ময়মনসিংহ , শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ২২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পাবনা জেলার ফরিদপুরে মরে যাচ্ছে বড়াল নদী, খনন না হলে হারিয়ে যেতে পারে ঐতিহ্য ও জীবিকা ময়মনসিংহ জেলায় ব্র্যাক এর বিভিন্ন কর্মসূচি ও এন্টারপ্রাইজ পরিদর্শন করেন ব্যারিস্টার জাইমা রহমান গৌরীপুরে থাইল্যান্ডের রঙিন বিটরুট চাষে কৃষক আজিজুলের বাজিমাত! নালিতাবাড়ীতে আকস্মিক হাসপাতাল পরিদর্শনে সংসদ সদস্য ফাহিম চৌধুরী ময়মনসিংহে বিভাগীয় পর্যায়ের ‘অদম্য নারী পুরস্কার’ পেলেন নুরুন নাহার আক্তার অফিসে নেই কোনো কর্মকর্তা ,সারপ্রাইজ ভিজিটে ভূমি প্রতিমন্ত্রী রংপুর ডিসি কার্যালয়ের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা অফিসে আসতে ‘লেট’, সরকার রপ্তানি খাতে ২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ছাড় দিলো খামেনির মৃত্যুতে ইরানি শাসনব্যবস্থার পতন ঘটাবে না বলে মন্তব্য করেছেন ফারাহ পাহলভি ইরানিদের ভাগ্য নির্ধারণের অধিকার তাদেরই দিতে হবে বলেছেন ফারাহ পাহলভি
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

সর্বমিত্র চাকমার ভিডিও নিয়ে যা বললেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:০০:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর ২০২৫
  • ১৬৯ বার পড়া হয়েছে

ডাকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য সর্বমিত্র চাকমা আজ একটি ভিডিও আপলোড করেছে। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, একজন বয়স্ক লোক, এক ছেলের মোবাইল কেড়ে নিয়ে দৌড় দিয়েছে। ওই ছেলে দৌড়ে যাচ্ছে একটা বয়স্ক লোককে ধরতে। মাঝপথে দেখা সর্বমিত্রের সঙ্গে।ওই ছাত্র সর্বমিত্রকে দেখে বলছেন, আপনি সর্বমিত্র চাকমা না? ডাকসু সদস্য সর্বমিত্র না?, হ্যাঁ। ছেলেটি বললেন, ভাই এই লোক আমার মোবাইল কেড়ে নিয়েছে। কিছু একটা করেন। সর্বমিত্র চমৎকার করে একটা হাসি দিয়ে বলছেন, মুরব্বী মানুষ যা করেছেন, ভালো করেছেন।সিনিয়র সিটিজেন। তাদের সম্মান জানানো উচিত। কিন্তু আমার মোবাইল, আমার মোবাইল নিয়ে গেছে ভাইয়া? সর্বমিত্র বলছেন, আরে মুরব্বী মানুষ… সিনিয়র সিটিজেন। তাদের সম্মান জানানো উচিত। কিন্তু আমার মোবাইল, আমার মোবাইল নিয়ে গেছে ভাইয়া? সর্বমিত্র বলছেন, আরে মুরব্বী মানুষ…

কিন্তু পারলাম নাহ! ভাই, এটা কী ছিল?

সর্বমিত্র চাকমার এই ভিডিওটি নতুন করে আলোচনার জন্ম দিচ্ছে, পাওয়া যাচ্ছে পক্ষে-বিপক্ষে নানা ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ও সংলগ্ন এলাকায় দুই সপ্তাহ ধরে উচ্ছেদ অভিযান চালাচ্ছেন ছাত্রশিবিরের নেতৃত্বাধীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) নেতারা। ‘অবৈধ’ দোকান, উদ্বাস্তু, ভবঘুরে ও নেশাগ্রস্তদের উচ্ছেদ করছেন তারা। এ সময় মারধর, হেনস্তা, ব্যক্তিগত গোপনীয় লঙ্ঘন করার অভিযোগও রয়েছে। সেসব নিয়ে শুরুর দিন থেকেই আলোচনা-সমালোচনা চলছে।মানবিক দিকের পাশাপাশি অভিযানের এখতিয়ার নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।শুরুতে ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক এবি জুয়ায়েরকে এতে নেতৃত্ব দিতে দেখা যায়। কয়েক দিন পর সক্রিয়ভাবে উচ্ছেদ অভিযানে দেখা যায় সদস্য সর্বমিত্র চাকমাকে। জুবায়েরকে আর সেভাবে দেখা যায়নি। বিতর্কের কেন্দ্রে চলে আসেন সর্বমিত্র। সর্বশেষ গত মঙ্গলবার রাতে লাঠি হাতে এক বৃদ্ধকে শাসানোর ঘটনায় তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন তিনি।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পাবনা জেলার ফরিদপুরে মরে যাচ্ছে বড়াল নদী, খনন না হলে হারিয়ে যেতে পারে ঐতিহ্য ও জীবিকা

সর্বমিত্র চাকমার ভিডিও নিয়ে যা বললেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

আপডেট সময় ০৩:০০:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর ২০২৫

ডাকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য সর্বমিত্র চাকমা আজ একটি ভিডিও আপলোড করেছে। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, একজন বয়স্ক লোক, এক ছেলের মোবাইল কেড়ে নিয়ে দৌড় দিয়েছে। ওই ছেলে দৌড়ে যাচ্ছে একটা বয়স্ক লোককে ধরতে। মাঝপথে দেখা সর্বমিত্রের সঙ্গে।ওই ছাত্র সর্বমিত্রকে দেখে বলছেন, আপনি সর্বমিত্র চাকমা না? ডাকসু সদস্য সর্বমিত্র না?, হ্যাঁ। ছেলেটি বললেন, ভাই এই লোক আমার মোবাইল কেড়ে নিয়েছে। কিছু একটা করেন। সর্বমিত্র চমৎকার করে একটা হাসি দিয়ে বলছেন, মুরব্বী মানুষ যা করেছেন, ভালো করেছেন।সিনিয়র সিটিজেন। তাদের সম্মান জানানো উচিত। কিন্তু আমার মোবাইল, আমার মোবাইল নিয়ে গেছে ভাইয়া? সর্বমিত্র বলছেন, আরে মুরব্বী মানুষ… সিনিয়র সিটিজেন। তাদের সম্মান জানানো উচিত। কিন্তু আমার মোবাইল, আমার মোবাইল নিয়ে গেছে ভাইয়া? সর্বমিত্র বলছেন, আরে মুরব্বী মানুষ…

কিন্তু পারলাম নাহ! ভাই, এটা কী ছিল?

সর্বমিত্র চাকমার এই ভিডিওটি নতুন করে আলোচনার জন্ম দিচ্ছে, পাওয়া যাচ্ছে পক্ষে-বিপক্ষে নানা ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ও সংলগ্ন এলাকায় দুই সপ্তাহ ধরে উচ্ছেদ অভিযান চালাচ্ছেন ছাত্রশিবিরের নেতৃত্বাধীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) নেতারা। ‘অবৈধ’ দোকান, উদ্বাস্তু, ভবঘুরে ও নেশাগ্রস্তদের উচ্ছেদ করছেন তারা। এ সময় মারধর, হেনস্তা, ব্যক্তিগত গোপনীয় লঙ্ঘন করার অভিযোগও রয়েছে। সেসব নিয়ে শুরুর দিন থেকেই আলোচনা-সমালোচনা চলছে।মানবিক দিকের পাশাপাশি অভিযানের এখতিয়ার নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।শুরুতে ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক এবি জুয়ায়েরকে এতে নেতৃত্ব দিতে দেখা যায়। কয়েক দিন পর সক্রিয়ভাবে উচ্ছেদ অভিযানে দেখা যায় সদস্য সর্বমিত্র চাকমাকে। জুবায়েরকে আর সেভাবে দেখা যায়নি। বিতর্কের কেন্দ্রে চলে আসেন সর্বমিত্র। সর্বশেষ গত মঙ্গলবার রাতে লাঠি হাতে এক বৃদ্ধকে শাসানোর ঘটনায় তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন তিনি।