গণভোটের রায় প্রতিষ্ঠিত হলে ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ রাষ্ট্রতপতি হতেন বলে মনে করছে জামায়াতে ইসলামী।
আজ বৃহস্পতিবার ( ১২ আগস্ট) তার পক্ষে নির্বাচন কমিশনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে এ মন্তব্য করেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ।
জামায়াতের এই নেতা বলেন, সংসদ সদস্যদের স্বাধীনভাবে মতামত দিতে পারার কথা ছিল। গণভোটের রায় প্রতিষ্ঠিত হলে কর্নেল অলি বিপুল ভোটে বিজয়ী হতেন সাংসদদের ভোটে। গণভোটের রায় কার্যকর করলে বিএনপি বিতর্কমুক্ত থাকতে পারতো।
সচিবালয়ে রাজনৈতিক দলের শীর্ষ বৈঠক কাম্য নয় বলে এ সময় মন্তব্য করেন হামিদুর রহমান আযাদ।
তিনি বলেন, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়েছে। সব তথ্য উপাত্ত সুনিপুনভাবে জমা দেওয়া হয়েছে। এ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ব্যতিক্রম। বরাবর সংখ্যাগরিষ্ঠ দলকেই প্রার্থী দিতে দেখা গেছে। এবার ১১ দল প্রতিদ্বন্দ্বিতার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, বাংলাদেশের গণতন্ত্র চর্চার নতুন ধারা তৈরি করতে ১১ দল প্রার্থী দিয়েছে। হার–জিত ১১ দলের কাছে মুখ্য নয়, প্রতিদ্বন্দ্বিতাই মূল। বিএনপি কলা কৌশল করে সংসদে নিজেদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করেছে।

ডিজিটাল রিপোর্ট 
























