ময়মনসিংহ , বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বর্ণিল সাজে বারোমারী তীর্থস্থান, ফাতেমা রাণীর তীর্থোৎসব ঘিরে আনন্দের বন্যা বিদ্যুৎ খাতে লুটপাট করতেই দায়মুক্তি আইন পাস করেছিল আওয়ামী লীগ বললেন রিজভী পাঁচজন সাংবাদিকের হত্যাকাণ্ড, বিচারের দাবিতে ঐক্যবদ্ধ হচ্ছেন ময়মনসিংহের সাংবাদিকবৃন্দ বারোমারী মিশনে ফাতেমা রাণীর তীর্থোৎসবের প্রস্তুতি পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক ময়মনসিংহ পুলিশ লাইন্সের আরআই তারা মিয়ার বদলিজনিত বিদায় সংবর্ধনা কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে বাড়ির পাশের জমে থাকা পানিতে ডুবে হুমাইশা আক্তার (২) নামের এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে দিনাজপুরে রাস্তার জমি ও পারিশ্রমিক নিয়ে বিরোধ: প্রধান শিক্ষককে পিটিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার ২ সততা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার অঙ্গীকার পূর্বধলায় শিক্ষক-কর্মচারী ক্রেডিট ইউনিয়নের নির্বাচনে সমর্থন চায় রূপন-নিলয়-মোশারফ পরিষদ রাজশাহীতে প্রথম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপের উদ্বোধন নারায়ণগঞ্জে সিলিন্ডার বিস্ফোরণে একই পরিবারের চারজন নিহত, পরিবারকে ৮০ হাজার টাকা সহায়তা দিল পূর্বধলা প্রশাসন
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

আবার ভূমিকম্প ৭ দিনের মাথায়, দেশের ভেতরেই উৎপত্তিস্থল

  • ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:৪১:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ২১৪ বার পড়া হয়েছে

সাত দিনের ব্যবধানে আবার বাংলাদেশে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১২টার পর অনুভূত হওয়া এই ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল সিলেটের ছাতকে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৪। এর আগে গত ১৪ সেপ্টেম্বর রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছিল, যার উৎপত্তিস্থল ছিল ভারতের আসাম রাজ্যে এবং মাত্রা ছিল ৫.৯। 

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রুবাইয়াত কবীর এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, এটি একটি স্বল্প মাত্রার ভূমিকম্প হলেও এর উৎপত্তিস্থল বাংলাদেশের সিলেটের ছাতকেই। আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ভূমিকম্পটি ঢাকা থেকে ১৮৫ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে অনুভূত হয়।

ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক সৈয়দ হুমায়ুন আখতার গণমাধ্যমকে বলেন, বাংলাদেশের ভূমিকম্পের দুটি উৎস আছে—একটি উত্তরের দিকে এবং আরেকটি পূর্ব দিকে। এর মধ্যে উত্তরের ডাউকি ফল্ট বাংলাদেশের জন্য খুবই ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা। তাই আজকের স্বল্প মাত্রার ভূমিকম্প একটি সতর্ক সংকেত দিচ্ছে।

ঐতিহাসিক তথ্য অনুযায়ী, এই ডাউকি ফল্টে ১৭৮৭ সালের এক ভূমিকম্পে ব্রহ্মপুত্রের গতিপথ পরিবর্তন হয়ে গিয়েছিল। এরপর ১১০ বছর পর ১৮৯৭ সালে ‘গ্রেট ইন্ডিয়া আর্থকোয়েক’ নামে পরিচিত একটি ভূমিকম্পও এখানেই হয়েছিল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের সাবেক অধ্যাপক হুমায়ুন আখতার জানান, সেই ভূমিকম্পের মাত্রা রিখটার স্কেলে ছিল ৮.২। এর ফলে শুধু আসাম ও মেঘালয় নয়, ঢাকা শহরও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল এবং ঢাকায় পাঁচজন নিহত হয়েছিলেন। ঐতিহাসিক তথ্যে আরও জানা যায়, সেই সময়ে ঢাকায় থাকা ইংরেজ কর্মকর্তারা ভূমিকম্পের পরের কয়েক মাস রমনায় তাঁবু করে থাকতেন এবং কেউ কেউ বুড়িগঙ্গায় বজরায় বাস করতেন।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বর্ণিল সাজে বারোমারী তীর্থস্থান, ফাতেমা রাণীর তীর্থোৎসব ঘিরে আনন্দের বন্যা

আবার ভূমিকম্প ৭ দিনের মাথায়, দেশের ভেতরেই উৎপত্তিস্থল

আপডেট সময় ০১:৪১:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

সাত দিনের ব্যবধানে আবার বাংলাদেশে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১২টার পর অনুভূত হওয়া এই ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল সিলেটের ছাতকে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৪। এর আগে গত ১৪ সেপ্টেম্বর রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছিল, যার উৎপত্তিস্থল ছিল ভারতের আসাম রাজ্যে এবং মাত্রা ছিল ৫.৯। 

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রুবাইয়াত কবীর এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, এটি একটি স্বল্প মাত্রার ভূমিকম্প হলেও এর উৎপত্তিস্থল বাংলাদেশের সিলেটের ছাতকেই। আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ভূমিকম্পটি ঢাকা থেকে ১৮৫ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে অনুভূত হয়।

ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক সৈয়দ হুমায়ুন আখতার গণমাধ্যমকে বলেন, বাংলাদেশের ভূমিকম্পের দুটি উৎস আছে—একটি উত্তরের দিকে এবং আরেকটি পূর্ব দিকে। এর মধ্যে উত্তরের ডাউকি ফল্ট বাংলাদেশের জন্য খুবই ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা। তাই আজকের স্বল্প মাত্রার ভূমিকম্প একটি সতর্ক সংকেত দিচ্ছে।

ঐতিহাসিক তথ্য অনুযায়ী, এই ডাউকি ফল্টে ১৭৮৭ সালের এক ভূমিকম্পে ব্রহ্মপুত্রের গতিপথ পরিবর্তন হয়ে গিয়েছিল। এরপর ১১০ বছর পর ১৮৯৭ সালে ‘গ্রেট ইন্ডিয়া আর্থকোয়েক’ নামে পরিচিত একটি ভূমিকম্পও এখানেই হয়েছিল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের সাবেক অধ্যাপক হুমায়ুন আখতার জানান, সেই ভূমিকম্পের মাত্রা রিখটার স্কেলে ছিল ৮.২। এর ফলে শুধু আসাম ও মেঘালয় নয়, ঢাকা শহরও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল এবং ঢাকায় পাঁচজন নিহত হয়েছিলেন। ঐতিহাসিক তথ্যে আরও জানা যায়, সেই সময়ে ঢাকায় থাকা ইংরেজ কর্মকর্তারা ভূমিকম্পের পরের কয়েক মাস রমনায় তাঁবু করে থাকতেন এবং কেউ কেউ বুড়িগঙ্গায় বজরায় বাস করতেন।