ময়মনসিংহ , রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ২৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ইরানের বার্তা: আলোচনার টেবিল কখনো পরিত্যক্ত হয় না মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্পে কাঁপল বাংলাদেশ সীমান্ত; উৎপত্তিস্থল নিয়ে যা জানা যাচ্ছে শিক্ষায় নতুন দিগন্ত: পরীক্ষামূলকভাবে অনলাইন ক্লাস শুরু প্রচারণার মাধ্যমে হামের টিকাদান কর্মসূচিকে জনপ্রিয় করতে হবে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী আজ দুপুরে শপথ নিচ্ছেন নবনির্বাচিত দুই সংসদ সদস্য নোয়াখালীতে চাঁদা না পেয়ে বৃদ্ধকে হত্যা: প্রধান আসামি যুবদল নেতা গ্রেফতার নির্বাচন কমিশন থেকে ১২৫ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র সংগ্রহ পূর্বধলায় বিজ্ঞান মেলা উদ্বোধন ২১ ঘণ্টার ম্যারাথন আলোচনাও ব্যর্থ: যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি প্রচেষ্টা নিয়ে জেডি ভ্যান্সের বড় দাবি কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হলো ইরান-মার্কিন বৈঠক, জেডি ভ্যান্সের ফেরা নিয়ে জল্পনা
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

কিশোরীর প্রাণ গেল, রাজধানীর বাসার ছাদ থেকে পড়ে

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ১১:৫৩:২০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ মে ২০২৪
  • ৩২২ বার পড়া হয়েছে

কিশোরীর প্রাণ গেল, রাজধানীর বাসার ছাদ থেকে পড়ে

অনলাইন সংবাদ-

রাজধানীর দক্ষিণ যাত্রাবাড়ীতে বাসার ছাদ থেকে পড়ে খাদিজা আক্তার রাত্রী (১৭) নামে এক কিশোরীর মৃত্যু হয়েছে। সে মানসিক প্রতিবন্ধী ছিল বলে জানা গেছে।

সোমবার (২০ মে) সকাল ৭.৩০ টার দিকে শহীদ ফারুক সড়কের একটি বাসায় দুর্ঘটনা ঘটে। জরুরী অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক সকাল ৯ টার দিকে মৃত ঘোষণা করেন এবং খাদিজার বাবা কাওসার আহমেদ এবং মা জায়েদা আক্তার। তাদের বাড়ি মুন্সিগঞ্জে। যাত্রাবাড়ী শহীদ ফারুক সড়কের ওই বাড়িটির চতুর্থ তলায় স্বপরিবারে বাসা ভাড়া করে থাকতেন।

কিশোরীর মা জায়েদা আক্তার বলেন, তার দুই মেয়ের মধ্যে বড় খাদিজা মানসিক প্রতিবন্ধী ছিলেন। প্রতিদিন সকালে চারতলা বাড়িটির ছাদে হাঁটতে যেত। আজ সকালে সবাই যখন ঘুমে তখন একা একা খাদিজা ছাদে যায়।  আমেনা আক্তার (ছোট বোন) বড়বোনকে বিছানায় দেখতে না পেয়ে তাড়াতাড়ি করে ছাদে যায়। তবে সেখানে গিয়ে বড় বোনকে আর দেখতে পায় না। পরবর্তীকালে বাবা-মাকে ডেকে নিয়ে গেলে তারা দেখেন, ভবনটির নিচে তার বড় মেয়ে পড়ে আছে । সঙ্গে সঙ্গে তারা সেখান থেকে খাদিজাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।

কিশোরীর প্রাণ গেল, রাজধানীর বাসার ছাদ থেকে পড়ে-

জায়েদা আক্তার আরও জানান, ভবনের ছাদে চার পাশে রেলিং রয়েছে। তারপরও কীভাবে সে নিচে পড়লো তা জানা নেই তাদের।

চিকিৎসকের তথ্য অনুসারে  ঢাকা মেডিকেল ক্যাম্পের পুলিশ ইনচার্জ মো. বাচ্চু মিয়া ওই কিশোরীর মৃত্যু বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে। ঘটনাটি যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশকে জানানো হয়েছে।

 

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের বার্তা: আলোচনার টেবিল কখনো পরিত্যক্ত হয় না

কিশোরীর প্রাণ গেল, রাজধানীর বাসার ছাদ থেকে পড়ে

আপডেট সময় ১১:৫৩:২০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ মে ২০২৪

অনলাইন সংবাদ-

রাজধানীর দক্ষিণ যাত্রাবাড়ীতে বাসার ছাদ থেকে পড়ে খাদিজা আক্তার রাত্রী (১৭) নামে এক কিশোরীর মৃত্যু হয়েছে। সে মানসিক প্রতিবন্ধী ছিল বলে জানা গেছে।

সোমবার (২০ মে) সকাল ৭.৩০ টার দিকে শহীদ ফারুক সড়কের একটি বাসায় দুর্ঘটনা ঘটে। জরুরী অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক সকাল ৯ টার দিকে মৃত ঘোষণা করেন এবং খাদিজার বাবা কাওসার আহমেদ এবং মা জায়েদা আক্তার। তাদের বাড়ি মুন্সিগঞ্জে। যাত্রাবাড়ী শহীদ ফারুক সড়কের ওই বাড়িটির চতুর্থ তলায় স্বপরিবারে বাসা ভাড়া করে থাকতেন।

কিশোরীর মা জায়েদা আক্তার বলেন, তার দুই মেয়ের মধ্যে বড় খাদিজা মানসিক প্রতিবন্ধী ছিলেন। প্রতিদিন সকালে চারতলা বাড়িটির ছাদে হাঁটতে যেত। আজ সকালে সবাই যখন ঘুমে তখন একা একা খাদিজা ছাদে যায়।  আমেনা আক্তার (ছোট বোন) বড়বোনকে বিছানায় দেখতে না পেয়ে তাড়াতাড়ি করে ছাদে যায়। তবে সেখানে গিয়ে বড় বোনকে আর দেখতে পায় না। পরবর্তীকালে বাবা-মাকে ডেকে নিয়ে গেলে তারা দেখেন, ভবনটির নিচে তার বড় মেয়ে পড়ে আছে । সঙ্গে সঙ্গে তারা সেখান থেকে খাদিজাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।

কিশোরীর প্রাণ গেল, রাজধানীর বাসার ছাদ থেকে পড়ে-

জায়েদা আক্তার আরও জানান, ভবনের ছাদে চার পাশে রেলিং রয়েছে। তারপরও কীভাবে সে নিচে পড়লো তা জানা নেই তাদের।

চিকিৎসকের তথ্য অনুসারে  ঢাকা মেডিকেল ক্যাম্পের পুলিশ ইনচার্জ মো. বাচ্চু মিয়া ওই কিশোরীর মৃত্যু বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে। ঘটনাটি যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশকে জানানো হয়েছে।