ময়মনসিংহ , বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
হাইকোর্টে খারিজ অন্তর্বর্তী সরকারের কর্মকাণ্ড নিয়ে করা রিট রামিসার বাবা অমূলক কিছু বলেননি বলে মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী ময়মনসিংহের গৌরীপুর মহিলা কলেজে বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন  ৪৪তম বিসিএস। সেই তালিকা থেকেই ১০১ জন নন-ক্যাডার প্রার্থীর মনোনয়ন চূড়ান্ত হওয়ার পরেও বাতিল! গাঙ্গিনাপাড়ের ঐতিহাসিক ওয়াটার টাওয়ারের নিচে টয়লেট নির্মাণের পরিকল্পনা, উদ্বেগ প্রকাশ সচেতন নাগরিকদের ! চুয়াডাঙ্গায় কামারপল্লীতে দম ফেলার ফুসরত নেই: তৈরিতে ব্যস্ততা, লাভের খাতায় হতাশা আসন্ন আগিয়া ইউপি নির্বাচন: ‘স্মার্ট ইউনিয়ন’ গড়ার অঙ্গীকার নিয়ে মাঠে উদ্যোক্তা সমর চন্দ্র সরকার ​টানা তিন দফা কমার পর দেশে বাড়ল স্বর্ণের দাম, নতুন ভরি কত ? প্রকাশিত হলো জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় মেধাতালিকা: জেনে নিন দেখার নিয়ম শুভেন্দুর নতুন নির্দেশ: রাজ্যের মাদরাসাগুলোতে বাধ্যতামূলক ‘বন্দে মাতরম’ গান
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

গাঙ্গিনাপাড়ের ঐতিহাসিক ওয়াটার টাওয়ারের নিচে টয়লেট নির্মাণের পরিকল্পনা, উদ্বেগ প্রকাশ সচেতন নাগরিকদের !

ময়মনসিংহের গাঙ্গিনাপাড়ের ঐতিহাসিক ওয়াটার টাওয়ারের নিচে পাবলিক টয়লেট নির্মাণের পরিকল্পনাকে ঘিরে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সচেতন নাগরিকরা। ময়মনসিংহ শহরের প্রাণকেন্দ্র শাপলা চত্বরে অবস্থিত প্রায় দেড়শ বছরের পুরোনো এই ওভারহেড পানির ট্যাংকটি শহরের ঐতিহ্য ও ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক হিসেবে পরিচিত।

জানা যায়, ব্রিটিশ আমলে ১৮৯৩ সালে তৎকালীন ময়মনসিংহ পৌরসভার নাগরিকদের বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের উদ্দেশ্যে নির্মাণ করা হয় এই ওয়াটার টাওয়ার। দীর্ঘ সময় ধরে এটি শুধু একটি স্থাপনা নয়, বরং শহরের ঐতিহাসিক পরিচয়ের অংশ হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।
সম্প্রতি ঐতিহাসিক এই স্থাপনাটির নিচে পাবলিক টয়লেট নির্মাণের পরিকল্পনার খবর ছড়িয়ে পড়লে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

সচেতন নাগরিকদের দাবি, পাবলিক টয়লেট একটি গুরুত্বপূর্ণ নাগরিক সুবিধা হলেও এমন একটি ঐতিহ্যবাহী ও নান্দনিক স্থানের নিচে এটি নির্মাণ করা হলে শহরের সৌন্দর্য ও ঐতিহাসিক মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হতে পারে।

তাদের মতে, বিকল্প জায়গা থাকা সত্ত্বেও শাপলা চত্বরের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থানের নিচে এমন স্থাপনা নির্মাণ করলে ওয়াটার টাওয়ারের নান্দনিকতা নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি শহরের ঐতিহাসিক পরিচয়ও আড়াল হয়ে যেতে পারে। একই সঙ্গে পরিবেশগত ভারসাম্য ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য ঐতিহ্য সংরক্ষণের বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন তারা।

