ময়মনসিংহ , বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
​হঠাৎ জার্সি বদলের চাপে হাইতি: ৫২ বছর পর বিশ্বকাপে এসেই সংকটে দলটি গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে একই পরিবারের ৪ জনসহ দগ্ধ, ৫ ফুটবল বিশ্বকাপ: স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী জাতির প্রত্যাশা পূরণের লক্ষেই এবারের বাজেট প্রণয়ন জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেসি পাবনার উদ্যোগে পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেসি কনফারেন্স অনুষ্ঠিত দুই গ্রুপের সংঘর্ষে রণক্ষেত্র কুমিল্লা: কিশোর গ্যাংয়ের বলি নিরীহ অটোরিকশা চালক তাজউদ্দীন আহমেদের প্রথম বাজেট থেকে আমির খসরুর রেকর্ড: ৫৫ বছরের বাজেট চিত্র সংসদে আজ দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বাজেট পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী বেতন-ভাতায় ৮৯,৩৮০ কোটি টাকা বরাদ্দ: নতুন কাঠামো বাস্তবায়নে অনিশ্চয়তা ফের উত্তপ্ত মধ্যপ্রাচ্য: হরমুজ প্রণালি বন্ধের ঘোষণা ইরানের
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

একদিনে ৪১৯ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে

  • ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৯:২৩:৫৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৯৮ বার পড়া হয়েছে

তিন মাস বন্ধ থাকার পর চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে ভারতীয় পেঁয়াজের আমদানি পুনরায় শুরু হয়েছে। সোমবার (৮ অক্টোবর) সকাল থেকে সারাদিনে পর্যায়ক্রমে ভারতীয় ট্রাকে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম স্থলবন্দর সোনামসজিদ দিয়ে ৪১৯ মেট্রিক টন ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানি করা হয়েছে।

বেসরকারি বন্দর পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান পানামা পোর্ট লিংক লিমিটেডের ব্যবস্থাপক মাঈনুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর সীমিত পরিসরে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেওয়ার পরই প্রথম চালানটি রবিবার (৭ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় বন্দরে এসে পৌঁছে। এরপর সোমবার সকাল থেকেই ভারতীয় পেঁয়াজ এই বন্দর দিয়ে আসতে শুরু করে। সোমবার সারাদিনে ৪১৯ মেট্রিক টন পেঁয়াজ ভারত থেকে বাংলাদেশে এসেছে। বেশ কয়েকজন আমদানিকারক এ পেঁয়াজ আমদানি করেছেন।

সোনামসজিদ উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপপরিচালক সমীর চন্দ্র ঘোষ বলেন, সোমবার সারাদিনে ৪১৯ মেট্রিক টন ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানি করা হয়েছে। এদিন নতুন করে এই বন্দর দিয়ে ১০ জন ব্যবসায়ীর বিপরীতে ২৭টি আইপি ইস্যু হয়েছে এবং ২৯৯ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

উপপরিচালক সমীর চন্দ্র ঘোষ আরও বলেন, পেঁয়াজ আমদানির জন্য ৩০ জন আমদানিকারকের বিপরীতে ৩০টি আইপি (আমদানি অনুমতি) ইস্যু করা হয়েছে। এর মধ্যে দুই জন রবিবার প্রথম চালানে মোট ৬০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ এনেছেন। বন্দর দিয়ে সর্বশেষ পেঁয়াজ আমদানি হয়েছিল গত ৯ সেপ্টেম্বর।

তাদের দাবি, এ আমদানি অব্যাহত থাকলে বাজারে সরবরাহ বাড়বে, দাম কমে আসবে এবং বাজার স্থিতিশীল হবে। পাশাপাশি নতুন দেশীয় পেঁয়াজ বাজারে না আসা পর্যন্ত আমদানি চালু রাখারও দাবি জানিয়েছেন তারা।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

​হঠাৎ জার্সি বদলের চাপে হাইতি: ৫২ বছর পর বিশ্বকাপে এসেই সংকটে দলটি

একদিনে ৪১৯ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে

আপডেট সময় ০৯:২৩:৫৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৫

তিন মাস বন্ধ থাকার পর চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে ভারতীয় পেঁয়াজের আমদানি পুনরায় শুরু হয়েছে। সোমবার (৮ অক্টোবর) সকাল থেকে সারাদিনে পর্যায়ক্রমে ভারতীয় ট্রাকে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম স্থলবন্দর সোনামসজিদ দিয়ে ৪১৯ মেট্রিক টন ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানি করা হয়েছে।

বেসরকারি বন্দর পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান পানামা পোর্ট লিংক লিমিটেডের ব্যবস্থাপক মাঈনুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর সীমিত পরিসরে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেওয়ার পরই প্রথম চালানটি রবিবার (৭ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় বন্দরে এসে পৌঁছে। এরপর সোমবার সকাল থেকেই ভারতীয় পেঁয়াজ এই বন্দর দিয়ে আসতে শুরু করে। সোমবার সারাদিনে ৪১৯ মেট্রিক টন পেঁয়াজ ভারত থেকে বাংলাদেশে এসেছে। বেশ কয়েকজন আমদানিকারক এ পেঁয়াজ আমদানি করেছেন।

সোনামসজিদ উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপপরিচালক সমীর চন্দ্র ঘোষ বলেন, সোমবার সারাদিনে ৪১৯ মেট্রিক টন ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানি করা হয়েছে। এদিন নতুন করে এই বন্দর দিয়ে ১০ জন ব্যবসায়ীর বিপরীতে ২৭টি আইপি ইস্যু হয়েছে এবং ২৯৯ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

উপপরিচালক সমীর চন্দ্র ঘোষ আরও বলেন, পেঁয়াজ আমদানির জন্য ৩০ জন আমদানিকারকের বিপরীতে ৩০টি আইপি (আমদানি অনুমতি) ইস্যু করা হয়েছে। এর মধ্যে দুই জন রবিবার প্রথম চালানে মোট ৬০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ এনেছেন। বন্দর দিয়ে সর্বশেষ পেঁয়াজ আমদানি হয়েছিল গত ৯ সেপ্টেম্বর।

তাদের দাবি, এ আমদানি অব্যাহত থাকলে বাজারে সরবরাহ বাড়বে, দাম কমে আসবে এবং বাজার স্থিতিশীল হবে। পাশাপাশি নতুন দেশীয় পেঁয়াজ বাজারে না আসা পর্যন্ত আমদানি চালু রাখারও দাবি জানিয়েছেন তারা।