ময়মনসিংহ , বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
আদ্-দ্বীন হাসপাতালের কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব গ্রহণযোগ্য নয় জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জরুরি সহায়তা হিসেবে ১০ হাজার কোটি টাকা ধার চায় ইসলামী ব্যাংক বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় বদ্ধপরিকর শান্তিরক্ষীরা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী ​শামীম ওসমানের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ: আদালতের কাঠগড়ায় ১২ জন সরকার ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্র নীতি পরিচালনা করছে বলে মন্তব্য করেছেন শামা ওবায়েদ সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে ১৭ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা আলোচিত নাসির-তামিমা মামলার রায় আজ, নজরে আদালত ​মার্কিন পঞ্চম নৌবহরে হামলার হুমকি দিলো ইরান, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা তুঙ্গে পূর্বধলায় বিদ্যুৎ বিলের বকেয়া আদায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: ২০৬ সংযোগ বিচ্ছিন্ন সরকারি চাকরিজীবীদের সুখবর: জুনেই নতুন পে-স্কেলের গেজেট, আসছে গ্রেড ও পেনশন সুবিধায় বড় পরিবর্তন
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

মাদ্রাসার পরীক্ষায় বই দেখে লেখার অভিযোগ কুমিল্লায়

  • ডিজিটাল রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১২:১০:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ২৪০ বার পড়া হয়েছে

কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার একটি মাদ্রাসায় ফাজিল স্নাতক (অনার্স) পরীক্ষায় প্রকাশ্যে বই খুলে উত্তরপত্রে লেখার অভিযোগ উঠেছে। এ সংক্রান্ত ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি তদন্তে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে উপজেলা প্রশাসন।

ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার পিপুলিয়া ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসায়। মঙ্গলবার ওই মাদ্রাসার পরীক্ষাকেন্দ্রের কয়েকটি ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে দেখা যায়—একটি কক্ষে পরীক্ষাকালীন সময়ে প্রায় প্রতিটি পরীক্ষার্থীর সামনে খোলা বই রাখা রয়েছে এবং সেখান থেকে দেখে তারা উত্তরপত্র লিখছেন।

কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুজন চন্দ্র রায় মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনাটি তদন্তে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও উপজেলা আইসিটি কর্মকর্তাকে নিয়ে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মাদ্রাসাটিতে বর্তমানে ফাজিল (অনার্স) প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ বর্ষের পরীক্ষা চলছে। গত রোববার প্রথম ও তৃতীয় বর্ষের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। যে কক্ষের ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে, সেখানে ৪৪ জন পরীক্ষার্থী ছিলেন। তারা সবাই ওই মাদ্রাসার শিক্ষার্থী। নিজ প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষাকেন্দ্র হওয়ায় শিক্ষকদের সহায়তায় পরীক্ষায় বই দেখে লেখার সুযোগ দেওয়া হয়েছে—এমন অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয়রা। এ ছাড়া মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবদুল কুদ্দুসের বিরুদ্ধে অর্থের বিনিময়ে অসদুপায়ের সুযোগ করে দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে।

কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সৈয়দ মো. তৈয়ব হোসেন বলেন, ‘অসদুপায়ে পরীক্ষা নেওয়ার বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। বিষয়টি আমরা তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেব।’

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব গ্রহণযোগ্য নয় জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

মাদ্রাসার পরীক্ষায় বই দেখে লেখার অভিযোগ কুমিল্লায়

আপডেট সময় ১২:১০:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫

কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার একটি মাদ্রাসায় ফাজিল স্নাতক (অনার্স) পরীক্ষায় প্রকাশ্যে বই খুলে উত্তরপত্রে লেখার অভিযোগ উঠেছে। এ সংক্রান্ত ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি তদন্তে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে উপজেলা প্রশাসন।

ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার পিপুলিয়া ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসায়। মঙ্গলবার ওই মাদ্রাসার পরীক্ষাকেন্দ্রের কয়েকটি ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে দেখা যায়—একটি কক্ষে পরীক্ষাকালীন সময়ে প্রায় প্রতিটি পরীক্ষার্থীর সামনে খোলা বই রাখা রয়েছে এবং সেখান থেকে দেখে তারা উত্তরপত্র লিখছেন।

কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুজন চন্দ্র রায় মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনাটি তদন্তে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও উপজেলা আইসিটি কর্মকর্তাকে নিয়ে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মাদ্রাসাটিতে বর্তমানে ফাজিল (অনার্স) প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ বর্ষের পরীক্ষা চলছে। গত রোববার প্রথম ও তৃতীয় বর্ষের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। যে কক্ষের ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে, সেখানে ৪৪ জন পরীক্ষার্থী ছিলেন। তারা সবাই ওই মাদ্রাসার শিক্ষার্থী। নিজ প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষাকেন্দ্র হওয়ায় শিক্ষকদের সহায়তায় পরীক্ষায় বই দেখে লেখার সুযোগ দেওয়া হয়েছে—এমন অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয়রা। এ ছাড়া মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবদুল কুদ্দুসের বিরুদ্ধে অর্থের বিনিময়ে অসদুপায়ের সুযোগ করে দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে।

কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সৈয়দ মো. তৈয়ব হোসেন বলেন, ‘অসদুপায়ে পরীক্ষা নেওয়ার বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। বিষয়টি আমরা তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেব।’