ডিজিটাল রূপান্তর আমাদের প্রগতিশীল করলেও বৈষম্য সৃষ্টি করেছে বলে মন্তব্য করেছেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য্য। তিনি বলেন, এবারের নির্বাচনে নতুন উপাদান হলো সামাজিক মাধ্যমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার। এর মাধ্যমে সহিংসতা, ঘৃণা ছড়ানো হয়। তবে তা বন্ধ করার মতো কোনো উদ্যোগ বা ইচ্ছা নির্বাচন কমিশন দেখাতে পারেনি। সরকারও কিছু করতে পারছে না।
গত মঙ্গলবার (৫ জানুয়ারি) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘গণতান্ত্রিক পুনর্গঠনের জন্য মুক্ত আলোচনা: ডিজিটাল অর্থনীতি ও উদ্যোক্তা প্রসঙ্গ’ শীর্ষক এক আলোচনায় এসব কথা বলেন ড. দেবপ্রিয়। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস)।
ড. দেবপ্রিয় বলেন, ডিজিটাল রূপান্তরে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হলেও প্রথাগত কর্মসংস্থানে সমস্যা হচ্ছে। চব্বিশের আগস্ট আন্দোলনে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশে বোঝা যায়, এই মাধ্যম কতটা শক্তিশালী। ইন্টারনেট বন্ধের মাধ্যমে হাসিনা সরকারের নৈতিক পরাজয় হয়েছিল।
বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজের সাবেক সভাপতি শাহেদুল ইসলাম হেলাল বলেন, দুর্নীতি বা ঘুষ থেকে বের হওয়ার একটি রাস্তা হলো ডিজিটাল পদ্ধতি। তরুণ আইটি উদ্যোক্তা তৈরি করতে হবে।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান ড. মুহাম্মদ আবদুল মজিদ বলেন, আমরা যতই অটোমেশন, ডিজিটালাইজেশন করতে চাই না কেন, মানুষের মানসিকতা না বদলালে তাতে কোনো লাভ হবে না। আমার পাশের দেশ থেকে সিলিকন ভ্যালিতে বড় বড় কর্মকর্তা হলো; কিন্তু আমরা পারলাম না।
ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সাবেক প্রেসিডেন্ট আসিফ ইব্রাহিম বলেন, ই-কমার্সে আমাদের অবস্থা তেমন ভালো না। তরুণদের মধ্যে ডিজিটাল দক্ষতা ও স্বাক্ষরতা বাড়াতে হবে।
সিজিএসের প্রেসিডেন্ট জিল্লুর রহমানের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির (ন্যাপ) চেয়ারম্যান জেবেল রহমান ঘানি, ড্যাফোডিল গ্রুপের চেয়ারম্যান সবুর খান, ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকের স্কুল অব বিজনেসের ডিন এম এ বাকী খলীলী, বারভিডার সাবেক সভাপতি আবদুল হক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম জাহিদ, নারী উদ্যোক্তা তাজমিন নাসরিন প্রমুখ।

ডিজিটাল রিপোর্ট 





















