ময়মনসিংহ , বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
​শামীম ওসমানের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ: আদালতের কাঠগড়ায় ১২ জন সরকার ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্র নীতি পরিচালনা করছে বলে মন্তব্য করেছেন শামা ওবায়েদ সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে ১৭ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা আলোচিত নাসির-তামিমা মামলার রায় আজ, নজরে আদালত ​মার্কিন পঞ্চম নৌবহরে হামলার হুমকি দিলো ইরান, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা তুঙ্গে পূর্বধলায় বিদ্যুৎ বিলের বকেয়া আদায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: ২০৬ সংযোগ বিচ্ছিন্ন সরকারি চাকরিজীবীদের সুখবর: জুনেই নতুন পে-স্কেলের গেজেট, আসছে গ্রেড ও পেনশন সুবিধায় বড় পরিবর্তন গৌরীপুরে মাদ্রাসাছাত্র নিখোঁজ, সন্ধানের অপেক্ষায় পরিবার ময়মনসিংহের গৌরীপুরে মামলার জেরে পুকুরে বিষ প্রয়োগ, লক্ষাধিক টাকার মাছ নিধনের অভিযোগ পরীক্ষায় স্বচ্ছতা ফেরাতে উদ্যোগ: আলিমের সব কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা বাধ্যতামূলক
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

চুয়াডাঙ্গায় পুলিশের চাকরি পেলেন ১২০ টাকায়, ২১ তরুণ-তরুণী

কোনো প্রকার সুপারিশ ও তদবির ছাড়া শতভাগ স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা, মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে চুয়াডাঙ্গায় ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে প্রাথমিকভাবে মনোনীত হয়েছেন ২১ জন তরুণ-তরুণী। এর মধ্যে ২০ জন পুরুষ ও ১ জন নারী প্রার্থী রয়েছেন। চূড়ান্তভাবে মনোনীত এই প্রার্থীদের চাকরি প্রাপ্তির সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সরকারি ফি বাবদ খরচ হয়েছে মাত্র ১২০ টাকা।

রোববার সন্ধ্যা ৬টায় চুয়াডাঙ্গা পুলিশ লাইন্স ড্রিলশেডে আনুষ্ঠানিকভাবে এই নিয়োগ পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করেন নিয়োগ বোর্ডের সভাপতি ও চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান।

সম্পূর্ণ নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে নিজ মেধা ও যোগ্যতায় বাংলাদেশ পুলিশের মতো একটি গর্বিত বাহিনীর সদস্য হতে পেরে চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ তরুণ-তরুণীরা খুশিতে আত্মহারা হয়ে পড়েন।

জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ১৮ এপ্রিল সকাল ৮টা থেকে নিয়োগের প্রথম ধাপ শুরু হয়। চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশ লাইন্স মাঠে চাকরিপ্রার্থীদের ‘ফিজিক্যাল এন্ডুরেন্স টেস্ট (পিইটি)’, কাগজপত্র যাচাই-বাছাই, শারীরিক মাপ ও সক্ষমতা পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রাথমিক ধাপ পেরিয়ে গত ৪ মে অনুষ্ঠিত লিখিত পরীক্ষায় সর্বমোট ২৩৯ জন চাকরিপ্রার্থী অংশ নেন। ১৭ মে রোববার সকাল ১০টায় সেই লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হলে ৪৩ জন পুরুষ ও ১ জন নারীসহ মোট ৪৪ জন প্রার্থী উত্তীর্ণ হন।

পরবর্তীতে উত্তীর্ণ প্রার্থীরা মনস্তাত্ত্বিক ও মৌখিক (ভাইভা) পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। এর মধ্য থেকে নিজেদের মেধা ও যোগ্যতার স্বাক্ষর রেখে ২০ জন পুরুষ ও ১ জন নারী চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হন।

নিয়োগ বোর্ডের সভাপতি ও পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ ২১ জন তরুণ-তরুণীকে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে আন্তরিক অভিনন্দন ও বাংলাদেশ পুলিশে স্বাগত জানান।

উল্লেখ্য, নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরুর আগে থেকেই জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে স্থানীয় ডিস চ্যানেল, সংবাদপত্র, মাইকিং এবং ফেসবুক পেজের মাধ্যমে চাকরিপ্রত্যাশীদের দালাল ও প্রতারক চক্রের হাত থেকে সচেতন থাকার জন্য বারবার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। পুলিশ সুপারের কড়া তদারকি ও সতর্কবার্তার ফলেই কোনো অনিয়ম ছাড়াই মাত্র ১২০ টাকায় সাধারণ ও দরিদ্র পরিবারের সন্তানরা চাকরি পেয়েছেন।

ফলাফল ঘোষণাকালে উপস্থিত ছিলেন নিয়োগ বোর্ডের সদস্য মেহেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোহাম্মদ আতিকুল হক, ঝিনাইদহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. মোসফেকুর রহমানসহ চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

​শামীম ওসমানের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ: আদালতের কাঠগড়ায় ১২ জন

চুয়াডাঙ্গায় পুলিশের চাকরি পেলেন ১২০ টাকায়, ২১ তরুণ-তরুণী

আপডেট সময় ১২:৩০:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬

কোনো প্রকার সুপারিশ ও তদবির ছাড়া শতভাগ স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা, মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে চুয়াডাঙ্গায় ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে প্রাথমিকভাবে মনোনীত হয়েছেন ২১ জন তরুণ-তরুণী। এর মধ্যে ২০ জন পুরুষ ও ১ জন নারী প্রার্থী রয়েছেন। চূড়ান্তভাবে মনোনীত এই প্রার্থীদের চাকরি প্রাপ্তির সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সরকারি ফি বাবদ খরচ হয়েছে মাত্র ১২০ টাকা।

রোববার সন্ধ্যা ৬টায় চুয়াডাঙ্গা পুলিশ লাইন্স ড্রিলশেডে আনুষ্ঠানিকভাবে এই নিয়োগ পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করেন নিয়োগ বোর্ডের সভাপতি ও চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান।

সম্পূর্ণ নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে নিজ মেধা ও যোগ্যতায় বাংলাদেশ পুলিশের মতো একটি গর্বিত বাহিনীর সদস্য হতে পেরে চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ তরুণ-তরুণীরা খুশিতে আত্মহারা হয়ে পড়েন।

জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ১৮ এপ্রিল সকাল ৮টা থেকে নিয়োগের প্রথম ধাপ শুরু হয়। চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশ লাইন্স মাঠে চাকরিপ্রার্থীদের ‘ফিজিক্যাল এন্ডুরেন্স টেস্ট (পিইটি)’, কাগজপত্র যাচাই-বাছাই, শারীরিক মাপ ও সক্ষমতা পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রাথমিক ধাপ পেরিয়ে গত ৪ মে অনুষ্ঠিত লিখিত পরীক্ষায় সর্বমোট ২৩৯ জন চাকরিপ্রার্থী অংশ নেন। ১৭ মে রোববার সকাল ১০টায় সেই লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হলে ৪৩ জন পুরুষ ও ১ জন নারীসহ মোট ৪৪ জন প্রার্থী উত্তীর্ণ হন।

পরবর্তীতে উত্তীর্ণ প্রার্থীরা মনস্তাত্ত্বিক ও মৌখিক (ভাইভা) পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। এর মধ্য থেকে নিজেদের মেধা ও যোগ্যতার স্বাক্ষর রেখে ২০ জন পুরুষ ও ১ জন নারী চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হন।

নিয়োগ বোর্ডের সভাপতি ও পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ ২১ জন তরুণ-তরুণীকে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে আন্তরিক অভিনন্দন ও বাংলাদেশ পুলিশে স্বাগত জানান।

উল্লেখ্য, নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরুর আগে থেকেই জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে স্থানীয় ডিস চ্যানেল, সংবাদপত্র, মাইকিং এবং ফেসবুক পেজের মাধ্যমে চাকরিপ্রত্যাশীদের দালাল ও প্রতারক চক্রের হাত থেকে সচেতন থাকার জন্য বারবার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। পুলিশ সুপারের কড়া তদারকি ও সতর্কবার্তার ফলেই কোনো অনিয়ম ছাড়াই মাত্র ১২০ টাকায় সাধারণ ও দরিদ্র পরিবারের সন্তানরা চাকরি পেয়েছেন।

ফলাফল ঘোষণাকালে উপস্থিত ছিলেন নিয়োগ বোর্ডের সদস্য মেহেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোহাম্মদ আতিকুল হক, ঝিনাইদহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. মোসফেকুর রহমানসহ চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।