ময়মনসিংহ , বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
আলোচিত নাসির-তামিমা মামলার রায় আজ, নজরে আদালত ​মার্কিন পঞ্চম নৌবহরে হামলার হুমকি দিলো ইরান, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা তুঙ্গে পূর্বধলায় বিদ্যুৎ বিলের বকেয়া আদায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: ২০৬ সংযোগ বিচ্ছিন্ন সরকারি চাকরিজীবীদের সুখবর: জুনেই নতুন পে-স্কেলের গেজেট, আসছে গ্রেড ও পেনশন সুবিধায় বড় পরিবর্তন গৌরীপুরে মাদ্রাসাছাত্র নিখোঁজ, সন্ধানের অপেক্ষায় পরিবার ময়মনসিংহের গৌরীপুরে মামলার জেরে পুকুরে বিষ প্রয়োগ, লক্ষাধিক টাকার মাছ নিধনের অভিযোগ পরীক্ষায় স্বচ্ছতা ফেরাতে উদ্যোগ: আলিমের সব কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা বাধ্যতামূলক জুলাই থেকেই কার্যকর হতে যাচ্ছে নবম পে-স্কেল! প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে চলছে একনেক সভা: অনুমোদনের অপেক্ষায় ৮,১০৬ কোটি টাকার ১২ প্রকল্প বাংলাদেশী শান্তিরক্ষীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন বলেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

ছেলের সঙ্গে ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষা দিচ্ছেন মা: নাটোরের লালপুরে ব্যাপক আলোড়ন

​শিক্ষার কোনো বয়স নেই, ইচ্ছা আর আত্মবিশ্বাস থাকলে যেকোনো বয়সেই সফল হওয়া যায়—এই চিরন্তন সত্যকে আবারও প্রমাণ করলেন নাটোরের লালপুর উপজেলার ফুলঝুড়ি বেগম। দীর্ঘ ২৯ বছরের পারিবারিক ও সামাজিক ব্যস্ততা কাটিয়ে অবশেষে ছেলে মনিরুল ইসলামের (১৫) সঙ্গে ২০২৬ সালের এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় বসেছেন তিনি। মা-ছেলের একসঙ্গে পরীক্ষা দেওয়ার এই ঘটনাটি স্থানীয় এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নাটোরের লালপুর উপজেলার দুড়দুড়িয়া ইউনিয়নের নওপাড়া গ্রামের বাসিন্দা ফুলঝুড়ি বেগম। সংসারের নানা টানাপোড়েনে একসময় পড়াশোনা বন্ধ হয়ে গেলেও শিক্ষার প্রতি তার আগ্রহ কমেনি। ছেলে মনিরুল ইসলাম যখন ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, তখন পাশে বসে মা ফুলঝুড়িও নতুন করে স্বপ্ন বুনতে শুরু করেন।

তারা দুজনই উপজেলার ‘মোহরকয়া নতুনপাড়া মাধ্যমিক কারিগরি ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট’-এর কম্পিউটার ট্রেডের শিক্ষার্থী হিসেবে ২০২৬ সালের পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন। বর্তমানে নাটোরের মধুবাড়ি দাখিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে মা ও ছেলে একসঙ্গে পরীক্ষা দিচ্ছেন।

একই পরীক্ষা কেন্দ্রে মা ও ছেলেকে একসঙ্গে অংশ নিতে দেখে সহপাঠী, শিক্ষক এবং স্থানীয় অভিভাবকদের মধ্যে ব্যাপক কৌতুহল ও উদ্দীপনা দেখা গেছে। অনেকেই ফুলঝুড়ি বেগমের এই অদম্য ইচ্ছাশক্তিকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।

​ইনস্টিটিউটের শিক্ষকরা জানান, ফুলঝুড়ি বেগমের এই উদ্যোগ সমাজে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। বয়স যে শিক্ষার পথে কোনো অন্তরায় নয়, তা তিনি প্রমাণ করে দেখিয়েছেন। মা-ছেলের এই যুগলবন্দী সফলতা কামনা করছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আলোচিত নাসির-তামিমা মামলার রায় আজ, নজরে আদালত

ছেলের সঙ্গে ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষা দিচ্ছেন মা: নাটোরের লালপুরে ব্যাপক আলোড়ন

আপডেট সময় ০৯:৩৮:৪৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬

​শিক্ষার কোনো বয়স নেই, ইচ্ছা আর আত্মবিশ্বাস থাকলে যেকোনো বয়সেই সফল হওয়া যায়—এই চিরন্তন সত্যকে আবারও প্রমাণ করলেন নাটোরের লালপুর উপজেলার ফুলঝুড়ি বেগম। দীর্ঘ ২৯ বছরের পারিবারিক ও সামাজিক ব্যস্ততা কাটিয়ে অবশেষে ছেলে মনিরুল ইসলামের (১৫) সঙ্গে ২০২৬ সালের এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় বসেছেন তিনি। মা-ছেলের একসঙ্গে পরীক্ষা দেওয়ার এই ঘটনাটি স্থানীয় এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নাটোরের লালপুর উপজেলার দুড়দুড়িয়া ইউনিয়নের নওপাড়া গ্রামের বাসিন্দা ফুলঝুড়ি বেগম। সংসারের নানা টানাপোড়েনে একসময় পড়াশোনা বন্ধ হয়ে গেলেও শিক্ষার প্রতি তার আগ্রহ কমেনি। ছেলে মনিরুল ইসলাম যখন ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, তখন পাশে বসে মা ফুলঝুড়িও নতুন করে স্বপ্ন বুনতে শুরু করেন।

তারা দুজনই উপজেলার ‘মোহরকয়া নতুনপাড়া মাধ্যমিক কারিগরি ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট’-এর কম্পিউটার ট্রেডের শিক্ষার্থী হিসেবে ২০২৬ সালের পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন। বর্তমানে নাটোরের মধুবাড়ি দাখিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে মা ও ছেলে একসঙ্গে পরীক্ষা দিচ্ছেন।

একই পরীক্ষা কেন্দ্রে মা ও ছেলেকে একসঙ্গে অংশ নিতে দেখে সহপাঠী, শিক্ষক এবং স্থানীয় অভিভাবকদের মধ্যে ব্যাপক কৌতুহল ও উদ্দীপনা দেখা গেছে। অনেকেই ফুলঝুড়ি বেগমের এই অদম্য ইচ্ছাশক্তিকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।

​ইনস্টিটিউটের শিক্ষকরা জানান, ফুলঝুড়ি বেগমের এই উদ্যোগ সমাজে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। বয়স যে শিক্ষার পথে কোনো অন্তরায় নয়, তা তিনি প্রমাণ করে দেখিয়েছেন। মা-ছেলের এই যুগলবন্দী সফলতা কামনা করছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।