ময়মনসিংহ , বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পাবনা জেলার ফরিদপুরে মরে যাচ্ছে বড়াল নদী, খনন না হলে হারিয়ে যেতে পারে ঐতিহ্য ও জীবিকা ময়মনসিংহ জেলায় ব্র্যাক এর বিভিন্ন কর্মসূচি ও এন্টারপ্রাইজ পরিদর্শন করেন ব্যারিস্টার জাইমা রহমান গৌরীপুরে থাইল্যান্ডের রঙিন বিটরুট চাষে কৃষক আজিজুলের বাজিমাত! নালিতাবাড়ীতে আকস্মিক হাসপাতাল পরিদর্শনে সংসদ সদস্য ফাহিম চৌধুরী ময়মনসিংহে বিভাগীয় পর্যায়ের ‘অদম্য নারী পুরস্কার’ পেলেন নুরুন নাহার আক্তার অফিসে নেই কোনো কর্মকর্তা ,সারপ্রাইজ ভিজিটে ভূমি প্রতিমন্ত্রী রংপুর ডিসি কার্যালয়ের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা অফিসে আসতে ‘লেট’, সরকার রপ্তানি খাতে ২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ছাড় দিলো খামেনির মৃত্যুতে ইরানি শাসনব্যবস্থার পতন ঘটাবে না বলে মন্তব্য করেছেন ফারাহ পাহলভি ইরানিদের ভাগ্য নির্ধারণের অধিকার তাদেরই দিতে হবে বলেছেন ফারাহ পাহলভি
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

জামায়াত ক্ষমতায় আসলে উত্তরাঞ্চলের নদীগুলো পুনরুজ্জীবিত করবে জানিয়েছেন শফিকুর রহমান

জামায়াতে ইসলামী সরকার গঠন করলে উত্তরাঞ্চলের নদীগুলোকে পুনরুজ্জীবিত করতে পরিকল্পনা গ্রহণ করবে বলে জানিয়েছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সকালে গাইবান্ধার পলাশবাড়ির এস এম পাইলট উচ্চবিদ্যালয়ের এক নির্বাচনি জনসভায় তিনি এ কথা বলেন।

নদীকে জীবনের রক্তনালী হিসেবে আখ্যায়িত করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, অবহেলা শুধুমাত্র প্রাকৃতিক পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করেনি, বরং সারা উত্তরাঞ্চলের মানুষের অর্থনৈতিক ও সামাজিক জীবনে বিরূপ প্রভাব ফেলেছে। নদীর জীবন ফিরে এলে, নর্থবঙ্গের জীবনও ফিরে আসবে, ইনশাআল্লাহ।’

নদীগুলোকে পুনরায় জীবনদানের পরিকল্পনার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি বলেন, মহান আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে আমরা আপনাদেরকে প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, যদি জনগণ আমাদেরকে ভোটে ক্ষমতায় আনেন, প্রথমে নর্থবঙ্গের মৃত নদীগুলোকে পুনরুজ্জীবিত করব। তিস্তা, ধরলা, করতোয়া এবং ব্রহ্মপুত্র- এই চার নদীর অবস্থার দিকে নজর দেওয়া হবে।

নদী ও জলসম্পদ উন্নয়নের সঙ্গে জাতির নিরাপত্তা ও স্বাধীনতাকেও যুক্ত করেছেন তিনি। শফিকুর রহমান বলেন, বাংলাদেশে কোনো আধিপত্যবাদের ছায়া দেখতে চাই না। বিশ্বের সকল সভ্য দেশ এবং প্রতিবেশীদের সঙ্গে বন্ধুত্ব চাই। আমরা কারো উপর নজরদারি করতে চাই না, আর কেউ এসে আমাদের দেশের ওপর হুকুম চালাকেও চাই না। তিনি উল্লেখ করেন, ৫৪ বছরের শাসন ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা দেশকে ফ্যাসিবাদী অভিজ্ঞতা দিয়েছে, যা তারা আর দেখতে চান না।

শফিকুর রহমান জনগণকে আমূল পরিবর্তনের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, এই পরিবর্তনের সময় আপনাদের হাতছানি দিয়ে ডাকছে। আগামী ১২ তারিখে অনুষ্ঠিতব্য গণভোট এবং সাধারণ নির্বাচনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে দেশকে নতুন দিকে এগিয়ে নিতে হবে। গণভোট সফল হলে সাধারণ নির্বাচনও সফল হবে। তাই জনগণকে গণভোটে হ্যাঁ বলতে হবে।

তিনি শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, জুলাইয়ের শহীদদের প্রতি সম্মান দেখাতে গণভোটে হ্যাঁ বলা আবশ্যক। আবু সাঈদ যেমন গোটা দেশকে উদ্দীপ্ত করেছেন, আমাদেরও তার জীবনদানের আদর্শে দেশকে পরিবর্তনের পথে এগোতে হবে।

