আসনের নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে। ইসি ভোট আয়োজন করবে আগামী মে মাসের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে।নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে ভোট দেবেন। প্রতিটি দল বা জোট তাদের প্রাপ্ত আসনের অনুপাতে প্রার্থী মনোনয়ন দেবে। কোনো আসনে একাধিক প্রার্থী থাকলে ভোটগ্রহণ হবে, আর একক প্রার্থী হলে ভোট ছাড়াই তাকে নির্বাচিত ঘোষণা করা হবে।আইন অনুযায়ী শপথ নেওয়া সংসদ সদস্যদের তথ্য তিন কার্যদিবসের মধ্যে সংসদ সচিবালয় থেকে ইসিতে পাঠানো হয়।

গেজেট প্রকাশের দল বা জোটকে প্রার্থী তালিকা জমা দিতে হয় ২১ কার্যদিবসের মধ্যে। এরপর ইসি সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের জন্য দলভিত্তিক চূড়ান্ত তালিকা প্রস্তুত করে ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

​যৌন নির্যাতন রোধে মাদরাসায় বিশেষ কমিশন গঠনের দাবি শায়েখ আহমাদুল্লাহর

সংরক্ষিত নারী আসনের চূড়ান্ত চিত্রে পরিবর্তন আসতে পারে, ৪ আসনের ফল বাকি

আপডেট সময় ১০:৪৫:০৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নির্বাচন কমিশন (ইসি) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ২৯৬টি আসনের গেজেট প্রকাশ করেছে। প্রকাশিত গেজেট অনুযায়ী কমিশন জানিয়েছে সংরক্ষিত ৫০টি নারী আসনের মধ্যে জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোট ১৩টি এবং বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট ৩৫টি আসন পেতে পারে বলে কমিশন জানিয়েছে।

ঘোষিত ফলাফলে জামায়াতে ইসলামী পেয়েছে ৬৮টি আসন বিএনপি এককভাবে ২০৯টি আসন লাভ করেছে এবং এনসিপি পেয়েছে ৬টি। এছাড়া বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস দুটি আসনে জয়ী হয়েছে। গণঅধিকার পরিষদ, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, ও গণসংহতি আন্দোলন প্রত্যেকে একটি করে আসন পেয়েছে। সাতটি আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জয়ী  হয়েছেন। সংসদে সংরক্ষিত একটি নারী আসন পেতে ন্যূনতম ছয়জন নির্বাচিত সংসদ সদস্য থাকা বাধ্যতামূলক।

স্বতন্ত্র সদস্যরা চাইলে কোনো জোটে যুক্ত হয়ে সংরক্ষিত নারী আসনের দাবিদার হতে পারেন। তবে তারা জোটে যোগ দিলে আসন বণ্টনের হিসাব পরিবর্তিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।গেজেট অনুযায়ী জোটভিত্তিক হিসাবে বিএনপি জোটের আসন দাঁড়িয়েছে ২১১টি এবং জামায়াত জোটের ৭৪টি। স্বতন্ত্রদের সাতটি আসনের কারণে তারাও একটি সংরক্ষিত নারী আসন পাওয়ার সুযোগ পেতে পারেন।

অন্যদিকে চট্টগ্রাম-২, চট্টগ্রাম-৪ আসনের গেজেট হাইকোর্টের নির্দেশে স্থগিত রয়েছে। বগুড়া-৬ আসন শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে এবং শেরপুর-৩ আসনে একজন প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে ভোটগ্রহণ স্থগিত হয়েছে। এই চার আসনের ফলাফল প্রকাশের পর সংরক্ষিত নারী আসনের চূড়ান্ত সংখ্যা কিছুটা পরিবর্তন হতে পারে।নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, একটি সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য অন্তত ছয়টি নির্বাচিত আসন প্রয়োজন। তবে রাজনৈতিক দলগুলো চাইলে জোটগতভাবে নারী আসনের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবে এবং এতে কোনো আইনি বাধা নেই।

সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় সংসদে ৫০টি সংরক্ষিত নারী আসন রয়েছে এবং সাধারণ নির্বাচনের ফলাফলের গেজেট প্রকাশের ৯০ দিনের মধ্যে এসব আসনের নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে। ইসি ভোট আয়োজন করবে আগামী মে মাসের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে।নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে ভোট দেবেন। প্রতিটি দল বা জোট তাদের প্রাপ্ত আসনের অনুপাতে প্রার্থী মনোনয়ন দেবে। কোনো আসনে একাধিক প্রার্থী থাকলে ভোটগ্রহণ হবে, আর একক প্রার্থী হলে ভোট ছাড়াই তাকে নির্বাচিত ঘোষণা করা হবে।আইন অনুযায়ী শপথ নেওয়া সংসদ সদস্যদের তথ্য তিন কার্যদিবসের মধ্যে সংসদ সচিবালয় থেকে ইসিতে পাঠানো হয়।

গেজেট প্রকাশের দল বা জোটকে প্রার্থী তালিকা জমা দিতে হয় ২১ কার্যদিবসের মধ্যে। এরপর ইসি সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের জন্য দলভিত্তিক চূড়ান্ত তালিকা প্রস্তুত করে ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে।