তিনি জানান, সন্ধ্যার দিকে খবর পেয়ে সিদ্ধেশ্বরীর বাসা থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। শিশুটির চোখে মুখে নীলা ফোলা জখম আছে। ধারনা করা হচ্ছে, চুল ধরে ওয়াল বা গ্রিলের সঙ্গে আছড়িয়ে মারা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে।
এসআই আরও বলেন, ‘শিশুটি বাবা এস এম আতিকুল ইসলাম ও মা তাসনিম চৌধুরী ছোঁয়ার সঙ্গে দক্ষিণ বনশ্রীর ১২ নম্বর রোডের এল ব্লকের বাসায় থাকতো। বাবা ফার্ম থেকে দুধ সংগ্রহ করে বিভিন্ন জায়গায় সাপ্লাই দেয়। বেশ কিছুদিন ধরে শিশুটির মা ছোঁয়া নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়েন। এ কারণে কয়েক মাস ধরে শিশুটির বাবা আতিকুল সিদ্ধশ্বরীতে আলাদা বাসায় থাকেন।’
ওই শিশুটির স্বজনদের বরাত দিয়ে গোলজার হোসেন বলেন, ‘বৃহস্পতিবার রাত ২টার দিকে ছোঁয়া নেশাগ্রস্ত অবস্থায় তার স্বামী আতিকুলকে ফোন করে বলেন, তিনি সিদ্ধশ্বরীর বাসায় যাবেন। কিন্তু আতিকুল তাকে নিষেধ করে। এরপর আতিকুল ফোনে তার স্ত্রীকে কল দিয়ে আর পায় না। শুক্রবার সকালে শিশুটির নানাসহ আত্মীয়-স্বজন বনশ্রীর বাসায় গিয়ে দেখে আয়না নুর ইসলাম অচেতন অবস্থায় পড়ে আছে। পাশে তার মাও পড়ে আছে। তখন শিশুটিকে একটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পরে শিশুটির মরদেহ সিদ্ধেশ্বরী বাবার কাছে নিয়ে আসে এবং থানায় খবর দেয়। এরপর বনশ্রীর বাসা থেকে শিশুটির মা ছোঁয়াকে আটক করা হয়।’