সমাবেশের শেষ পর্যায়ে তিনি জনগণকে দেশের ভবিষ্যত রূপান্তরের আহ্বান জানিয়ে বলেন, আমরা চাই পুরো দেশের জনগণ সচেতন হোক। নদী, জমি, পানি এবং কৃষি উন্নয়নের মাধ্যমে নর্থবঙ্গকে সমৃদ্ধ করা হবে। আপনারা যদি আমাদের সমর্থন দেন, আমরা দেশকে উন্নয়নের পথে এগিয়ে নেব।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

পাবনা জেলার ফরিদপুরে মরে যাচ্ছে বড়াল নদী, খনন না হলে হারিয়ে যেতে পারে ঐতিহ্য ও জীবিকা

জামায়াত ক্ষমতায় আসলে উত্তরাঞ্চলের নদীগুলো পুনরুজ্জীবিত করবে জানিয়েছেন শফিকুর রহমান

আপডেট সময় ০১:৩৩:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬

জামায়াতে ইসলামী সরকার গঠন করলে উত্তরাঞ্চলের নদীগুলোকে পুনরুজ্জীবিত করতে পরিকল্পনা গ্রহণ করবে বলে জানিয়েছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সকালে গাইবান্ধার পলাশবাড়ির এস এম পাইলট উচ্চবিদ্যালয়ের এক নির্বাচনি জনসভায় তিনি এ কথা বলেন।

নদীকে জীবনের রক্তনালী হিসেবে আখ্যায়িত করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, অবহেলা শুধুমাত্র প্রাকৃতিক পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করেনি, বরং সারা উত্তরাঞ্চলের মানুষের অর্থনৈতিক ও সামাজিক জীবনে বিরূপ প্রভাব ফেলেছে। নদীর জীবন ফিরে এলে, নর্থবঙ্গের জীবনও ফিরে আসবে, ইনশাআল্লাহ।’

নদীগুলোকে পুনরায় জীবনদানের পরিকল্পনার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি বলেন, মহান আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে আমরা আপনাদেরকে প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, যদি জনগণ আমাদেরকে ভোটে ক্ষমতায় আনেন, প্রথমে নর্থবঙ্গের মৃত নদীগুলোকে পুনরুজ্জীবিত করব। তিস্তা, ধরলা, করতোয়া এবং ব্রহ্মপুত্র- এই চার নদীর অবস্থার দিকে নজর দেওয়া হবে।

নদী ও জলসম্পদ উন্নয়নের সঙ্গে জাতির নিরাপত্তা ও স্বাধীনতাকেও যুক্ত করেছেন তিনি। শফিকুর রহমান বলেন, বাংলাদেশে কোনো আধিপত্যবাদের ছায়া দেখতে চাই না। বিশ্বের সকল সভ্য দেশ এবং প্রতিবেশীদের সঙ্গে বন্ধুত্ব চাই। আমরা কারো উপর নজরদারি করতে চাই না, আর কেউ এসে আমাদের দেশের ওপর হুকুম চালাকেও চাই না। তিনি উল্লেখ করেন, ৫৪ বছরের শাসন ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা দেশকে ফ্যাসিবাদী অভিজ্ঞতা দিয়েছে, যা তারা আর দেখতে চান না।

শফিকুর রহমান জনগণকে আমূল পরিবর্তনের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, এই পরিবর্তনের সময় আপনাদের হাতছানি দিয়ে ডাকছে। আগামী ১২ তারিখে অনুষ্ঠিতব্য গণভোট এবং সাধারণ নির্বাচনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে দেশকে নতুন দিকে এগিয়ে নিতে হবে। গণভোট সফল হলে সাধারণ নির্বাচনও সফল হবে। তাই জনগণকে গণভোটে হ্যাঁ বলতে হবে।

তিনি শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, জুলাইয়ের শহীদদের প্রতি সম্মান দেখাতে গণভোটে হ্যাঁ বলা আবশ্যক। আবু সাঈদ যেমন গোটা দেশকে উদ্দীপ্ত করেছেন, আমাদেরও তার জীবনদানের আদর্শে দেশকে পরিবর্তনের পথে এগোতে হবে।

সমাবেশের শেষ পর্যায়ে তিনি জনগণকে দেশের ভবিষ্যত রূপান্তরের আহ্বান জানিয়ে বলেন, আমরা চাই পুরো দেশের জনগণ সচেতন হোক। নদী, জমি, পানি এবং কৃষি উন্নয়নের মাধ্যমে নর্থবঙ্গকে সমৃদ্ধ করা হবে। আপনারা যদি আমাদের সমর্থন দেন, আমরা দেশকে উন্নয়নের পথে এগিয়ে নেব।