ময়মনসিংহ , বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ময়মনসিংহে বিভাগীয় পর্যায়ের ‘অদম্য নারী পুরস্কার’ পেলেন নুরুন নাহার আক্তার অফিসে নেই কোনো কর্মকর্তা ,সারপ্রাইজ ভিজিটে ভূমি প্রতিমন্ত্রী রংপুর ডিসি কার্যালয়ের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা অফিসে আসতে ‘লেট’, সরকার রপ্তানি খাতে ২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ছাড় দিলো খামেনির মৃত্যুতে ইরানি শাসনব্যবস্থার পতন ঘটাবে না বলে মন্তব্য করেছেন ফারাহ পাহলভি ইরানিদের ভাগ্য নির্ধারণের অধিকার তাদেরই দিতে হবে বলেছেন ফারাহ পাহলভি রাজধানীর তাপমাত্রা কমলো ৪ ডিগ্রি একদিনের ব্যবধানে নারায়ণগঞ্জে লাশ গোসলের জায়গা দখল করে ঘর নির্মাণের অভিযোগ নতুন সরকারের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী ভারত বলেছেন প্রণয় ভার্মা সহস্রাধিক প্রাণহানির দাবি ইরানে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায়
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

মাদ্রাসার পরীক্ষায় বই দেখে লেখার অভিযোগ কুমিল্লায়

  • ডিজিটাল রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১২:১০:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১৬৬ বার পড়া হয়েছে

কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার একটি মাদ্রাসায় ফাজিল স্নাতক (অনার্স) পরীক্ষায় প্রকাশ্যে বই খুলে উত্তরপত্রে লেখার অভিযোগ উঠেছে। এ সংক্রান্ত ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি তদন্তে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে উপজেলা প্রশাসন।

ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার পিপুলিয়া ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসায়। মঙ্গলবার ওই মাদ্রাসার পরীক্ষাকেন্দ্রের কয়েকটি ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে দেখা যায়—একটি কক্ষে পরীক্ষাকালীন সময়ে প্রায় প্রতিটি পরীক্ষার্থীর সামনে খোলা বই রাখা রয়েছে এবং সেখান থেকে দেখে তারা উত্তরপত্র লিখছেন।

কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুজন চন্দ্র রায় মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনাটি তদন্তে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও উপজেলা আইসিটি কর্মকর্তাকে নিয়ে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মাদ্রাসাটিতে বর্তমানে ফাজিল (অনার্স) প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ বর্ষের পরীক্ষা চলছে। গত রোববার প্রথম ও তৃতীয় বর্ষের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। যে কক্ষের ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে, সেখানে ৪৪ জন পরীক্ষার্থী ছিলেন। তারা সবাই ওই মাদ্রাসার শিক্ষার্থী। নিজ প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষাকেন্দ্র হওয়ায় শিক্ষকদের সহায়তায় পরীক্ষায় বই দেখে লেখার সুযোগ দেওয়া হয়েছে—এমন অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয়রা। এ ছাড়া মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবদুল কুদ্দুসের বিরুদ্ধে অর্থের বিনিময়ে অসদুপায়ের সুযোগ করে দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে।

কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সৈয়দ মো. তৈয়ব হোসেন বলেন, ‘অসদুপায়ে পরীক্ষা নেওয়ার বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। বিষয়টি আমরা তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেব।’

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

ময়মনসিংহে বিভাগীয় পর্যায়ের ‘অদম্য নারী পুরস্কার’ পেলেন নুরুন নাহার আক্তার

মাদ্রাসার পরীক্ষায় বই দেখে লেখার অভিযোগ কুমিল্লায়

আপডেট সময় ১২:১০:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫

কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার একটি মাদ্রাসায় ফাজিল স্নাতক (অনার্স) পরীক্ষায় প্রকাশ্যে বই খুলে উত্তরপত্রে লেখার অভিযোগ উঠেছে। এ সংক্রান্ত ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি তদন্তে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে উপজেলা প্রশাসন।

ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার পিপুলিয়া ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসায়। মঙ্গলবার ওই মাদ্রাসার পরীক্ষাকেন্দ্রের কয়েকটি ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে দেখা যায়—একটি কক্ষে পরীক্ষাকালীন সময়ে প্রায় প্রতিটি পরীক্ষার্থীর সামনে খোলা বই রাখা রয়েছে এবং সেখান থেকে দেখে তারা উত্তরপত্র লিখছেন।

কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুজন চন্দ্র রায় মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনাটি তদন্তে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও উপজেলা আইসিটি কর্মকর্তাকে নিয়ে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মাদ্রাসাটিতে বর্তমানে ফাজিল (অনার্স) প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ বর্ষের পরীক্ষা চলছে। গত রোববার প্রথম ও তৃতীয় বর্ষের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। যে কক্ষের ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে, সেখানে ৪৪ জন পরীক্ষার্থী ছিলেন। তারা সবাই ওই মাদ্রাসার শিক্ষার্থী। নিজ প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষাকেন্দ্র হওয়ায় শিক্ষকদের সহায়তায় পরীক্ষায় বই দেখে লেখার সুযোগ দেওয়া হয়েছে—এমন অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয়রা। এ ছাড়া মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবদুল কুদ্দুসের বিরুদ্ধে অর্থের বিনিময়ে অসদুপায়ের সুযোগ করে দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে।

কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সৈয়দ মো. তৈয়ব হোসেন বলেন, ‘অসদুপায়ে পরীক্ষা নেওয়ার বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। বিষয়টি আমরা তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেব।’