ময়মনসিংহ , শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ময়মনসিংহে জেলা প্রশাসক বিতর্ক প্রতিযোগিতার কোয়ার্টার ফাইনাল অনুষ্ঠিত, সেমিফাইনালে চার দল পূর্বধলায় নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের উদ্বোধন, ফুটবলে ধলামূলগাঁও ইউনিয়নের জয় ময়মনসিংহে নাঈম স্যারের ‘সৃজনশীল বিজ্ঞান’ অঙ্গনের ব্যতিক্রমী অভিভাবক মতবিনিময় অনুষ্ঠিত ময়মনসিংহে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রম ত্বরান্বিত করতে বিভাগীয় সেমিনার অনুষ্ঠিত ড. রেজাউল করিম ফোক এন্ড হেরিটেজ মিউজিয়াম: লোকজ ঐতিহ্য নালিতাবাড়ীতে স্কুল শিক্ষকের মরদেহ উদ্ধার বিশেষ অভিযানে কানাইঘাট পুলিশের সাফল্য: মানবপাচার ও হত্যাচেষ্টা মামলার ৩ আসামি গ্রেপ্তার বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর জানাজা ও দাফনে বাধার প্রতিবাদে সুনামগঞ্জে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মোংলায় এক দিনের সরকারি সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এইচএসসিতে এক-দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা ২ ডিসেম্বর শুরু জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

ময়মনসিংহে নাঈম স্যারের ‘সৃজনশীল বিজ্ঞান’ অঙ্গনের ব্যতিক্রমী অভিভাবক মতবিনিময় অনুষ্ঠিত

শিক্ষার প্রকৃত উদ্দেশ্য শুধু পরীক্ষায় ভালো ফলাফল অর্জন নয়; বরং শিক্ষার্থীদের মেধা, মনন, সৃজনশীলতা ও মানবিক মূল্যবোধের বিকাশ ঘটানো। আর এই শিক্ষাযাত্রায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা, সহযোগিতা এবং জবাবদিহিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেই ভাবনাকে সামনে রেখে শিক্ষানগরী খ্যাত ময়মনসিংহে ব্যতিক্রমধর্মী আয়োজনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে নাঈম স্যারের ‘সৃজনশীল বিজ্ঞান’ অঙ্গনের অভিভাবক মতবিনিময় ও জবাবদিহিতা অনুষ্ঠান।

গত ৬ নভেম্বর ২০২৬, শুক্রবার, ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের শহীদ আব্দুল জব্বার অডিটোরিয়ামে বর্ণাঢ্য পরিবেশে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা এম. ওয়ালিউর রহমান নাঈম সভাপতিত্ব করেন।

অনুষ্ঠানটি ছিল গতানুগতিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকেন্দ্রিক সভা থেকে কিছুটা ভিন্ন। এখানে অভিভাবকদের শুধু দর্শক কিংবা শ্রোতা হিসেবে নয়, বরং শিক্ষার মানোন্নয়ন ও শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ গঠনের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে সম্পৃক্ত করা হয়। কৃতি শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের প্রধান অতিথির মর্যাদায় বিবেচনা এবং কৃতি শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি পুরো আয়োজনকে প্রাণবন্ত করে তোলে।

পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়। পরে এসএসসি-২০২৬ পরীক্ষায় কৃতিত্ব অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও সম্মাননা প্রদান করা হয়। তাদের সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের অর্জন, অধ্যবসায়, নিয়মিত পড়াশোনা এবং ভবিষ্যৎ শিক্ষাজীবনের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়।

অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল অভিভাবকদের সরাসরি প্রশ্ন করার সুযোগ। প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা শিক্ষা কার্যক্রম, পাঠদানের পদ্ধতি, শিক্ষার্থীদের অগ্রগতি, পরীক্ষার প্রস্তুতি, মূল্যায়ন ব্যবস্থা এবং শিক্ষার পরিবেশ নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন ও মতামত তুলে ধরেন। এসব প্রশ্নের বিপরীতে প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে উত্তর ও প্রয়োজনীয় ব্যাখ্যা উপস্থাপন করা হয়।

আয়োজকদের এ উদ্যোগের বিশেষত্ব ছিল শুধু প্রতিষ্ঠানের সাফল্য তুলে ধরা নয়, বরং অভিভাবকদের বক্তব্য শোনা, তাঁদের প্রত্যাশা উপলব্ধি করা এবং প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম সম্পর্কে সরাসরি জবাব দেওয়ার একটি পরিবেশ তৈরি করা। শিক্ষা কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে এ ধরনের আয়োজন ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

