ময়মনসিংহ , বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
তাসনিম জারা পেশিশক্তি নয়, তথ্য ব্যবহার করে রাজনৈতিক দাপট মোকাবিলা করবেন ড. ইউনূসের দেওয়া সুখবরের পেছনে অন্ধকার থাকে বললেন তারেক রহমান বিএনপি প্রার্থী ড. মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন ওমরাহ পালনের জন্য সৌদি আরবে গেলেন নৌবাহিনীর কঠোর নিরাপত্তা বলয় নির্বাচন ঘিরে উপকূল ও সমুদ্রসীমায় দাঁড়িপাল্লার পক্ষে গোপন মিছিল থেমে নেই, অদ্ভুত পরিস্থিতি বললেন সারোয়ার তুষার জামায়াত আমিরের সফরকে ঘিরে নির্মিত তোরণ অপসারণ করল প্রশাসন চাঁপাইনবাবগঞ্জে জামায়াতে ইসলামীর ঘোষণা কওমি শিক্ষা সিলেবাস পরিমার্জনের ভোটকেন্দ্রের সিসি ক্যামেরা চুরি লক্ষ্মীপুরে আজকের মধ্যে না পৌঁছালে বাতিল হতে পারে প্রবাসীদের ভোট জানিয়েছে ইসি তারেক রহমান শনিবার উত্তরাঞ্চলের তিন জেলা সফর করবেন
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

জরুরি সভায় বসেছে কর্তৃপক্ষ বন্দর পরিস্থিতি নিয়ে

  • ডিজিটাল রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৪৮:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ২২ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রাম বন্দরের বর্তমান পরিস্থিতি, সাম্প্রতিক শ্রমিক অসন্তোষ এবং ধর্মঘটজনিত অচলাবস্থা নিরসনে এক জরুরি সভা আহ্বান করেছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ (চবক)। 

আজ বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিতব্য এই সভায় সভাপতিত্ব করেছে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম. সাখাওয়াত হোসেন।

সভায় অংশ নিতে সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন নিরাপত্তা সংস্থা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিনিধি, শ্রমিক নেতা এবং বন্দর ব্যবহারকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য যে, গত কয়েক দিন ধরে চট্টগ্রাম বন্দর সংশ্লিষ্ট এলাকায় শ্রমিকদের কর্মবিরতি, বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধের মতো কর্মসূচির কারণে পণ্য হ্যান্ডলিং প্রক্রিয়া মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এর ফলে জেটিতে জাহাজ জট এবং ইয়ার্ডে পণ্যজট বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, যা দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

এ পরিস্থিতিতে দ্রুত একটি সম্মানজনক সমাধান এবং বন্দরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে নিয়ে এই আলোচনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বন্দর ব্যবহারকারীরা আশা করছেন যে, এই জরুরি বৈঠক থেকে আসা কার্যকর সিদ্ধান্তের মাধ্যমে বন্দরে দ্রুত স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরবে।

বন্দর সূত্র জানায়, সভার আলোচনায় শ্রমিকদের যৌক্তিক দাবিগুলো বিবেচনার পাশাপাশি বন্দরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সক্রিয় ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত আলাপ হতে পারে।

এছাড়া বন্দর এলাকায় সমাবেশ ও মিছিলের ওপর আরোপিত পুলিশের নিষেধাজ্ঞার বিষয়েও প্রতিনিধিদের অবহিত করা হবে। সকল পক্ষ যদি নমনীয় অবস্থানে থেকে আলোচনায় অংশ নেয়, তবে পণ্য খালাস কার্যক্রমের স্থবিরতা দ্রুতই কেটে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তাসনিম জারা পেশিশক্তি নয়, তথ্য ব্যবহার করে রাজনৈতিক দাপট মোকাবিলা করবেন

জরুরি সভায় বসেছে কর্তৃপক্ষ বন্দর পরিস্থিতি নিয়ে

আপডেট সময় ১১:৪৮:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

চট্টগ্রাম বন্দরের বর্তমান পরিস্থিতি, সাম্প্রতিক শ্রমিক অসন্তোষ এবং ধর্মঘটজনিত অচলাবস্থা নিরসনে এক জরুরি সভা আহ্বান করেছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ (চবক)। 

আজ বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিতব্য এই সভায় সভাপতিত্ব করেছে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম. সাখাওয়াত হোসেন।

সভায় অংশ নিতে সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন নিরাপত্তা সংস্থা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিনিধি, শ্রমিক নেতা এবং বন্দর ব্যবহারকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য যে, গত কয়েক দিন ধরে চট্টগ্রাম বন্দর সংশ্লিষ্ট এলাকায় শ্রমিকদের কর্মবিরতি, বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধের মতো কর্মসূচির কারণে পণ্য হ্যান্ডলিং প্রক্রিয়া মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এর ফলে জেটিতে জাহাজ জট এবং ইয়ার্ডে পণ্যজট বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, যা দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

এ পরিস্থিতিতে দ্রুত একটি সম্মানজনক সমাধান এবং বন্দরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে নিয়ে এই আলোচনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বন্দর ব্যবহারকারীরা আশা করছেন যে, এই জরুরি বৈঠক থেকে আসা কার্যকর সিদ্ধান্তের মাধ্যমে বন্দরে দ্রুত স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরবে।

বন্দর সূত্র জানায়, সভার আলোচনায় শ্রমিকদের যৌক্তিক দাবিগুলো বিবেচনার পাশাপাশি বন্দরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সক্রিয় ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত আলাপ হতে পারে।

এছাড়া বন্দর এলাকায় সমাবেশ ও মিছিলের ওপর আরোপিত পুলিশের নিষেধাজ্ঞার বিষয়েও প্রতিনিধিদের অবহিত করা হবে। সকল পক্ষ যদি নমনীয় অবস্থানে থেকে আলোচনায় অংশ নেয়, তবে পণ্য খালাস কার্যক্রমের স্থবিরতা দ্রুতই কেটে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।