সচেতন নাগরিকরা ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, উন্নয়নের পাশাপাশি ঐতিহ্য সংরক্ষণেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে। তাই ঐতিহাসিক ওয়াটার টাওয়ার ও শাপলা চত্বরের সৌন্দর্য রক্ষার্থে এখানে পাবলিক টয়লেট নির্মাণের পরিকল্পনা পুনর্বিবেচনা করে বিকল্প স্থানে স্থানান্তরের দাবি জানিয়েছেন তারা।

তাদের ভাষায়, “একটি শহরের আত্মা তার ইতিহাস ও স্মৃতির মধ্যেই বেঁচে থাকে। তাই ময়মনসিংহের ঐতিহ্য রক্ষায় সবাইকে সচেতন হতে হবে।”

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হাইকোর্টে খারিজ অন্তর্বর্তী সরকারের কর্মকাণ্ড নিয়ে করা রিট

গাঙ্গিনাপাড়ের ঐতিহাসিক ওয়াটার টাওয়ারের নিচে টয়লেট নির্মাণের পরিকল্পনা, উদ্বেগ প্রকাশ সচেতন নাগরিকদের !

আপডেট সময় ১২:৩৮:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬

ময়মনসিংহের গাঙ্গিনাপাড়ের ঐতিহাসিক ওয়াটার টাওয়ারের নিচে পাবলিক টয়লেট নির্মাণের পরিকল্পনাকে ঘিরে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সচেতন নাগরিকরা। ময়মনসিংহ শহরের প্রাণকেন্দ্র শাপলা চত্বরে অবস্থিত প্রায় দেড়শ বছরের পুরোনো এই ওভারহেড পানির ট্যাংকটি শহরের ঐতিহ্য ও ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক হিসেবে পরিচিত।

জানা যায়, ব্রিটিশ আমলে ১৮৯৩ সালে তৎকালীন ময়মনসিংহ পৌরসভার নাগরিকদের বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের উদ্দেশ্যে নির্মাণ করা হয় এই ওয়াটার টাওয়ার। দীর্ঘ সময় ধরে এটি শুধু একটি স্থাপনা নয়, বরং শহরের ঐতিহাসিক পরিচয়ের অংশ হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।
সম্প্রতি ঐতিহাসিক এই স্থাপনাটির নিচে পাবলিক টয়লেট নির্মাণের পরিকল্পনার খবর ছড়িয়ে পড়লে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

সচেতন নাগরিকদের দাবি, পাবলিক টয়লেট একটি গুরুত্বপূর্ণ নাগরিক সুবিধা হলেও এমন একটি ঐতিহ্যবাহী ও নান্দনিক স্থানের নিচে এটি নির্মাণ করা হলে শহরের সৌন্দর্য ও ঐতিহাসিক মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হতে পারে।

তাদের মতে, বিকল্প জায়গা থাকা সত্ত্বেও শাপলা চত্বরের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থানের নিচে এমন স্থাপনা নির্মাণ করলে ওয়াটার টাওয়ারের নান্দনিকতা নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি শহরের ঐতিহাসিক পরিচয়ও আড়াল হয়ে যেতে পারে। একই সঙ্গে পরিবেশগত ভারসাম্য ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য ঐতিহ্য সংরক্ষণের বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন তারা।

সচেতন নাগরিকরা ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, উন্নয়নের পাশাপাশি ঐতিহ্য সংরক্ষণেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে। তাই ঐতিহাসিক ওয়াটার টাওয়ার ও শাপলা চত্বরের সৌন্দর্য রক্ষার্থে এখানে পাবলিক টয়লেট নির্মাণের পরিকল্পনা পুনর্বিবেচনা করে বিকল্প স্থানে স্থানান্তরের দাবি জানিয়েছেন তারা।

তাদের ভাষায়, “একটি শহরের আত্মা তার ইতিহাস ও স্মৃতির মধ্যেই বেঁচে থাকে। তাই ময়মনসিংহের ঐতিহ্য রক্ষায় সবাইকে সচেতন হতে হবে।”