অনুষ্ঠানে অভিভাবকদের অংশগ্রহণ বাড়াতে আয়োজন করা হয় বিশেষ কুইজ প্রতিযোগিতা। এতে অভিভাবকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ পুরো অনুষ্ঠানকে আরও আনন্দমুখর করে তোলে। শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি অভিভাবকদের জন্যও এমন ব্যতিক্রমী আয়োজন উপস্থিত সবার মধ্যে বাড়তি উৎসাহ ও উদ্দীপনা সৃষ্টি করে।

সভাপতির বক্তব্যে প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা এম. ওয়ালিউর রহমান নাঈমের নেতৃত্বে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের পারস্পরিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার প্রত্যয় প্রতিফলিত হয়। একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে অভিভাবকদের মতামত, পরামর্শ ও সহযোগিতার গুরুত্ব বিশেষভাবে উঠে আসে।

অনুষ্ঠানের শেষপর্বে কৃতিত্ব অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের হাতে ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়। কুইজ প্রতিযোগিতায় বিজয়ী অভিভাবকদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। পরে উপস্থিত অতিথি, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের আপ্যায়নের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

শিক্ষাবিদদের মতে, শিক্ষার্থীর সাফল্য কখনো একক প্রচেষ্টার ফল নয়। এর পেছনে থাকে শিক্ষককের নিবিড় পরিচর্যা, অভিভাবকের দায়িত্বশীল ভূমিকা এবং শিক্ষার্থীর নিরলস পরিশ্রম। তাই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমে অভিভাবকদের অংশগ্রহণ ও মতামত গ্রহণের এমন উদ্যোগ শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নে সহায়ক হতে পারে।
কবির ভাষায়

“আলো জ্বালায় যে শিক্ষক, স্বপ্ন বোনে যে প্রাণ,
অভিভাবকের ভালোবাসায় গড়ে শিক্ষার্থীর সম্মান।
প্রশ্নের মাঝে জাগুক আস্থা, উত্তরে আসুক দায়,
সম্মিলিত প্রচেষ্টাতেই আগামীর পথ খুঁজে পায়।”

নাঈম স্যারের ‘সৃজনশীল বিজ্ঞান’ অঙ্গনের এ আয়োজন শিক্ষার্থীদের সাফল্য উদ্‌যাপনের পাশাপাশি অভিভাবকদের মতামত, প্রশ্ন ও প্রত্যাশাকে গুরুত্ব দেওয়ার একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। শিক্ষার পরিবেশকে আরও কার্যকর, অংশগ্রহণমূলক ও জবাবদিহিমূলক করে তুলতে এ ধরনের উদ্যোগের ধারাবাহিকতা প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্ট অভিভাবক ও শিক্ষানুরাগীরা।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ময়মনসিংহে জেলা প্রশাসক বিতর্ক প্রতিযোগিতার কোয়ার্টার ফাইনাল অনুষ্ঠিত, সেমিফাইনালে চার দল

ময়মনসিংহে নাঈম স্যারের ‘সৃজনশীল বিজ্ঞান’ অঙ্গনের ব্যতিক্রমী অভিভাবক মতবিনিময় অনুষ্ঠিত

আপডেট সময় ১০:৪৮:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬

শিক্ষার প্রকৃত উদ্দেশ্য শুধু পরীক্ষায় ভালো ফলাফল অর্জন নয়; বরং শিক্ষার্থীদের মেধা, মনন, সৃজনশীলতা ও মানবিক মূল্যবোধের বিকাশ ঘটানো। আর এই শিক্ষাযাত্রায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা, সহযোগিতা এবং জবাবদিহিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেই ভাবনাকে সামনে রেখে শিক্ষানগরী খ্যাত ময়মনসিংহে ব্যতিক্রমধর্মী আয়োজনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে নাঈম স্যারের ‘সৃজনশীল বিজ্ঞান’ অঙ্গনের অভিভাবক মতবিনিময় ও জবাবদিহিতা অনুষ্ঠান।

গত ৬ নভেম্বর ২০২৬, শুক্রবার, ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের শহীদ আব্দুল জব্বার অডিটোরিয়ামে বর্ণাঢ্য পরিবেশে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা এম. ওয়ালিউর রহমান নাঈম সভাপতিত্ব করেন।

