ময়মনসিংহ , বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ব্রিকস সম্মেলনে না গিয়ে তারেক রহমান দেশকে সম্মানিত করেছেন বললেন রিজভী ফরিদপুর থানা পুলিশের অভিযানে শিশু হত্যার মূল আসামী গ্রেফতার এবং ছিনতাই হওয়া ব্যাটারী চালিত অটোভ্যান উদ্ধার ​সাইবার সুরক্ষা আইনের সংশোধনী নিয়ে জামায়াতের আপত্তি, কিন্তু সাইবার অপরাধ রুখতে আইনের পক্ষে তথ্যমন্ত্রী ​এশিয়ান গেমসে যোগ দিতে চার দিনের সরকারি সফরে জাপান গেলেন সেনাপ্রধান রাজধানীসহ ২৫ জেলায় তীব্র তাপপ্রবাহ, সাথেই ভারী বর্ষণের প্রবল পূর্বাভাস ইউ গেট আউট ফ্রম দিস রুম’: সিভিল সার্জনকে রেগে ঘর থেকে বের করে দিলেন আইনমন্ত্রী কারাগারে জন্ম ও বেড়ে ওঠা: ৭ বছর পর অবরুদ্ধ জীবন থেকে মুক্ত মোবাশ্বেরা ‘১১ হাজার কোটি’ ফিরিয়ে এনে গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট সমাধানের দাবি: আসিফ দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সোলার প্যানেল বসানো হবে জানিয়েছেন শিক্ষা সচিব রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

জলদস্যু দমনে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর নজরদারি-টহল বঙ্গোপসাগরে

  • ডিজিটাল রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:২৭:৪১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১০৩ বার পড়া হয়েছে

বঙ্গোপসাগরে হঠাৎ করে জলদস্যুদের দৌরাত্ম্য বেড়ে যাওয়ায় নাফ নদী থেকে শুরু করে গভীর সমুদ্র পর্যন্ত টহল জোরদার এবং প্রযুক্তিনির্ভর বিশেষ নজরদারি শুরু করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড। 

সম্প্রতি জলদস্যুরা মাছধরা ট্রলারে হামলা চালিয়ে জেলেদের নির্যাতন, জিম্মি এবং জাল-মাছসহ মূল্যবান যন্ত্রপাতি লুটে নিচ্ছে। এমনকি গত ২৫ ফেব্রুয়ারি কুতুবদিয়ার শাহাদাত নামে এক জেলে দস্যুদের গুলিতে নিহত হওয়ার পর সমুদ্রের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়। এমন পরিস্থিতিতে দস্যুতা ঠেকাতে আধুনিক রাডার, অটোমেটিক আইডেন্টিফিকেশন সিস্টেম এবং উচ্চগতির স্পিডবোটের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে কোস্টগার্ড।

তিনি আরও জানান যে, গত দুই মাসে বিশেষ অভিযানে ৩০ জন জলদস্যুকে আটক করা হয়েছে এবং তাদের কাছ থেকে চারটি আগ্নেয়াস্ত্রসহ বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় দস্যুদের কবলে জিম্মি থাকা ৩২ জন জেলেকেও জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

জেলেদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে গত শুক্রবার কোস্টগার্ডের চট্টগ্রাম বেইস এবং বিভিন্ন স্টেশনের সমন্বয়ে দিনব্যাপী এক সাঁড়াশি অভিযান চালানো হয়েছে। কোস্টগার্ডের ‘অপারেশন সুরক্ষা’ ও ‘অপারেশন প্রতিহত’ সহ বিভিন্ন বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে উপকূলীয় এলাকার জানমালের নিরাপত্তা বিধান করা হচ্ছে।

বর্তমানে কোস্টগার্ডের জাহাজগুলোতে অত্যাধুনিক সার্ভেইল্যান্স সিস্টেম সংযোজিত থাকায় যেকোনো হুমকি দ্রুত শনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছে। এ ছাড়া সমুদ্রে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার সম্মুখীন হলে দ্রুত সহায়তার জন্য কোস্টগার্ডের বিশেষ হেল্পলাইন সার্বক্ষণিক চালু রাখা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ব্রিকস সম্মেলনে না গিয়ে তারেক রহমান দেশকে সম্মানিত করেছেন বললেন রিজভী

জলদস্যু দমনে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর নজরদারি-টহল বঙ্গোপসাগরে

আপডেট সময় ১১:২৭:৪১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বঙ্গোপসাগরে হঠাৎ করে জলদস্যুদের দৌরাত্ম্য বেড়ে যাওয়ায় নাফ নদী থেকে শুরু করে গভীর সমুদ্র পর্যন্ত টহল জোরদার এবং প্রযুক্তিনির্ভর বিশেষ নজরদারি শুরু করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড। 

সম্প্রতি জলদস্যুরা মাছধরা ট্রলারে হামলা চালিয়ে জেলেদের নির্যাতন, জিম্মি এবং জাল-মাছসহ মূল্যবান যন্ত্রপাতি লুটে নিচ্ছে। এমনকি গত ২৫ ফেব্রুয়ারি কুতুবদিয়ার শাহাদাত নামে এক জেলে দস্যুদের গুলিতে নিহত হওয়ার পর সমুদ্রের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়। এমন পরিস্থিতিতে দস্যুতা ঠেকাতে আধুনিক রাডার, অটোমেটিক আইডেন্টিফিকেশন সিস্টেম এবং উচ্চগতির স্পিডবোটের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে কোস্টগার্ড।

তিনি আরও জানান যে, গত দুই মাসে বিশেষ অভিযানে ৩০ জন জলদস্যুকে আটক করা হয়েছে এবং তাদের কাছ থেকে চারটি আগ্নেয়াস্ত্রসহ বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় দস্যুদের কবলে জিম্মি থাকা ৩২ জন জেলেকেও জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

জেলেদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে গত শুক্রবার কোস্টগার্ডের চট্টগ্রাম বেইস এবং বিভিন্ন স্টেশনের সমন্বয়ে দিনব্যাপী এক সাঁড়াশি অভিযান চালানো হয়েছে। কোস্টগার্ডের ‘অপারেশন সুরক্ষা’ ও ‘অপারেশন প্রতিহত’ সহ বিভিন্ন বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে উপকূলীয় এলাকার জানমালের নিরাপত্তা বিধান করা হচ্ছে।

বর্তমানে কোস্টগার্ডের জাহাজগুলোতে অত্যাধুনিক সার্ভেইল্যান্স সিস্টেম সংযোজিত থাকায় যেকোনো হুমকি দ্রুত শনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছে। এ ছাড়া সমুদ্রে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার সম্মুখীন হলে দ্রুত সহায়তার জন্য কোস্টগার্ডের বিশেষ হেল্পলাইন সার্বক্ষণিক চালু রাখা হয়েছে।