ময়মনসিংহ , বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
জুলাই থেকে প্রাথমিকের শিক্ষার্থীরা পাচ্ছে সরকারি স্কুল ব্যাগ ও ড্রেস কুষ্টিয়ার ৩ আসনের এমপি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা নেত্রকোনার কলমাকান্দা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে দলীয় ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ ​৭ নভেম্বরের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পুনরুদ্ধার: দেশজুড়ে পালনের বিশেষ পরিপত্র দৃষ্টিহীনতা দমাতে পারেনি অদম্য শরীফকে: শ্রুতিলিখকের সহায়তায় লড়ছেন এসএসসিতে ময়মনসিংহে শিশুদের সাধারণ শ্বাসকষ্ট সংক্রান্ত সাম্প্রতিক আপডেট বিষয়ে বিভাগীয় সিএমই প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত গৌরীপুরে চুরির ঘটনা বেড়েছে, আতঙ্কে এলাকাবাসী ! তৃতীয় স্তরে নেমে গেল হামজা চৌধুরীর লেস্টার সিটি “যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক সহায়তা বন্ধের আশঙ্কায় ইসরায়েল” ২ গোলে পিছিয়ে থেকেও অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন, নাটকীয় জয়ে ফাইনালে ইন্টার মিলান
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

আইনজীবী সনদ হারালেন আলোচিত মাসদার হোসেন

মক্কেলের সোয়া কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে আলোচিত সাবেক জেলা ও দায়রা জজ মাসদার হোসেনের ‘আইনজীবী সনদ’ সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল। একইসঙ্গে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে সংস্থাটি।

গত বুধবার (১৫ এপ্রিল) বার কাউন্সিলের সভায় সর্বসম্মতিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সংস্থাটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তির ভাষ্য, অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতাসহ পেশাগত নৈতিকতার প্রশ্ন বিবেচনায় নিয়ে বার কাউন্সিল সভা সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে এ ব্যাপারে মাসদার হোসেনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য প্রাথমিক উপাদান রয়েছে। তাই সাময়িকভাবে তার সনদ স্থগিত করা হলো। তবে তার সনদ কেন স্থায়ীভাবে বাতিল করা হবে না, সে বিষয়ে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে কারণ দর্শানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সে পর্যন্ত তার সনদ সাময়িকভাবে স্থগিত থাকবে।

এর আগ পর্যন্ত বিচার বিভাগ পৃথককরণ মামলার বাদী হিসেবে সুপরিচিত মাসদার হোসেন এখন আইনজীবী হিসেবে প্র্যাকটিস করেন উচ্চ আদালতে। সেই সুবাদে এক মক্কেলের কাছ থেকে ১ কোটি ২০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। বিনিময়ে তিনি তার মক্কেলের কোনো কাজ করেননি। ফলে ভুক্তভোগী ওই বিচারপ্রার্থীকে আরও ৪২ লাখ টাকার বেশি খেসারত গুনতে হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট ওই ভুক্তভোগীর পক্ষে এসব অভিযোগ লিখিতভাবে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির কাছে জমা দেওয়া হয়। ভুক্তভোগী ক্ষতিপূরণসহ টাকা ফেরত চেয়েছেন।

মাসদার হোসেন বিচার বিভাগের স্বাধীনতার জন্য দীর্ঘদিন লড়াই করেছেন। ১৯৯৫ সালে তিনি বিসিএস বিচার অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব ছিলেন। তখন নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথক্‌করণ–সংক্রান্ত মামলাটি তিনি ও তার সহকর্মী বিচারকেরা দায়ের করেছিলেন। যেটি ‘মাসদার হোসেন মামলা’ নামে পরিচিতি পায়।

তবে বর্তমানে তিনি উচ্চ আদালতে আইনজীবী হিসেবে প্র্যাকটিস করছিলেন। পাশাপাশি অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে তিনি বিচার বিভাগীয় সংস্কার কমিশনের সদস্য হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাই থেকে প্রাথমিকের শিক্ষার্থীরা পাচ্ছে সরকারি স্কুল ব্যাগ ও ড্রেস

আইনজীবী সনদ হারালেন আলোচিত মাসদার হোসেন

আপডেট সময় ০১:০৫:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

মক্কেলের সোয়া কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে আলোচিত সাবেক জেলা ও দায়রা জজ মাসদার হোসেনের ‘আইনজীবী সনদ’ সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল। একইসঙ্গে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে সংস্থাটি।

গত বুধবার (১৫ এপ্রিল) বার কাউন্সিলের সভায় সর্বসম্মতিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সংস্থাটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তির ভাষ্য, অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতাসহ পেশাগত নৈতিকতার প্রশ্ন বিবেচনায় নিয়ে বার কাউন্সিল সভা সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে এ ব্যাপারে মাসদার হোসেনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য প্রাথমিক উপাদান রয়েছে। তাই সাময়িকভাবে তার সনদ স্থগিত করা হলো। তবে তার সনদ কেন স্থায়ীভাবে বাতিল করা হবে না, সে বিষয়ে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে কারণ দর্শানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সে পর্যন্ত তার সনদ সাময়িকভাবে স্থগিত থাকবে।

এর আগ পর্যন্ত বিচার বিভাগ পৃথককরণ মামলার বাদী হিসেবে সুপরিচিত মাসদার হোসেন এখন আইনজীবী হিসেবে প্র্যাকটিস করেন উচ্চ আদালতে। সেই সুবাদে এক মক্কেলের কাছ থেকে ১ কোটি ২০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। বিনিময়ে তিনি তার মক্কেলের কোনো কাজ করেননি। ফলে ভুক্তভোগী ওই বিচারপ্রার্থীকে আরও ৪২ লাখ টাকার বেশি খেসারত গুনতে হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট ওই ভুক্তভোগীর পক্ষে এসব অভিযোগ লিখিতভাবে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির কাছে জমা দেওয়া হয়। ভুক্তভোগী ক্ষতিপূরণসহ টাকা ফেরত চেয়েছেন।

মাসদার হোসেন বিচার বিভাগের স্বাধীনতার জন্য দীর্ঘদিন লড়াই করেছেন। ১৯৯৫ সালে তিনি বিসিএস বিচার অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব ছিলেন। তখন নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথক্‌করণ–সংক্রান্ত মামলাটি তিনি ও তার সহকর্মী বিচারকেরা দায়ের করেছিলেন। যেটি ‘মাসদার হোসেন মামলা’ নামে পরিচিতি পায়।

তবে বর্তমানে তিনি উচ্চ আদালতে আইনজীবী হিসেবে প্র্যাকটিস করছিলেন। পাশাপাশি অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে তিনি বিচার বিভাগীয় সংস্কার কমিশনের সদস্য হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন।