ময়মনসিংহ , সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
আজ মধ্যরাত থেকে নির্বাচন ও গণভোট ঘিরে মোটরসাইকেল চলাচল নিষিদ্ধ ১৮ ঊর্ধ্ব সবাইকে বাধ্যতামূলক সামরিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে বলেছেন নাহিদ ইসলাম ইউপি সদস্যের স্বামীকে গুলি করে হত্যা, আহত ১ নরসিংদীতে সোনার দাঁড়িপাল্লা উপহার দিলেন সমর্থক শিশির মনিরকে ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশ করা যাবে না জানিয়েছে ইসি জামায়াত আমির আজ ঢাকার একাধিক জায়গায় গণসংযোগ করবেন আজ তারেক রহমানের নির্বাচনী জনসভা রাজধানীর ৮ স্থানে ১১ ফেব্রুয়ারিও নির্বাচন ও গণভোট ঘিরে দূরপাল্লার বাস চলবে প্রধান উপদেষ্টা আজ উপদেষ্টা ও সচিবদের সঙ্গে বৈঠক করবেন ১১০টি ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রে থাকবে বডি ওর্ন ক্যামেরা নেত্রকোনায়
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

পরিবেশ অধিদপ্তরের উদ্যোগ শব্দদূষণ রোধে, ঢাকায় মোটর শোভাযাত্রা

রাজধানীতে ক্রমবর্ধমান শব্দদূষণের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে হর্ন ব্যবহারের বিরুদ্ধে ব্যতিক্রমধর্মী মোটর শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে। পরিবেশ অধিদপ্তরের উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে অংশ নেয় বিভিন্ন সরকারি সংস্থা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

গত শনিবার (১৭ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা থেকে ‘শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত ও অংশীদারত্বমূলক প্রকল্প’-এর আওতায় মোটর শোভাযাত্রাটি শুরু হয়। এর আগে অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য দেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।

বক্তব্যে তিনি বলেন, পরিবেশ অধিদপ্তর ও পুলিশ একসঙ্গে কাজ করলে পরিবেশদূষণ নিয়ন্ত্রণ অনেক সহজ হবে। শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০২৫ অনুযায়ী ট্রাফিক পুলিশকে তাৎক্ষণিক জরিমানা করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। এই বিধিমালা কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হবে।

সমাবেশে পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. কামরুজ্জামান বলেন, উচ্চ শব্দ সৃষ্টিকারী হর্ন আমদানি বন্ধে পরিবেশ অধিদপ্তর ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

কর্মসূচিতে আরও উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের সচিব ফারহিনা আহমেদ, ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন) মো. সরওয়ার, শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ফরিদ আহমেদ, গ্রীন ভয়েসের সহসমন্বয়ক হুমায়ুন কবিরসহ পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়, পরিবেশ অধিদপ্তর ও ঢাকা মহানগর পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

এ ছাড়া জানানো হয়, শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে গত ৫ জানুয়ারি থেকে ঢাকার ১০টি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে টানা ১০ দিন ধরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা এবং সচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আজ মধ্যরাত থেকে নির্বাচন ও গণভোট ঘিরে মোটরসাইকেল চলাচল নিষিদ্ধ

পরিবেশ অধিদপ্তরের উদ্যোগ শব্দদূষণ রোধে, ঢাকায় মোটর শোভাযাত্রা

আপডেট সময় ০৯:৫৯:০৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬

রাজধানীতে ক্রমবর্ধমান শব্দদূষণের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে হর্ন ব্যবহারের বিরুদ্ধে ব্যতিক্রমধর্মী মোটর শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে। পরিবেশ অধিদপ্তরের উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে অংশ নেয় বিভিন্ন সরকারি সংস্থা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

গত শনিবার (১৭ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা থেকে ‘শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত ও অংশীদারত্বমূলক প্রকল্প’-এর আওতায় মোটর শোভাযাত্রাটি শুরু হয়। এর আগে অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য দেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।

বক্তব্যে তিনি বলেন, পরিবেশ অধিদপ্তর ও পুলিশ একসঙ্গে কাজ করলে পরিবেশদূষণ নিয়ন্ত্রণ অনেক সহজ হবে। শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০২৫ অনুযায়ী ট্রাফিক পুলিশকে তাৎক্ষণিক জরিমানা করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। এই বিধিমালা কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হবে।

সমাবেশে পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. কামরুজ্জামান বলেন, উচ্চ শব্দ সৃষ্টিকারী হর্ন আমদানি বন্ধে পরিবেশ অধিদপ্তর ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

কর্মসূচিতে আরও উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের সচিব ফারহিনা আহমেদ, ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন) মো. সরওয়ার, শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ফরিদ আহমেদ, গ্রীন ভয়েসের সহসমন্বয়ক হুমায়ুন কবিরসহ পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়, পরিবেশ অধিদপ্তর ও ঢাকা মহানগর পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

এ ছাড়া জানানো হয়, শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে গত ৫ জানুয়ারি থেকে ঢাকার ১০টি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে টানা ১০ দিন ধরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা এবং সচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো হয়েছে।