ময়মনসিংহ , বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পাবনা জেলার ফরিদপুরে মরে যাচ্ছে বড়াল নদী, খনন না হলে হারিয়ে যেতে পারে ঐতিহ্য ও জীবিকা ময়মনসিংহ জেলায় ব্র্যাক এর বিভিন্ন কর্মসূচি ও এন্টারপ্রাইজ পরিদর্শন করেন ব্যারিস্টার জাইমা রহমান গৌরীপুরে থাইল্যান্ডের রঙিন বিটরুট চাষে কৃষক আজিজুলের বাজিমাত! নালিতাবাড়ীতে আকস্মিক হাসপাতাল পরিদর্শনে সংসদ সদস্য ফাহিম চৌধুরী ময়মনসিংহে বিভাগীয় পর্যায়ের ‘অদম্য নারী পুরস্কার’ পেলেন নুরুন নাহার আক্তার অফিসে নেই কোনো কর্মকর্তা ,সারপ্রাইজ ভিজিটে ভূমি প্রতিমন্ত্রী রংপুর ডিসি কার্যালয়ের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা অফিসে আসতে ‘লেট’, সরকার রপ্তানি খাতে ২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ছাড় দিলো খামেনির মৃত্যুতে ইরানি শাসনব্যবস্থার পতন ঘটাবে না বলে মন্তব্য করেছেন ফারাহ পাহলভি ইরানিদের ভাগ্য নির্ধারণের অধিকার তাদেরই দিতে হবে বলেছেন ফারাহ পাহলভি
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

ইবতেদায়ী মাদ্রাসা শিক্ষকরা ২২ দিন ধরে অবস্থান কর্মসূচিতে , আজ বিক্ষোভ

জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিভিন্ন দাবিতে টানা ২২তম দিনের মতো অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা শিক্ষকরা। আজ তাদের বিক্ষোভ কর্মসূচি পালনের কথা রয়েছে।

গত সোমবার (০৩ নভেম্বর) সকাল থেকে এ কর্মসূচি শুরু করেছেন তারা।

এর আগে রোববার (২ নভেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয় আশ্বাস দিয়েছে আজকের মধ্যে অনুদানভুক্ত ইবতেদায়ি মাদ্রাসার জাতীয়করণের প্রক্রিয়া শুরুর ব্যাপারে।

গতকালও তারা জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান নেন ইবতেদায়ি মাদ্রাসা শিক্ষকরা। দুপুরে তারা যমুনা অভিমুখে লংমার্চ শুরু করলে পুলিশি বাধার মুখোমুখি পড়েন। বিকেলে শিক্ষকদের একটি প্রতিনিধিদল সচিবালয়ে আলোচনার জন্য যায়। সেখান থেকে ফিরে এসে এ ঘোষণা দেন।

তবে, এতে অসন্তোষ জানিয়েছেন অনুদানবিহীন মাদ্রাসার শিক্ষকরা। অনুদানভুক্ত ও অনুদানবিহীন সকল ইবতেদায়ী মাদ্রাসাকে জাতীয়করণের আওতায় না নিয়ে আসা পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষক নেতারা।

ইবতেদায়ী মাদ্রাসা শিক্ষা কার্যক্রম জাতীয়করণের দাবিতে ১২ অক্টোবর অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন শিক্ষকরা। ৩০ অক্টোবর বিকেলের মধ্যে এ নিয়ে গেজেট প্রকাশ না করা হলে আগামী ২ নভেম্বর প্রেস ক্লাব টু যমুনা অভিমুখে লং মার্চের ঘোষণা দেন তারা।

এর আগে ২৯ অক্টোবর জাতীয় প্রেস ক্লাব থেকে সচিবালয় অভিমুখে যাওয়ার সময় আন্দোলনরত শিক্ষকদের সঙ্গে পুলিশে সংঘর্ষ হয়। এ সময় সাউন্ড গ্রেনেড, টিয়ারশেল ও জলকামান নিক্ষেপ করে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয় পুলিশ। এতে আহত অর্ধশতাধিক শিক্ষক ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।

আন্দোলনকারী শিক্ষকদের ওপর পুলিশি হামলায় আহতদের চিকিৎসা ও পুলিশদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান আন্দোলন বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক মো. সামছুল আলম।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

পাবনা জেলার ফরিদপুরে মরে যাচ্ছে বড়াল নদী, খনন না হলে হারিয়ে যেতে পারে ঐতিহ্য ও জীবিকা

ইবতেদায়ী মাদ্রাসা শিক্ষকরা ২২ দিন ধরে অবস্থান কর্মসূচিতে , আজ বিক্ষোভ

আপডেট সময় ১২:১৭:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ নভেম্বর ২০২৫

জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিভিন্ন দাবিতে টানা ২২তম দিনের মতো অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা শিক্ষকরা। আজ তাদের বিক্ষোভ কর্মসূচি পালনের কথা রয়েছে।

গত সোমবার (০৩ নভেম্বর) সকাল থেকে এ কর্মসূচি শুরু করেছেন তারা।

এর আগে রোববার (২ নভেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয় আশ্বাস দিয়েছে আজকের মধ্যে অনুদানভুক্ত ইবতেদায়ি মাদ্রাসার জাতীয়করণের প্রক্রিয়া শুরুর ব্যাপারে।

গতকালও তারা জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান নেন ইবতেদায়ি মাদ্রাসা শিক্ষকরা। দুপুরে তারা যমুনা অভিমুখে লংমার্চ শুরু করলে পুলিশি বাধার মুখোমুখি পড়েন। বিকেলে শিক্ষকদের একটি প্রতিনিধিদল সচিবালয়ে আলোচনার জন্য যায়। সেখান থেকে ফিরে এসে এ ঘোষণা দেন।

তবে, এতে অসন্তোষ জানিয়েছেন অনুদানবিহীন মাদ্রাসার শিক্ষকরা। অনুদানভুক্ত ও অনুদানবিহীন সকল ইবতেদায়ী মাদ্রাসাকে জাতীয়করণের আওতায় না নিয়ে আসা পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষক নেতারা।

ইবতেদায়ী মাদ্রাসা শিক্ষা কার্যক্রম জাতীয়করণের দাবিতে ১২ অক্টোবর অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন শিক্ষকরা। ৩০ অক্টোবর বিকেলের মধ্যে এ নিয়ে গেজেট প্রকাশ না করা হলে আগামী ২ নভেম্বর প্রেস ক্লাব টু যমুনা অভিমুখে লং মার্চের ঘোষণা দেন তারা।

এর আগে ২৯ অক্টোবর জাতীয় প্রেস ক্লাব থেকে সচিবালয় অভিমুখে যাওয়ার সময় আন্দোলনরত শিক্ষকদের সঙ্গে পুলিশে সংঘর্ষ হয়। এ সময় সাউন্ড গ্রেনেড, টিয়ারশেল ও জলকামান নিক্ষেপ করে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয় পুলিশ। এতে আহত অর্ধশতাধিক শিক্ষক ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।

আন্দোলনকারী শিক্ষকদের ওপর পুলিশি হামলায় আহতদের চিকিৎসা ও পুলিশদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান আন্দোলন বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক মো. সামছুল আলম।