বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় (বাউবি) ও মালয়েশিয়ার ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটি মালয়েশিয়া (IIUM)-এর মধ্যে একাডেমিক ও গবেষণা সহযোগিতা বৃদ্ধির সম্ভাব্য ক্ষেত্র নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর ২০২৬) বাউবির উপাচার্যের কনফারেন্স হলে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান।
সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য বলেন, শিক্ষার্থী ভর্তির সংখ্যার বিবেচনায় বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়। উন্মুক্ত, দূরশিক্ষণ ও নমনীয় পদ্ধতিতে শিক্ষা প্রদানের ক্ষেত্রে এটি দেশের একমাত্র পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়। দেশের ১২টি আঞ্চলিক কেন্দ্র, ৬৩টি উপ-আঞ্চলিক কেন্দ্র এবং প্রায় ১ হাজার ৫০০টি স্টাডি সেন্টারের মাধ্যমে বাউবি শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণে কাজ করছে।
তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সাতটি স্কুলের অধীনে বহুমুখী শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি গবেষণা, পিএইচডি প্রোগ্রাম, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। IIUM-এর সঙ্গে যৌথ গবেষণা, শিক্ষক বিনিময় এবং জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে একটি ফলপ্রসূ, টেকসই ও পারস্পরিক সহযোগিতামূলক একাডেমিক সম্পর্ক গড়ে তোলার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
সভায় সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটি মালয়েশিয়ার (IIUM) ডেপুটি রেক্টর (গবেষণা, উদ্ভাবন ও উন্নয়ন) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আসলাম বিন মোহাম্মদ হানিফ, অফিস অব দ্য স্ট্র্যাটেজিক ইনস্টিটিউশন ট্রান্সফরমেশনের প্রিন্সিপাল ডিরেক্টর প্রফেসর ড. শুকরান বিন আবদ রহমান এবং অফিস অব দ্য ডেপুটি রেক্টরের স্পেশাল অফিসার ও সহকারী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মহিউদ্দিন।
এ সময় বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. সিরাজুল ইসলাম, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. শেখ রফিকুল ইসলাম, বিভিন্ন স্কুলের ডিন, উপাচার্যের একান্ত সচিব এবং প্রশিক্ষণ ও গবেষণা বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভায় উভয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে শিক্ষা ও গবেষণার মানোন্নয়ন, প্রাতিষ্ঠানিক উৎকর্ষ সাধন এবং পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারের বিভিন্ন সম্ভাব্য ক্ষেত্র নিয়ে বিস্তারিত মতবিনিময় হয়। সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের উদ্যোগ দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে আন্তর্জাতিক একাডেমিক সম্পর্ক উন্নয়ন এবং গবেষণার নতুন সুযোগ সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

স্টাফ রিপোর্টার 


















