ময়মনসিংহ , সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে ১২ জেলায় ঝড়ের পূর্বাভাস, নৌযান চলাচলে সতর্কবার্তা সীমান্ত হত্যা নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য ‘জাতির জন্য লজ্জার’ বলেছেন নাহিদ ইসলাম রামিসা হত্যা: ফাঁসির দড়িতে সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার ময়মনসিংহের গৌরীপুরে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু, গ্রামে শোকের ছায়া ​রামিসা হত্যা: জবানবন্দিতে উঠে এল নির্যাতনের লোমহর্ষক বর্ণনা এত প্রকল্প হয়, বুড়িগঙ্গাকে দূষণমুক্ত করার প্রকল্প হয় না বলেছেন ফখরুল এনসিপিকে জামায়াতের আরেকটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে দাঁড় করানো হচ্ছে বললেন রাশেদ খাঁন সংবিধান সংস্কার যা হওয়ার হয়ে গেছে, এখন কেবল সংশোধন হবে জানিয়েছেন চিফ হুইপ ধোবাউড়ায় বালুভর্তি ট্রাকসহ কংস নদের বেইলি ব্রিজ ধস, সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন জনভোগান্তি দূর করতে স্বেচ্ছাশ্রমে সড়ক সংস্কার করল পূর্বধলা বিএনপি
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

​সাফল্যের সাথে পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম আন্তঃমহাদেশীয় মিসাইল পরীক্ষা করল ভারত

  • ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:১৩:৪৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬
  • ৩৯ বার পড়া হয়েছে

পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম অত্যাধুনিক আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের (আইসিবিএম) সফল পরীক্ষা সম্পন্ন করেছে ভারত। শুক্রবার (৮ মে) সন্ধ্যায় ওডিশা উপকূলে দেশটির প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা (ডিআরডিও) এই উৎক্ষেপণ কার্যক্রম পরিচালনা করে।

ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই পরীক্ষার মাধ্যমে দেশটি নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি ‘মডুলার রেঞ্জ এক্সটেনশন কিট’ বা ‘ট্যাকটিক্যাল অ্যাডভান্সড রেঞ্জ অগমেন্টেশন’ (টিএআরএ) সিস্টেমের প্রথম সফল ফ্লাইট ট্রায়াল সম্পন্ন করল। এই প্রযুক্তিটি সাধারণ বোমাকে অত্যন্ত নিখুঁত ও লক্ষ্যভেদী অস্ত্রে রূপান্তর করতে সক্ষম।

বর্তমানে কেবল যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন এবং উত্তর কোরিয়ার মতো দেশগুলোর কাছে ১২ হাজার কিলোমিটারের বেশি পাল্লার আইসিবিএম প্রযুক্তি রয়েছে। ভারত এই প্রযুক্তিতে পূর্ণ সফলতা পেলে বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত এখন দেশটির ক্ষেপণাস্ত্রের আওতায় চলে আসবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।

সেখানে দাবি করা হয়, ১০ হাজার কিলোমিটারের বেশি পাল্লা এবং এমআইআরভি প্রযুক্তিসহ অগ্নি-৬ ভারতের নিরাপত্তাকে দুর্ভেদ্য করবে এবং দেশটিকে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী দেশগুলোর কাতারে নিয়ে যাবে। এই সফলতার মাধ্যমে ভারত মূলত উন্নত অস্ত্র সক্ষমতাসম্পন্ন দেশগুলোর এলিট ক্লাবে নিজেদের অবস্থান আরও দৃঢ় করল।

ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তিতে এই অগ্রগতির অর্থ হলো অত্যন্ত জটিল রকেট প্রপালশন, গাইডেন্স সিস্টেম এবং বায়ুমণ্ডলে পুনরায় প্রবেশের প্রযুক্তিতে ভারতের বিশেষ দক্ষতা অর্জন। এটি মূলত পারমাণবিক হামলার পাল্টা জবাব দেওয়ার সক্ষমতা নিশ্চিত করে, যা অন্য কোনো শক্তিকে আগে আক্রমণ করা থেকে বিরত রাখে।

