ময়মনসিংহ , সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
কুয়েতে বিশেষ খাদ্য সহায়তা পাঠাচ্ছে বাংলাদেশ আজ বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বিশেষ সংবাদ সম্মেলন ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের প্রধান অনুপ্রেরণা ছিলেন নজরুল বলে মন্তব্য করেছেন রিজভী ঈদে মুক্তির অপেক্ষায় শাকিব-সাবিলার ‘রকস্টার’, পেল আনকাট সেন্সর ছাড়পত্র ঈদ ফেরত যাত্রার শেষ দিনের টিকিট বিক্রির শেষ সুযোগ আজ ​ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ শেষ হওয়ার ইঙ্গিত, এক ধাক্কায় কমল তেলের দাম ​ফসল হারিয়ে দিশেহারা সিলেটের কৃষক: ঈদের আগে সরকারি সহায়তার আশা ক্ষীণ ​মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় সাংবাদিক রাশিদুল হাসান গুরুতর আহত মহাপরিচালকের ঈদ উপহার পেলেন আনসার-ভিডিপির ভাতাভোগী সদস্য-সদস্যারা পাবনা জেলার ফরিদপুর উপজেলায় কোরবানির পশুর চামড়া সংরক্ষণে প্রশিক্ষণ
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

আর্থিক চাপে থাকা ব্যাংকগুলোর জন্য স্বস্তি: একীভূত ৫ ব্যাংকের আমানতে প্রভিশন সংরক্ষণে ছাড়

একীভূত পাঁচটি শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকে বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বিপুল পরিমাণ অর্থ আটকে রয়েছে। ফলে যেসব প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগ একীভূত ব্যাংকে রয়েছে, তাদের প্রভিশন বা নিরাপত্তা সঞ্চিতি রাখার বাধ্যবাধকতা তুলে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। 

গত বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট বিভাগ। এতে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো আপাতত অতিরিক্ত আর্থিক চাপ থেকে কিছুটা স্বস্তি পাবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, অনেক আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও ব্যাংকের আমানত একীভূত ব্যাংকে রয়েছে। এসব অর্থ সেসব প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগ, তাই এসব বিনিয়োগের বিপরীতে প্রভিশন রাখার বাধ্যবাধকতা তুলে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের একজন কর্মকর্তা বলেন, শুরুতে ব্যাংক সুপারভিশন বিভাগ (বিএসডি) ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বাজার বিভাগ (ডিএফআইএম) থেকে আটকে থাকা অর্থের বিপরীতে প্রভিশন রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। তবে পরে ব্যাংক রেজোল্যুশন বিভাগ (বিআরডি) জানায়, এ ধরনের অর্থের ক্ষেত্রে প্রভিশন রাখার প্রয়োজন নেই।

আটকে থাকা অর্থ একটি বিশেষ স্কিমের আওতায় রয়েছে জানিয়ে ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, ভবিষ্যতে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলো হয় সরাসরি অর্থ ফেরত পাবে, নয়তো দীর্ঘমেয়াদি আমানত (এফডিআর) বা শেয়ারের মাধ্যমে সমপরিমাণ মূল্য পাবে। ফলে অর্থ পুরোপুরি ক্ষতির মুখে পড়ার ঝুঁকিতে নেই।

এ বিষয়ে খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের এ সিদ্ধান্তে স্বল্প মেয়াদে চাপ কমলেও দীর্ঘ মেয়াদে আটকে থাকা অর্থ পুরোপুরি আদায় করা এখনো বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবেই রয়ে গেছে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কুয়েতে বিশেষ খাদ্য সহায়তা পাঠাচ্ছে বাংলাদেশ

আর্থিক চাপে থাকা ব্যাংকগুলোর জন্য স্বস্তি: একীভূত ৫ ব্যাংকের আমানতে প্রভিশন সংরক্ষণে ছাড়

আপডেট সময় ১১:১৪:৫৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২৬

একীভূত পাঁচটি শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকে বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বিপুল পরিমাণ অর্থ আটকে রয়েছে। ফলে যেসব প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগ একীভূত ব্যাংকে রয়েছে, তাদের প্রভিশন বা নিরাপত্তা সঞ্চিতি রাখার বাধ্যবাধকতা তুলে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। 

গত বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট বিভাগ। এতে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো আপাতত অতিরিক্ত আর্থিক চাপ থেকে কিছুটা স্বস্তি পাবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, অনেক আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও ব্যাংকের আমানত একীভূত ব্যাংকে রয়েছে। এসব অর্থ সেসব প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগ, তাই এসব বিনিয়োগের বিপরীতে প্রভিশন রাখার বাধ্যবাধকতা তুলে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের একজন কর্মকর্তা বলেন, শুরুতে ব্যাংক সুপারভিশন বিভাগ (বিএসডি) ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বাজার বিভাগ (ডিএফআইএম) থেকে আটকে থাকা অর্থের বিপরীতে প্রভিশন রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। তবে পরে ব্যাংক রেজোল্যুশন বিভাগ (বিআরডি) জানায়, এ ধরনের অর্থের ক্ষেত্রে প্রভিশন রাখার প্রয়োজন নেই।

আটকে থাকা অর্থ একটি বিশেষ স্কিমের আওতায় রয়েছে জানিয়ে ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, ভবিষ্যতে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলো হয় সরাসরি অর্থ ফেরত পাবে, নয়তো দীর্ঘমেয়াদি আমানত (এফডিআর) বা শেয়ারের মাধ্যমে সমপরিমাণ মূল্য পাবে। ফলে অর্থ পুরোপুরি ক্ষতির মুখে পড়ার ঝুঁকিতে নেই।

এ বিষয়ে খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের এ সিদ্ধান্তে স্বল্প মেয়াদে চাপ কমলেও দীর্ঘ মেয়াদে আটকে থাকা অর্থ পুরোপুরি আদায় করা এখনো বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবেই রয়ে গেছে।