ময়মনসিংহ , মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
নেত্রকোনার কলমাকান্দা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে দলীয় ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে পাবনা জেলার ফরিদপুর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও সাব-রেজিস্ট্রার দুটি গুরুত্বপূর্ণ পদ শূন্য থাকায় ভূমি সেবা ব্যাহত শিক্ষামন্ত্রীর ঝটিকা অভিযান: না জানিয়েই কেন্দ্র পরিদর্শনে যাওয়ার ঘোষণা জ্বালানি দামের সঙ্গে সমন্বয় করে পরিবহন ভাড়া নির্ধারণ হবে জানিয়েছেন ডা. জাহেদ আদালতে হাজির না হওয়ায় মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে পরোয়ানা তৌকীর আমার জীবনের ‘প্রথম ভিলেন’ জানিয়েছেন আবুল হায়াত ​বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিতে পর্তুগালের প্রতি আহ্বান প্রশাসনহীন নালিতাবাড়ী: থেমে ছে উন্নয়ন : বেড়েছে ভোগান্তি ” ট্রাম্পের আক্রমণাত্মক বক্তব্যে পাকিস্তানের তীব্র প্রতিবাদ ও সতর্কতা পূর্বধলায় মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের বিরুদ্ধে দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগ, কারণ দর্শানোর নোটিশ
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

নেত্রকোনার কলমাকান্দা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে দলীয় ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে

নেত্রকোণার কলমাকান্দার বড়খাপন ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও স্থানীয় ওয়ার্ডের ইউপি মেম্বার শাহীনূর আলম শাহীনের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ এলাকাবাসীর।

স্থানীয়রা জানান – ২০২৪ সালের ৫ আগস্টে দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তন পরপরই শাহীনূর আলম শাহীন দলীয় পদের ক্ষমতার অপব্যবহার করে আসছেন। টিসিবি ডিলার, রেশন কার্ডের ডিলার, সারের ডিলার, ন্যায্য মূল্যে ৩০কেজি চাউলের (ওএমএস) ডিলার শাহীনূর আলম শাহীনের নিয়ন্ত্রণে এমন অভিযোগ এলাকাবাসীর।

স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা জানান – সম্প্রতি সরকারি ন্যায্য মূল্যের চাউল ডিলারের নিদিষ্ট ঘর থেকে কার্ডধারীদেরকে দেওয়ার কথা থাকলেও শাহীনূর আলম বড়খাপন ফেরিঘাটে (গুদারাঘাটে) চাউল বিতরণ করলে এলাকার সচেতন মহল তা হস্তক্ষেপ করেন।

এনিয়ে ভিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়। স্থানীয়রা আরও জানান-বিএনপি নেতা শাহীনূর আলম শাহীনের বিরুদ্ধে এইরকম একাধিক অভিযোগ রয়েছে।

বড়খাপন গ্রামের স্থানীয় বাসিন্দা রোকন খন্দকার বলেন-ডেপুটি স্পীকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল (এমপির) কাছে জোর দাবী জানাই আমাদের বড়খাপন ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাহীনূর আলম শাহীনের অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহার সুবিবেচনা করবেন।

যদি শাহীনূর আলম শাহীন দোষী সাব্যস্ত হয়, তাহলে তার বিরুদ্ধে দলীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন আশাবাদী। এছাড়াও কলমাকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মহোদয়ের কাছে দাবী মেম্বার শাহীনূর আলম শাহীন কর্তৃক বড়খাপন ইউনিয়ন পরিষদের যে সমস্ত কার্যক্রম করা হয়েছে, তা সুষ্ঠু-নিরপেক্ষ তদন্ত করার।

তিনি আরও জানান-মেম্বার শাহীনূর আলম শাহীনের সহোদর ভাই মোঃ লিটন মিয়া সরকারি ন্যায্য মূল্যের চাউল ডিলার। তবে এব্যাপারে জানতে চাইলে ডিলার মোঃ লিটন মিয়ার সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও পাওয়া যায়নি।অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে শাহীনূর আলম শাহীন জানান – স্থানীয় একটি চক্র আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। আমার পদটি নেওয়ার জন্য একটা গ্রুপ উঠেপড়ে লেগেছে। আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা বানোয়াট। কলমাকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও এসএম মিকাঈল ইসলাম জানান-এবিষয়ে দ্রুত খতিয়ে দেখবো।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নেত্রকোনার কলমাকান্দা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে দলীয় ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে

নেত্রকোনার কলমাকান্দা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে দলীয় ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে

আপডেট সময় ০৩:৩১:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

নেত্রকোণার কলমাকান্দার বড়খাপন ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও স্থানীয় ওয়ার্ডের ইউপি মেম্বার শাহীনূর আলম শাহীনের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ এলাকাবাসীর।

স্থানীয়রা জানান – ২০২৪ সালের ৫ আগস্টে দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তন পরপরই শাহীনূর আলম শাহীন দলীয় পদের ক্ষমতার অপব্যবহার করে আসছেন। টিসিবি ডিলার, রেশন কার্ডের ডিলার, সারের ডিলার, ন্যায্য মূল্যে ৩০কেজি চাউলের (ওএমএস) ডিলার শাহীনূর আলম শাহীনের নিয়ন্ত্রণে এমন অভিযোগ এলাকাবাসীর।

স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা জানান – সম্প্রতি সরকারি ন্যায্য মূল্যের চাউল ডিলারের নিদিষ্ট ঘর থেকে কার্ডধারীদেরকে দেওয়ার কথা থাকলেও শাহীনূর আলম বড়খাপন ফেরিঘাটে (গুদারাঘাটে) চাউল বিতরণ করলে এলাকার সচেতন মহল তা হস্তক্ষেপ করেন।

এনিয়ে ভিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়। স্থানীয়রা আরও জানান-বিএনপি নেতা শাহীনূর আলম শাহীনের বিরুদ্ধে এইরকম একাধিক অভিযোগ রয়েছে।

বড়খাপন গ্রামের স্থানীয় বাসিন্দা রোকন খন্দকার বলেন-ডেপুটি স্পীকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল (এমপির) কাছে জোর দাবী জানাই আমাদের বড়খাপন ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাহীনূর আলম শাহীনের অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহার সুবিবেচনা করবেন।

যদি শাহীনূর আলম শাহীন দোষী সাব্যস্ত হয়, তাহলে তার বিরুদ্ধে দলীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন আশাবাদী। এছাড়াও কলমাকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মহোদয়ের কাছে দাবী মেম্বার শাহীনূর আলম শাহীন কর্তৃক বড়খাপন ইউনিয়ন পরিষদের যে সমস্ত কার্যক্রম করা হয়েছে, তা সুষ্ঠু-নিরপেক্ষ তদন্ত করার।

তিনি আরও জানান-মেম্বার শাহীনূর আলম শাহীনের সহোদর ভাই মোঃ লিটন মিয়া সরকারি ন্যায্য মূল্যের চাউল ডিলার। তবে এব্যাপারে জানতে চাইলে ডিলার মোঃ লিটন মিয়ার সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও পাওয়া যায়নি।অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে শাহীনূর আলম শাহীন জানান – স্থানীয় একটি চক্র আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। আমার পদটি নেওয়ার জন্য একটা গ্রুপ উঠেপড়ে লেগেছে। আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা বানোয়াট। কলমাকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও এসএম মিকাঈল ইসলাম জানান-এবিষয়ে দ্রুত খতিয়ে দেখবো।