বর্তমানে রাশিয়ার ‘আরএস-২৮ সারমাট’ এবং চীনের ‘ডিএফ-৪১’ এর মতো ক্ষেপণাস্ত্রগুলো বিশ্বের শীর্ষ পাল্লার অস্ত্র হিসেবে পরিচিত। ভারত বিশেষ ‘গ্লাইড ওয়েপন’ প্রযুক্তি উদ্ভাবনের মাধ্যমে সাধারণ যুদ্ধাস্ত্রকে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যভেদী অস্ত্রে রূপান্তর করার যে সক্ষমতা দেখিয়েছে, তা দেশটির সামরিক শক্তিতে এক নতুন মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে ১২ জেলায় ঝড়ের পূর্বাভাস, নৌযান চলাচলে সতর্কবার্তা

​সাফল্যের সাথে পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম আন্তঃমহাদেশীয় মিসাইল পরীক্ষা করল ভারত

আপডেট সময় ১০:১৩:৪৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬

পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম অত্যাধুনিক আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের (আইসিবিএম) সফল পরীক্ষা সম্পন্ন করেছে ভারত। শুক্রবার (৮ মে) সন্ধ্যায় ওডিশা উপকূলে দেশটির প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা (ডিআরডিও) এই উৎক্ষেপণ কার্যক্রম পরিচালনা করে।

ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই পরীক্ষার মাধ্যমে দেশটি নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি ‘মডুলার রেঞ্জ এক্সটেনশন কিট’ বা ‘ট্যাকটিক্যাল অ্যাডভান্সড রেঞ্জ অগমেন্টেশন’ (টিএআরএ) সিস্টেমের প্রথম সফল ফ্লাইট ট্রায়াল সম্পন্ন করল। এই প্রযুক্তিটি সাধারণ বোমাকে অত্যন্ত নিখুঁত ও লক্ষ্যভেদী অস্ত্রে রূপান্তর করতে সক্ষম।

বর্তমানে কেবল যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন এবং উত্তর কোরিয়ার মতো দেশগুলোর কাছে ১২ হাজার কিলোমিটারের বেশি পাল্লার আইসিবিএম প্রযুক্তি রয়েছে। ভারত এই প্রযুক্তিতে পূর্ণ সফলতা পেলে বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত এখন দেশটির ক্ষেপণাস্ত্রের আওতায় চলে আসবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।

সেখানে দাবি করা হয়, ১০ হাজার কিলোমিটারের বেশি পাল্লা এবং এমআইআরভি প্রযুক্তিসহ অগ্নি-৬ ভারতের নিরাপত্তাকে দুর্ভেদ্য করবে এবং দেশটিকে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী দেশগুলোর কাতারে নিয়ে যাবে। এই সফলতার মাধ্যমে ভারত মূলত উন্নত অস্ত্র সক্ষমতাসম্পন্ন দেশগুলোর এলিট ক্লাবে নিজেদের অবস্থান আরও দৃঢ় করল।

ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তিতে এই অগ্রগতির অর্থ হলো অত্যন্ত জটিল রকেট প্রপালশন, গাইডেন্স সিস্টেম এবং বায়ুমণ্ডলে পুনরায় প্রবেশের প্রযুক্তিতে ভারতের বিশেষ দক্ষতা অর্জন। এটি মূলত পারমাণবিক হামলার পাল্টা জবাব দেওয়ার সক্ষমতা নিশ্চিত করে, যা অন্য কোনো শক্তিকে আগে আক্রমণ করা থেকে বিরত রাখে।

বর্তমানে রাশিয়ার ‘আরএস-২৮ সারমাট’ এবং চীনের ‘ডিএফ-৪১’ এর মতো ক্ষেপণাস্ত্রগুলো বিশ্বের শীর্ষ পাল্লার অস্ত্র হিসেবে পরিচিত। ভারত বিশেষ ‘গ্লাইড ওয়েপন’ প্রযুক্তি উদ্ভাবনের মাধ্যমে সাধারণ যুদ্ধাস্ত্রকে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যভেদী অস্ত্রে রূপান্তর করার যে সক্ষমতা দেখিয়েছে, তা দেশটির সামরিক শক্তিতে এক নতুন মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।