অনুষ্ঠানটি ছিল গতানুগতিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকেন্দ্রিক সভা থেকে কিছুটা ভিন্ন। এখানে অভিভাবকদের শুধু দর্শক কিংবা শ্রোতা হিসেবে নয়, বরং শিক্ষার মানোন্নয়ন ও শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ গঠনের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে সম্পৃক্ত করা হয়। কৃতি শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের প্রধান অতিথির মর্যাদায় বিবেচনা এবং কৃতি শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি পুরো আয়োজনকে প্রাণবন্ত করে তোলে।

পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়। পরে এসএসসি-২০২৬ পরীক্ষায় কৃতিত্ব অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও সম্মাননা প্রদান করা হয়। তাদের সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের অর্জন, অধ্যবসায়, নিয়মিত পড়াশোনা এবং ভবিষ্যৎ শিক্ষাজীবনের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়।

অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল অভিভাবকদের সরাসরি প্রশ্ন করার সুযোগ। প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা শিক্ষা কার্যক্রম, পাঠদানের পদ্ধতি, শিক্ষার্থীদের অগ্রগতি, পরীক্ষার প্রস্তুতি, মূল্যায়ন ব্যবস্থা এবং শিক্ষার পরিবেশ নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন ও মতামত তুলে ধরেন। এসব প্রশ্নের বিপরীতে প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে উত্তর ও প্রয়োজনীয় ব্যাখ্যা উপস্থাপন করা হয়।

আয়োজকদের এ উদ্যোগের বিশেষত্ব ছিল শুধু প্রতিষ্ঠানের সাফল্য তুলে ধরা নয়, বরং অভিভাবকদের বক্তব্য শোনা, তাঁদের প্রত্যাশা উপলব্ধি করা এবং প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম সম্পর্কে সরাসরি জবাব দেওয়ার একটি পরিবেশ তৈরি করা। শিক্ষা কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে এ ধরনের আয়োজন ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

অনুষ্ঠানে অভিভাবকদের অংশগ্রহণ বাড়াতে আয়োজন করা হয় বিশেষ কুইজ প্রতিযোগিতা। এতে অভিভাবকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ পুরো অনুষ্ঠানকে আরও আনন্দমুখর করে তোলে। শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি অভিভাবকদের জন্যও এমন ব্যতিক্রমী আয়োজন উপস্থিত সবার মধ্যে বাড়তি উৎসাহ ও উদ্দীপনা সৃষ্টি করে।

সভাপতির বক্তব্যে প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা এম. ওয়ালিউর রহমান নাঈমের নেতৃত্বে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের পারস্পরিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার প্রত্যয় প্রতিফলিত হয়। একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে অভিভাবকদের মতামত, পরামর্শ ও সহযোগিতার গুরুত্ব বিশেষভাবে উঠে আসে।

অনুষ্ঠানের শেষপর্বে কৃতিত্ব অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের হাতে ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়। কুইজ প্রতিযোগিতায় বিজয়ী অভিভাবকদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। পরে উপস্থিত অতিথি, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের আপ্যায়নের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

শিক্ষাবিদদের মতে, শিক্ষার্থীর সাফল্য কখনো একক প্রচেষ্টার ফল নয়। এর পেছনে থাকে শিক্ষককের নিবিড় পরিচর্যা, অভিভাবকের দায়িত্বশীল ভূমিকা এবং শিক্ষার্থীর নিরলস পরিশ্রম। তাই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমে অভিভাবকদের অংশগ্রহণ ও মতামত গ্রহণের এমন উদ্যোগ শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নে সহায়ক হতে পারে।
কবির ভাষায়

“আলো জ্বালায় যে শিক্ষক, স্বপ্ন বোনে যে প্রাণ,
অভিভাবকের ভালোবাসায় গড়ে শিক্ষার্থীর সম্মান।
প্রশ্নের মাঝে জাগুক আস্থা, উত্তরে আসুক দায়,
সম্মিলিত প্রচেষ্টাতেই আগামীর পথ খুঁজে পায়।”

নাঈম স্যারের ‘সৃজনশীল বিজ্ঞান’ অঙ্গনের এ আয়োজন শিক্ষার্থীদের সাফল্য উদ্‌যাপনের পাশাপাশি অভিভাবকদের মতামত, প্রশ্ন ও প্রত্যাশাকে গুরুত্ব দেওয়ার একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। শিক্ষার পরিবেশকে আরও কার্যকর, অংশগ্রহণমূলক ও জবাবদিহিমূলক করে তুলতে এ ধরনের উদ্যোগের ধারাবাহিকতা প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্ট অভিভাবক ও শিক্ষানুরাগীরা।