ময়মনসিংহ , সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
শিবগঞ্জে এসআরবির অভিযানে কফ রিলিফ, ফায়ারডিল ও বিদেশি মদ উদ্ধার ডুমুরিয়ায় জলাবদ্ধতা দূর ও উৎপাদন বৃদ্ধিতে ইজিপিপি কমিটির সভা: “কাজের মান ও স্বচ্ছতায় কোনো ছাড় দেওয়া হবে না” পূর্বধলায় জাতীয় যুব দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আলোচনা সভা, র‍্যালি, সনদপত্র ও গাছের চারা বিতরণ শেরপুরে জাতীয় যুব দিবস-২০২৬ উদযাপন: র‍্যালি, আলোচনা সভা, যুব ঋণ ও সনদপত্র বিতরণ পূর্বধলায় জাতীয় যুব দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আলোচনা সভা, র‍্যালি, সনদপত্র ও গাছের চারা বিতরণ পূর্বধলায় মাদকবিরোধী অভিযানে আটক এক, মোবাইল কোর্টে ১০ দিনের কারাদণ্ড পোশাকশিল্প ধ্বংসের পাঁয়তারার অভিযোগ জামায়াত আমিরের, কঠোর পদক্ষেপের আহ্বান সরকারকে পোশাকখাতে অস্থিরতার পেছনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত মালিক-শ্রমিকরা দায়ী বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জাতীয় যুব দিবস উপলক্ষে শিবপুরে আলোচনা সভা ও র‍্যালি গার্মেন্টস মালিকদের সঙ্গে সচিবালয়ে বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

এইচএসসিতে ময়মনসিংহ বোর্ডে পাসের হার ৫১.৪৪ শতাংশ, মেয়েদের সাফল্য বেশি

ময়মনসিংহ মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে এবারের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় পাসের হার দাঁড়িয়েছে শতকরা ৫১ দশমিক ৪৪ শতাংশ। প্রকাশিত ফলাফলে পাসের হার এবং সর্বোচ্চ ফল জিপিএ-৫—উভয় সূচকেই ছাত্রদের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে ছাত্রীরা।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকাল ১১টার দিকে শিক্ষা বোর্ড কার্যালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করেন বোর্ডের সচিব প্রফেসর মো. এনামুল হক। ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. শাহাদত উল্লাহ, উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. আ খ ম কামাল হোসেন এবং কলেজ পরিদর্শক এস এম আরিফুর রহমানসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এ বছর ময়মনসিংহ বোর্ডের আওতাধীন ১১৩টি কেন্দ্রে ৩১৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে মোট ৭০ হাজার ৬৭৩ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৩৬ হাজার ৩৫৪ জন। কৃতকার্যদের মধ্যে ছাত্রীর সংখ্যা ২০ হাজার ৭০৭ এবং ছাত্রের সংখ্যা ১৫ হাজার ৬৪৭ জন।

মেধার শীর্ষস্থান অর্থাৎ জিপিএ-৫ পেয়েছে মোট ২ হাজার ১৩৭ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যেও এগিয়ে মেয়েরা; জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্রীর সংখ্যা এক হাজার ১১৯ এবং ছাত্রের সংখ্যা এক হাজার ১৮ জন।

প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফলাফলে বোর্ডের মাত্র ৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছে। অন্যদিকে কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি এমন শতভাগ অকৃতকার্য প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ১৯টি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানায়, ফেল করা শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশই গণিত ও ইংরেজি বিষয়ে কাঙ্ক্ষিত নম্বর পেতে ব্যর্থ হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শিবগঞ্জে এসআরবির অভিযানে কফ রিলিফ, ফায়ারডিল ও বিদেশি মদ উদ্ধার

এইচএসসিতে ময়মনসিংহ বোর্ডে পাসের হার ৫১.৪৪ শতাংশ, মেয়েদের সাফল্য বেশি

আপডেট সময় ০২:২৩:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

ময়মনসিংহ মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে এবারের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় পাসের হার দাঁড়িয়েছে শতকরা ৫১ দশমিক ৪৪ শতাংশ। প্রকাশিত ফলাফলে পাসের হার এবং সর্বোচ্চ ফল জিপিএ-৫—উভয় সূচকেই ছাত্রদের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে ছাত্রীরা।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকাল ১১টার দিকে শিক্ষা বোর্ড কার্যালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করেন বোর্ডের সচিব প্রফেসর মো. এনামুল হক। ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. শাহাদত উল্লাহ, উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. আ খ ম কামাল হোসেন এবং কলেজ পরিদর্শক এস এম আরিফুর রহমানসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এ বছর ময়মনসিংহ বোর্ডের আওতাধীন ১১৩টি কেন্দ্রে ৩১৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে মোট ৭০ হাজার ৬৭৩ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৩৬ হাজার ৩৫৪ জন। কৃতকার্যদের মধ্যে ছাত্রীর সংখ্যা ২০ হাজার ৭০৭ এবং ছাত্রের সংখ্যা ১৫ হাজার ৬৪৭ জন।

মেধার শীর্ষস্থান অর্থাৎ জিপিএ-৫ পেয়েছে মোট ২ হাজার ১৩৭ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যেও এগিয়ে মেয়েরা; জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্রীর সংখ্যা এক হাজার ১১৯ এবং ছাত্রের সংখ্যা এক হাজার ১৮ জন।

প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফলাফলে বোর্ডের মাত্র ৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছে। অন্যদিকে কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি এমন শতভাগ অকৃতকার্য প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ১৯টি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানায়, ফেল করা শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশই গণিত ও ইংরেজি বিষয়ে কাঙ্ক্ষিত নম্বর পেতে ব্যর্থ হয়েছে।