ময়মনসিংহ , শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
২০ বছরে একটি জেনারেশন নষ্ট হয়েছে বলেছেন বিএমইউ উপাচার্য ৫ আগস্টের পরে তিনবার আমাদের বাড়ি ভাঙার চেষ্টা করা হয় বললেন ইমি বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষের মেধার স্বীকৃতি: তাঁদের তৈরি বাহনে চড়লেন প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য লন্ডন গেলেন সরকার গণভোটের রায় নিয়ে প্রতারণা করছে বলেছেন গোলাম পরওয়ার আনন্দ বাজারে ফুটব্রীজ ভেঙে প্রশস্ত ব্রীজ নির্মাণের দাবীতে মানববন্ধন ময়মনসিংহের গৌরীপুর থানার নবাগত ওসির সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময় অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্রে হত্যাকাণ্ডের শিকার শিক্ষার্থী বৃষ্টির মরদেহ দেশে পৌঁছেছে ​চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযান ১ কেজি গাঁজাসহ দুই নারী গ্রেফতার নেত্রকোনা পূর্বধলা বিশেষ অভিযানে ৩৮ বোতল ভারতীয় মদ সহ গ্রেফতার ১
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

আনন্দ বাজারে ফুটব্রীজ ভেঙে প্রশস্ত ব্রীজ নির্মাণের দাবীতে মানববন্ধন

যানজট নিরসনে আনন্দ বাজার সংলগ্ন মগড়া নদীর উপর ঝুঁকি পূর্ণ ফুটব্রীজটি ভেঙ্গে সেখানে প্রশস্ত ব্রীজ নির্মাণ এর দাবী নেত্রকোনায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ শনিবার সকাল ১১টায় আনন্দ বাজার মোড়ে বেসরকারী স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘জনউদ্যোগ’ এই মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করে।

মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন জেলা জনউদ্যোগ এর আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা হায়দার জাহান চৌধুরী, জনউদ্যোগ এর ফেলো প্রবীন সাংবাদিক শ্যামলেন্দু পাল, শিকড় উন্নয়ন কর্মসূচির সভাপতি আ ফ ম রফিকুল ইসলাম আপেল, সাংবাদিক এ কে এম আব্দুল্লাহ, সাংবাদিক সুজাদুল ইসলাম ফারাস, পৌর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ সানাউল্লাহ, সাইফুল ইসলাম বাবলু, এনামুল হক, আব্দুর রহমান ও নাজমুল হোসেন প্রমূখ।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, নেত্রকোনা জেলা শহর মূলত এক রাস্তার শহর। সাতপাই এলাকাবাসীর সাথে আনন্দ বাজার ও হোসেনপুর আন্তঃ জেলা বাসস্ট্যান্ডে সহজে যাতায়াতের জন্য মগড়া নদীর উপর ৯৩ সালে একটি ফুটব্রীজ নির্মাণ করা হয়।

বর্তমানে জেলা শহর দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে। সেই সাথে জেলা শহরে জনসংখ্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি যানবাহনে সংখ্যা উল্লেখযোগ্য ভাবে বাড়ছে। এতে জেলা শহরের একমাত্র সড়কের উপর যেমন চাপ পড়ছে, তেমনি জেলা শহর যানজটের শহরে পরিনত হয়েছে। দীর্ঘ যানজটের ফলে কর্মঘণ্টা নষ্ট হচ্ছে। বর্তমানে আনন্দ বাজার ফুটব্রীজটির অবস্থা অত্যন্ত জরাজীর্ণ। যে কোন সময় ফুটব্রীজটি ভেঙ্গে বড় ধরনের দূর্ঘটনা ঘটতে পারে।

মানববন্ধনে বক্তারা অবিলম্বে আনন্দ বাজার সংলগ্ন মগড়া নদীর উপর ঝুঁকি পূর্ণ ফুটব্রীজটি ভেঙ্গে সেখানে অবিলম্বে প্রশস্ত ব্রীজ নির্মাণ করার জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবী জানান।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

২০ বছরে একটি জেনারেশন নষ্ট হয়েছে বলেছেন বিএমইউ উপাচার্য

আনন্দ বাজারে ফুটব্রীজ ভেঙে প্রশস্ত ব্রীজ নির্মাণের দাবীতে মানববন্ধন

আপডেট সময় ০১:০৫:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬

যানজট নিরসনে আনন্দ বাজার সংলগ্ন মগড়া নদীর উপর ঝুঁকি পূর্ণ ফুটব্রীজটি ভেঙ্গে সেখানে প্রশস্ত ব্রীজ নির্মাণ এর দাবী নেত্রকোনায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ শনিবার সকাল ১১টায় আনন্দ বাজার মোড়ে বেসরকারী স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘জনউদ্যোগ’ এই মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করে।

মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন জেলা জনউদ্যোগ এর আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা হায়দার জাহান চৌধুরী, জনউদ্যোগ এর ফেলো প্রবীন সাংবাদিক শ্যামলেন্দু পাল, শিকড় উন্নয়ন কর্মসূচির সভাপতি আ ফ ম রফিকুল ইসলাম আপেল, সাংবাদিক এ কে এম আব্দুল্লাহ, সাংবাদিক সুজাদুল ইসলাম ফারাস, পৌর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ সানাউল্লাহ, সাইফুল ইসলাম বাবলু, এনামুল হক, আব্দুর রহমান ও নাজমুল হোসেন প্রমূখ।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, নেত্রকোনা জেলা শহর মূলত এক রাস্তার শহর। সাতপাই এলাকাবাসীর সাথে আনন্দ বাজার ও হোসেনপুর আন্তঃ জেলা বাসস্ট্যান্ডে সহজে যাতায়াতের জন্য মগড়া নদীর উপর ৯৩ সালে একটি ফুটব্রীজ নির্মাণ করা হয়।

বর্তমানে জেলা শহর দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে। সেই সাথে জেলা শহরে জনসংখ্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি যানবাহনে সংখ্যা উল্লেখযোগ্য ভাবে বাড়ছে। এতে জেলা শহরের একমাত্র সড়কের উপর যেমন চাপ পড়ছে, তেমনি জেলা শহর যানজটের শহরে পরিনত হয়েছে। দীর্ঘ যানজটের ফলে কর্মঘণ্টা নষ্ট হচ্ছে। বর্তমানে আনন্দ বাজার ফুটব্রীজটির অবস্থা অত্যন্ত জরাজীর্ণ। যে কোন সময় ফুটব্রীজটি ভেঙ্গে বড় ধরনের দূর্ঘটনা ঘটতে পারে।

মানববন্ধনে বক্তারা অবিলম্বে আনন্দ বাজার সংলগ্ন মগড়া নদীর উপর ঝুঁকি পূর্ণ ফুটব্রীজটি ভেঙ্গে সেখানে অবিলম্বে প্রশস্ত ব্রীজ নির্মাণ করার জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবী জানান।