ময়মনসিংহ , বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
আদ্-দ্বীন হাসপাতালের কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব গ্রহণযোগ্য নয় জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জরুরি সহায়তা হিসেবে ১০ হাজার কোটি টাকা ধার চায় ইসলামী ব্যাংক বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় বদ্ধপরিকর শান্তিরক্ষীরা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী ​শামীম ওসমানের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ: আদালতের কাঠগড়ায় ১২ জন সরকার ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্র নীতি পরিচালনা করছে বলে মন্তব্য করেছেন শামা ওবায়েদ সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে ১৭ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা আলোচিত নাসির-তামিমা মামলার রায় আজ, নজরে আদালত ​মার্কিন পঞ্চম নৌবহরে হামলার হুমকি দিলো ইরান, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা তুঙ্গে পূর্বধলায় বিদ্যুৎ বিলের বকেয়া আদায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: ২০৬ সংযোগ বিচ্ছিন্ন সরকারি চাকরিজীবীদের সুখবর: জুনেই নতুন পে-স্কেলের গেজেট, আসছে গ্রেড ও পেনশন সুবিধায় বড় পরিবর্তন
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

জুনে ‘বাংলা কিউআর’ চালুর আল্টিমেটাম, না করলে জরিমানা

  • ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:০৪:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫২ বার পড়া হয়েছে

দেশের সব ব্যাংক ও মোবাইল ব্যাংকিং (এমএফএস) প্রতিষ্ঠানকে তাদের নিজস্ব কিউআর কোড সরিয়ে ফেলতে হবে। আগামী ৩০ জুনের মধ্যে সব মার্চেন্ট পয়েন্টে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ‘বাংলা কিউআর’ চালু করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। 

এই নির্দেশ না মানলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা গুনতে হবে। পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডার (পিএসপি) ও অপারেটরদের (পিএসও) জন্যও এই একই নিয়ম কার্যকর হবে।

গত বুধবার (১ এপ্রিল) বাংলাদেশ ব্যাংক এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে।

এতে বলা হয়েছে, নতুন এই নিয়ম মানা সবার জন্য বাধ্যতামূলক।

দোষী প্রতিষ্ঠানকে সর্বোচ্চ ৩০ লাখ টাকা জরিমানা এবং দায়ীদের তিন বছরের জেল বা উভয় দণ্ড দেওয়া হতে পারে। প্রয়োজনে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের ম্যাজিস্ট্রেটদের মাধ্যমে দায়ীদের বিরুদ্ধে বিচারিক প্রক্রিয়া শুরু করা হতে পারে।

নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, প্রতিটি মার্চেন্ট পয়েন্টে (দোকান বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান) স্পষ্টভাবে ‘বাংলা কিউআর’ প্রদর্শন করতে হবে। ব্যাংক ও সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিরবচ্ছিন্ন লেনদেন নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় কারিগরি সমন্বয় ও ইন্টারঅপারেবিলিটি নিশ্চিত করতে হবে।

প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিয়মিত মার্চেন্ট পয়েন্ট তদারকি করতে হবে। যদি কোনো মার্চেন্ট পেমেন্টের বদলে ‘বাংলা কিউআর’ ব্যবহার করে ক্যাশ-আউট সুবিধা দেয়, তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের কিউআর সুবিধা বাতিল করতে হবে।

গ্রাহক ও বিক্রেতাদের মাঝে বাংলা কিউআর সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে প্রচারণার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, একটি নিরাপদ, সাশ্রয়ী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থা গড়ে তুলতেই ‘বাংলা কিউআর’ আনা হয়েছে।

এর ফলে গ্রাহকরা নির্দিষ্ট একটি অ্যাপের ওপর নির্ভর না থেকে যেকোনো ব্যাংক বা এমএফএস অ্যাপ ব্যবহার করে একটি মাত্র কিউআর কোডের মাধ্যমেই পেমেন্ট করতে পারবেন।

২০২৩ সালে এই ইন্টারঅপারেবল সিস্টেম চালু করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ২০২৭ সালের মধ্যে মোট লেনদেনের ৭৫ শতাংশ ক্যাশলেস বা নগদহীন করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। এরই অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে ট্রেড লাইসেন্স প্রাপ্তি বা নবায়নের ক্ষেত্রে কিউআর পেমেন্ট সুবিধা থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব গ্রহণযোগ্য নয় জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

জুনে ‘বাংলা কিউআর’ চালুর আল্টিমেটাম, না করলে জরিমানা

আপডেট সময় ০১:০৪:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬

দেশের সব ব্যাংক ও মোবাইল ব্যাংকিং (এমএফএস) প্রতিষ্ঠানকে তাদের নিজস্ব কিউআর কোড সরিয়ে ফেলতে হবে। আগামী ৩০ জুনের মধ্যে সব মার্চেন্ট পয়েন্টে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ‘বাংলা কিউআর’ চালু করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। 

এই নির্দেশ না মানলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা গুনতে হবে। পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডার (পিএসপি) ও অপারেটরদের (পিএসও) জন্যও এই একই নিয়ম কার্যকর হবে।

গত বুধবার (১ এপ্রিল) বাংলাদেশ ব্যাংক এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে।

এতে বলা হয়েছে, নতুন এই নিয়ম মানা সবার জন্য বাধ্যতামূলক।

দোষী প্রতিষ্ঠানকে সর্বোচ্চ ৩০ লাখ টাকা জরিমানা এবং দায়ীদের তিন বছরের জেল বা উভয় দণ্ড দেওয়া হতে পারে। প্রয়োজনে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের ম্যাজিস্ট্রেটদের মাধ্যমে দায়ীদের বিরুদ্ধে বিচারিক প্রক্রিয়া শুরু করা হতে পারে।

নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, প্রতিটি মার্চেন্ট পয়েন্টে (দোকান বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান) স্পষ্টভাবে ‘বাংলা কিউআর’ প্রদর্শন করতে হবে। ব্যাংক ও সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিরবচ্ছিন্ন লেনদেন নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় কারিগরি সমন্বয় ও ইন্টারঅপারেবিলিটি নিশ্চিত করতে হবে।

প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিয়মিত মার্চেন্ট পয়েন্ট তদারকি করতে হবে। যদি কোনো মার্চেন্ট পেমেন্টের বদলে ‘বাংলা কিউআর’ ব্যবহার করে ক্যাশ-আউট সুবিধা দেয়, তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের কিউআর সুবিধা বাতিল করতে হবে।

গ্রাহক ও বিক্রেতাদের মাঝে বাংলা কিউআর সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে প্রচারণার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, একটি নিরাপদ, সাশ্রয়ী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থা গড়ে তুলতেই ‘বাংলা কিউআর’ আনা হয়েছে।

এর ফলে গ্রাহকরা নির্দিষ্ট একটি অ্যাপের ওপর নির্ভর না থেকে যেকোনো ব্যাংক বা এমএফএস অ্যাপ ব্যবহার করে একটি মাত্র কিউআর কোডের মাধ্যমেই পেমেন্ট করতে পারবেন।

২০২৩ সালে এই ইন্টারঅপারেবল সিস্টেম চালু করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ২০২৭ সালের মধ্যে মোট লেনদেনের ৭৫ শতাংশ ক্যাশলেস বা নগদহীন করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। এরই অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে ট্রেড লাইসেন্স প্রাপ্তি বা নবায়নের ক্ষেত্রে কিউআর পেমেন্ট সুবিধা থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।