ময়মনসিংহ , শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পরিচয় অনুসন্ধান নাকি পাসপোর্ট জালিয়াতি? নেত্রকোণায় আটক রোহিঙ্গা যুবককে ঘিরে ঘনীভূত রহস্য পূর্বধলায় কৃষি প্রণোদনা তালিকায় অনিয়মের অভিযোগে ঘাগড়া চৌরাস্তায় সংবাদ সম্মেলন ​লোহালিয়া নদীর ওপর ৯ম মৈত্রী সেতু নির্মাণে বাংলাদেশ ও চীনের চুক্তি রামিসা হত্যা মামলা: বিচার চেয়ে রোববার শুনানি করবেন অ্যাটর্নি জেনারেল ​আসছে নবম পে-স্কেল: ১ জুলাই থেকে কার্যকর হচ্ছে নতুন বেতন কাঠামো ​হঠাৎ জার্সি বদলের চাপে হাইতি: ৫২ বছর পর বিশ্বকাপে এসেই সংকটে দলটি গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে একই পরিবারের ৪ জনসহ দগ্ধ, ৫ ফুটবল বিশ্বকাপ: স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী জাতির প্রত্যাশা পূরণের লক্ষেই এবারের বাজেট প্রণয়ন জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেসি পাবনার উদ্যোগে পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেসি কনফারেন্স অনুষ্ঠিত
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক

  • স্টাফ রির্পোটার
  • আপডেট সময় ১১:২৮:৪৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ এপ্রিল ২০২৫
  • ১৪৯ বার পড়া হয়েছে

সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। সোমবার (২১ এপ্রিল) সকালে তার একান্ত সহকারী আইনজীবী শিশির মনির গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘স্যার গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় চিকিৎসাধীন। সবাই তার জন্য দোয়া করবেন।’

গত বছরের ২৬ ডিসেম্বর দীর্ঘ ১১ বছর পর যুক্তরাজ্য থেকে দেশে ফেরেন এই জ্যেষ্ঠ আইনজীবী। দেশে ফিরে আবারও সক্রিয়ভাবে আইন পেশায় যুক্ত হন। এরপর ৬ জানুয়ারি তার জুনিয়ররা সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে তাকে সংবর্ধনা দেন।

যুক্তরাজ্যে অবস্থানকালে, ২০১৯ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে জামায়াত থেকে পদত্যাগ করেন। দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান তখন এক বিবৃতিতে বলেন, ‘তার পদত্যাগে আমরা মর্মাহত হলেও, এটি তার ব্যক্তিগত অধিকার। আমরা তার সুস্বাস্থ্য ও মঙ্গল কামনা করি।’

দেশে ফিরে রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান, ‘আমি একজন কোর্ট রুম ব্যারিস্টার। আমি আইন পেশায় থেকেই দেশের জন্য কাজ করতে চাই। দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে পারলে রাজনীতি ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন দুটোই সম্ভব হবে।’

সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার মাথিউরা ইউনিয়নের শেখলাল গ্রামে জন্মগ্রহণকারী ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক ১৯৮০ সালে যুক্তরাজ্যের লিংকনস ইন থেকে ব্যারিস্টারি ডিগ্রি অর্জন করেন। সেখানেই তিনি ১৯৮৫ সাল পর্যন্ত আইন পেশায় নিয়োজিত ছিলেন। দেশে ফিরে ১৯৮৬ সালে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। এরপর ১৯৯৪ সালে আপিল বিভাগের আইনজীবী এবং ২০০২ সালে সিনিয়র অ্যাডভোকেট হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেন। ১৯৯০ সালে তিনি ‘দ্য ল’ কাউন্সেল’ নামে একটি আইনি প্রতিষ্ঠানও গঠন করেন।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পরিচয় অনুসন্ধান নাকি পাসপোর্ট জালিয়াতি? নেত্রকোণায় আটক রোহিঙ্গা যুবককে ঘিরে ঘনীভূত রহস্য

অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক

আপডেট সময় ১১:২৮:৪৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ এপ্রিল ২০২৫

সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। সোমবার (২১ এপ্রিল) সকালে তার একান্ত সহকারী আইনজীবী শিশির মনির গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘স্যার গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় চিকিৎসাধীন। সবাই তার জন্য দোয়া করবেন।’

গত বছরের ২৬ ডিসেম্বর দীর্ঘ ১১ বছর পর যুক্তরাজ্য থেকে দেশে ফেরেন এই জ্যেষ্ঠ আইনজীবী। দেশে ফিরে আবারও সক্রিয়ভাবে আইন পেশায় যুক্ত হন। এরপর ৬ জানুয়ারি তার জুনিয়ররা সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে তাকে সংবর্ধনা দেন।

যুক্তরাজ্যে অবস্থানকালে, ২০১৯ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে জামায়াত থেকে পদত্যাগ করেন। দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান তখন এক বিবৃতিতে বলেন, ‘তার পদত্যাগে আমরা মর্মাহত হলেও, এটি তার ব্যক্তিগত অধিকার। আমরা তার সুস্বাস্থ্য ও মঙ্গল কামনা করি।’

দেশে ফিরে রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান, ‘আমি একজন কোর্ট রুম ব্যারিস্টার। আমি আইন পেশায় থেকেই দেশের জন্য কাজ করতে চাই। দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে পারলে রাজনীতি ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন দুটোই সম্ভব হবে।’

সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার মাথিউরা ইউনিয়নের শেখলাল গ্রামে জন্মগ্রহণকারী ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক ১৯৮০ সালে যুক্তরাজ্যের লিংকনস ইন থেকে ব্যারিস্টারি ডিগ্রি অর্জন করেন। সেখানেই তিনি ১৯৮৫ সাল পর্যন্ত আইন পেশায় নিয়োজিত ছিলেন। দেশে ফিরে ১৯৮৬ সালে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। এরপর ১৯৯৪ সালে আপিল বিভাগের আইনজীবী এবং ২০০২ সালে সিনিয়র অ্যাডভোকেট হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেন। ১৯৯০ সালে তিনি ‘দ্য ল’ কাউন্সেল’ নামে একটি আইনি প্রতিষ্ঠানও গঠন করেন।