ময়মনসিংহ , শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সংসদকে পাশ কাটিয়ে নয়, সমতার ভিত্তিতে হোক সব চুক্তি বলেছেন ডা. শফিকুর রহমান ময়মনসিংহের গৌরীপুরের গুজিখা দেওয়ানবাগী নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নতুন একাডেমিক ভবনের বেইজমেন্ট এর খনন কাজের শুভ উদ্বোধন ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত পূর্বধলায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর’র উদ্যোগে পার্টনার কংগ্রেস ২০২৬ অনুষ্ঠিত নিজ দেশের স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখে সবার সঙ্গে কাজ করবে বাংলাদেশ জানিয়েছেন তথ্য উপদেষ্টা হাফ পাসে মেট্রোরেল ভ্রমণ: ভাড়ার অর্ধেক সাশ্রয়ের নতুন নীতিমালা বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন মানুষদের অন্যদের মতোই সমঅধিকার দেবে সরকার জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ​যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে ভিসাধারীদের জন্য নতুন সতর্কবার্তা মার্কিন দূতাবাসের নতুন পে-স্কেল ২০২৬: সরকারি চাকরিজীবীদের মূল বেতন ও ভাতায় আসছে বড় পরিবর্তন ​প্রাথমিকের ১৪ হাজার শিক্ষকের যোগদান নিয়ে সুখবর: রোববার মন্ত্রণালয়ের গুরুত্বপূর্ণ সভা ৬৮ হাজার ২৯৭ হাজি হজ শেষে দেশে ফিরেছেন
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

মায়ের মৃতদেহের পচন, জানতেই পারলেন না সচিব ও শিক্ষক ছেলেরা!

  • ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৩৭:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬
  • ৫১ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর মিরপুর-১১ এলাকায় একটি বাসা থেকে নুরজাহান বেগম (৭৫) নামে এক বৃদ্ধার পচাগলা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মৃত্যুর অন্তত সাত থেকে আট দিন পর তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

গত রোববার (১ জুন) রাতে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে মিরপুরের ৬ নম্বর সেকশনের সি ব্লকের একটি ফ্ল্যাটে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে পল্লবী থানা পুলিশ। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়।

পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাসান বাসির জানান, নুরজাহান বেগম তার মেয়ের বাসায় থাকতেন। তবে তিনি একটি আলাদা কক্ষে অবস্থান করতেন। কয়েকদিন ধরে কোনো সাড়া না পেয়ে মেয়ে একজন নার্সকে ডেকে আনেন। ওই নার্স কক্ষে গিয়ে তাকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়।

পুলিশ জানায়, দীর্ঘদিন পড়ে থাকায় মরদেহে পচন ধরেছিল এবং কক্ষটিতে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছিল। যে ঘরে বৃদ্ধা থাকতেন, সেটি অত্যন্ত অপরিচ্ছন্ন, অগোছালো ও আবর্জনায় ভরা ছিল। ঘটনাস্থলের অবস্থা দেখে দীর্ঘদিন ধরে তিনি অবহেলা ও পরিচর্যার অভাবে ছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

পুলিশের অনুসন্ধানে জানা গেছে, নুরজাহান বেগমের তিন ছেলে সমাজে প্রতিষ্ঠিত। তাদের একজন সরকারের একজন যুগ্ম সচিব, একজন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষক এবং অন্যজন কানাডাপ্রবাসী। এছাড়া তার মেয়ের স্বামীও একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন।

পুলিশ জানিয়েছে, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সংসদকে পাশ কাটিয়ে নয়, সমতার ভিত্তিতে হোক সব চুক্তি বলেছেন ডা. শফিকুর রহমান

মায়ের মৃতদেহের পচন, জানতেই পারলেন না সচিব ও শিক্ষক ছেলেরা!

আপডেট সময় ১১:৩৭:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬

রাজধানীর মিরপুর-১১ এলাকায় একটি বাসা থেকে নুরজাহান বেগম (৭৫) নামে এক বৃদ্ধার পচাগলা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মৃত্যুর অন্তত সাত থেকে আট দিন পর তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

গত রোববার (১ জুন) রাতে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে মিরপুরের ৬ নম্বর সেকশনের সি ব্লকের একটি ফ্ল্যাটে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে পল্লবী থানা পুলিশ। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়।

পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাসান বাসির জানান, নুরজাহান বেগম তার মেয়ের বাসায় থাকতেন। তবে তিনি একটি আলাদা কক্ষে অবস্থান করতেন। কয়েকদিন ধরে কোনো সাড়া না পেয়ে মেয়ে একজন নার্সকে ডেকে আনেন। ওই নার্স কক্ষে গিয়ে তাকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়।

পুলিশ জানায়, দীর্ঘদিন পড়ে থাকায় মরদেহে পচন ধরেছিল এবং কক্ষটিতে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছিল। যে ঘরে বৃদ্ধা থাকতেন, সেটি অত্যন্ত অপরিচ্ছন্ন, অগোছালো ও আবর্জনায় ভরা ছিল। ঘটনাস্থলের অবস্থা দেখে দীর্ঘদিন ধরে তিনি অবহেলা ও পরিচর্যার অভাবে ছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

পুলিশের অনুসন্ধানে জানা গেছে, নুরজাহান বেগমের তিন ছেলে সমাজে প্রতিষ্ঠিত। তাদের একজন সরকারের একজন যুগ্ম সচিব, একজন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষক এবং অন্যজন কানাডাপ্রবাসী। এছাড়া তার মেয়ের স্বামীও একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন।

পুলিশ জানিয়েছে, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।