ময়মনসিংহ , মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
শেয়ার বাজারে বড় জালিয়াতি: সাকিব আল হাসানসহ ১৫ জনের নথি জব্দ করেছে দুদক জামায়াত আমীর শফিকুর রহমানের সঙ্গে সিঙ্গাপুরের হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে আমাদের জিহাদ জা‌নিয়ে‌ছেন কর্মসংস্থান মন্ত্রী দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সাথে নিউজিল্যান্ডের হাইকমিশনারের বৈঠক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে দেশে ফিরলেন জুলাই গ্রাফিতি অপসারণের নির্দেশ সিটি করপোরেশন দেয়নি জানিয়েছেন চসিক মেয়র পশ্চিমবঙ্গে বুলডোজার রাজনীতি চলবে না বললেন মমতা চুয়াডাঙ্গায় পুলিশের চাকরি পেলেন ১২০ টাকায়, ২১ তরুণ-তরুণী লাঞ্চ বিরতিতেই বাংলাদেশের লিড আড়াইশ ছুঁই ছুঁই, কাঁপছে প্রতিপক্ষ! সেন্টমার্টিনে ১৬ লাখ টাকার সিমেন্ট জব্দ, আটক ৩৩
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

আবার ভূমিকম্প ৭ দিনের মাথায়, দেশের ভেতরেই উৎপত্তিস্থল

  • ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:৪১:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ১৩৩ বার পড়া হয়েছে

সাত দিনের ব্যবধানে আবার বাংলাদেশে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১২টার পর অনুভূত হওয়া এই ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল সিলেটের ছাতকে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৪। এর আগে গত ১৪ সেপ্টেম্বর রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছিল, যার উৎপত্তিস্থল ছিল ভারতের আসাম রাজ্যে এবং মাত্রা ছিল ৫.৯। 

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রুবাইয়াত কবীর এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, এটি একটি স্বল্প মাত্রার ভূমিকম্প হলেও এর উৎপত্তিস্থল বাংলাদেশের সিলেটের ছাতকেই। আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ভূমিকম্পটি ঢাকা থেকে ১৮৫ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে অনুভূত হয়।

ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক সৈয়দ হুমায়ুন আখতার গণমাধ্যমকে বলেন, বাংলাদেশের ভূমিকম্পের দুটি উৎস আছে—একটি উত্তরের দিকে এবং আরেকটি পূর্ব দিকে। এর মধ্যে উত্তরের ডাউকি ফল্ট বাংলাদেশের জন্য খুবই ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা। তাই আজকের স্বল্প মাত্রার ভূমিকম্প একটি সতর্ক সংকেত দিচ্ছে।

ঐতিহাসিক তথ্য অনুযায়ী, এই ডাউকি ফল্টে ১৭৮৭ সালের এক ভূমিকম্পে ব্রহ্মপুত্রের গতিপথ পরিবর্তন হয়ে গিয়েছিল। এরপর ১১০ বছর পর ১৮৯৭ সালে ‘গ্রেট ইন্ডিয়া আর্থকোয়েক’ নামে পরিচিত একটি ভূমিকম্পও এখানেই হয়েছিল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের সাবেক অধ্যাপক হুমায়ুন আখতার জানান, সেই ভূমিকম্পের মাত্রা রিখটার স্কেলে ছিল ৮.২। এর ফলে শুধু আসাম ও মেঘালয় নয়, ঢাকা শহরও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল এবং ঢাকায় পাঁচজন নিহত হয়েছিলেন। ঐতিহাসিক তথ্যে আরও জানা যায়, সেই সময়ে ঢাকায় থাকা ইংরেজ কর্মকর্তারা ভূমিকম্পের পরের কয়েক মাস রমনায় তাঁবু করে থাকতেন এবং কেউ কেউ বুড়িগঙ্গায় বজরায় বাস করতেন।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শেয়ার বাজারে বড় জালিয়াতি: সাকিব আল হাসানসহ ১৫ জনের নথি জব্দ করেছে দুদক

আবার ভূমিকম্প ৭ দিনের মাথায়, দেশের ভেতরেই উৎপত্তিস্থল

আপডেট সময় ০১:৪১:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

সাত দিনের ব্যবধানে আবার বাংলাদেশে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১২টার পর অনুভূত হওয়া এই ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল সিলেটের ছাতকে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৪। এর আগে গত ১৪ সেপ্টেম্বর রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছিল, যার উৎপত্তিস্থল ছিল ভারতের আসাম রাজ্যে এবং মাত্রা ছিল ৫.৯। 

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রুবাইয়াত কবীর এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, এটি একটি স্বল্প মাত্রার ভূমিকম্প হলেও এর উৎপত্তিস্থল বাংলাদেশের সিলেটের ছাতকেই। আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ভূমিকম্পটি ঢাকা থেকে ১৮৫ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে অনুভূত হয়।

ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক সৈয়দ হুমায়ুন আখতার গণমাধ্যমকে বলেন, বাংলাদেশের ভূমিকম্পের দুটি উৎস আছে—একটি উত্তরের দিকে এবং আরেকটি পূর্ব দিকে। এর মধ্যে উত্তরের ডাউকি ফল্ট বাংলাদেশের জন্য খুবই ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা। তাই আজকের স্বল্প মাত্রার ভূমিকম্প একটি সতর্ক সংকেত দিচ্ছে।

ঐতিহাসিক তথ্য অনুযায়ী, এই ডাউকি ফল্টে ১৭৮৭ সালের এক ভূমিকম্পে ব্রহ্মপুত্রের গতিপথ পরিবর্তন হয়ে গিয়েছিল। এরপর ১১০ বছর পর ১৮৯৭ সালে ‘গ্রেট ইন্ডিয়া আর্থকোয়েক’ নামে পরিচিত একটি ভূমিকম্পও এখানেই হয়েছিল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের সাবেক অধ্যাপক হুমায়ুন আখতার জানান, সেই ভূমিকম্পের মাত্রা রিখটার স্কেলে ছিল ৮.২। এর ফলে শুধু আসাম ও মেঘালয় নয়, ঢাকা শহরও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল এবং ঢাকায় পাঁচজন নিহত হয়েছিলেন। ঐতিহাসিক তথ্যে আরও জানা যায়, সেই সময়ে ঢাকায় থাকা ইংরেজ কর্মকর্তারা ভূমিকম্পের পরের কয়েক মাস রমনায় তাঁবু করে থাকতেন এবং কেউ কেউ বুড়িগঙ্গায় বজরায় বাস করতেন।