ময়মনসিংহ , সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
শেরপুরে জাতীয় যুব দিবস-২০২৬ উদযাপন: র‍্যালি, আলোচনা সভা, যুব ঋণ ও সনদপত্র বিতরণ পূর্বধলায় জাতীয় যুব দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আলোচনা সভা, র‍্যালি, সনদপত্র ও গাছের চারা বিতরণ পূর্বধলায় মাদকবিরোধী অভিযানে আটক এক, মোবাইল কোর্টে ১০ দিনের কারাদণ্ড পোশাকশিল্প ধ্বংসের পাঁয়তারার অভিযোগ জামায়াত আমিরের, কঠোর পদক্ষেপের আহ্বান সরকারকে পোশাকখাতে অস্থিরতার পেছনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত মালিক-শ্রমিকরা দায়ী বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জাতীয় যুব দিবস উপলক্ষে শিবপুরে আলোচনা সভা ও র‍্যালি গার্মেন্টস মালিকদের সঙ্গে সচিবালয়ে বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ​নালিতাবাড়ীতে জাতীয় যুব দিবস ২০২৬ পালিত ময়মনসিংহে জেলা প্রশাসক বিতর্ক প্রতিযোগিতার রাউন্ড অব সিক্সটিন শুরু শিশুদের দেশপ্রেম ও মানবিক মূল্যবোধে গড়ে তুলতে স্কাউটিংয়ের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

জীবনের গতিপথ বদলে দেওয়া এক অনুপ্রেরণার নাম খালেদা জিয়া: রাষ্ট্রদূত মুশফিক

  • ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৫৮:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫
  • ২০৩ বার পড়া হয়েছে

সংকটাপন্ন অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে তার মেয়াদকালে দায়িত্বপালনে ব‍্যক্তিগত ঋণের কথা উল্লেখ করে ফেসবুকে এক আবেগঘন স্ট্যাটাস দিয়েছেন মেক্সিকোতে নিযুক্ত সিনিয়র সচিব মর্যাদায় বাংলাদেশী রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনসারী। তাতে তিনি লিখেছেন, খালেদা জিয়া শুধু একজন নেত্রীই নন বরং তার জীবনের গতিপথ বদলে দেওয়া এক অনুপ্রেরণা।

আজ শনিবার (২৯ নভেম্বর) নিজের ভেরিফাইড ফেইসবুক পেইজে এভাবে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে অতীতের স্মৃতিচারণ করেন রাষ্ট্রদূত মুশফিক।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে সাহস ও অনুপ্রেরণার উৎস উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত মুশফিক আরো বলেন, ‘জীবনের প্রতিটি ধাপে জুলুমের মুখে, মানবাধিকার ও গণতন্ত্রের প্রশ্নে যখনই দাঁড়িয়েছি—জাতিসংঘে, হোয়াইট হাউসে বা অন্য আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে, আমি তার ভূমিকাই সগৌরবে তুলে ধরেছি। একই সঙ্গে তুলে ধরেছি বিগত হাসিনা সরকারের তার প্রতি চালানো নিপীড়ন ও নির্যাতনের চিত্র। আমার কাজের স্বীকৃতি, অনুপ্রেরণা, সাহস এবং মানুষের ভালোবাসার নীরব শক্তি, এসবের পেছনেও আছে তার আশীর্বাদ।’

সেদিনও আমরা দীর্ঘক্ষণ কথা বলেছি—দেশ, রাজনীতি, কূটনীতি নিয়ে। পরে ডা. জাহিদ ভাইও আমাদের আলোচনায় এসে যোগ দেন। কথার এক পর্যায়ে ম‌্যাডাম বললেন, ‘তোমার যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার সেদিনের সিদ্ধান্ত ঠিকই ছিল। রাষ্ট্রদূত হিসেবে আমার নিয়োগে তিনি সত্যিকারের আনন্দিত হয়েছিলেন, যদিও দেশ হিসাবে মেক্সিকো হওয়ায় সম্পূর্ণ তৃপ্ত ছিলেন না।’

সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার আরোগ্য কামনা করে তিনি বলেন, ‘আজ আমি এমন এক দেশে আছি, যেখানে ইচ্ছে করলেই দৌড়ে যেতে পারছি না। সরকারি নিয়মকানুন, আর একটি ছোট্ট সার্জারির কারণে তাৎক্ষণিক ফ্লাই করতেও পারছিনা। শুধু অশ্রুসিক্ত চোখে মহান রবের কাছে অযুত প্রার্থনা— তার অফুরন্ত দয়ার ভাণ্ডার থেকে সামান্য করুণা ভিক্ষা..!’

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শেরপুরে জাতীয় যুব দিবস-২০২৬ উদযাপন: র‍্যালি, আলোচনা সভা, যুব ঋণ ও সনদপত্র বিতরণ

জীবনের গতিপথ বদলে দেওয়া এক অনুপ্রেরণার নাম খালেদা জিয়া: রাষ্ট্রদূত মুশফিক

আপডেট সময় ১২:৫৮:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫

সংকটাপন্ন অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে তার মেয়াদকালে দায়িত্বপালনে ব‍্যক্তিগত ঋণের কথা উল্লেখ করে ফেসবুকে এক আবেগঘন স্ট্যাটাস দিয়েছেন মেক্সিকোতে নিযুক্ত সিনিয়র সচিব মর্যাদায় বাংলাদেশী রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনসারী। তাতে তিনি লিখেছেন, খালেদা জিয়া শুধু একজন নেত্রীই নন বরং তার জীবনের গতিপথ বদলে দেওয়া এক অনুপ্রেরণা।

আজ শনিবার (২৯ নভেম্বর) নিজের ভেরিফাইড ফেইসবুক পেইজে এভাবে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে অতীতের স্মৃতিচারণ করেন রাষ্ট্রদূত মুশফিক।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে সাহস ও অনুপ্রেরণার উৎস উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত মুশফিক আরো বলেন, ‘জীবনের প্রতিটি ধাপে জুলুমের মুখে, মানবাধিকার ও গণতন্ত্রের প্রশ্নে যখনই দাঁড়িয়েছি—জাতিসংঘে, হোয়াইট হাউসে বা অন্য আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে, আমি তার ভূমিকাই সগৌরবে তুলে ধরেছি। একই সঙ্গে তুলে ধরেছি বিগত হাসিনা সরকারের তার প্রতি চালানো নিপীড়ন ও নির্যাতনের চিত্র। আমার কাজের স্বীকৃতি, অনুপ্রেরণা, সাহস এবং মানুষের ভালোবাসার নীরব শক্তি, এসবের পেছনেও আছে তার আশীর্বাদ।’

সেদিনও আমরা দীর্ঘক্ষণ কথা বলেছি—দেশ, রাজনীতি, কূটনীতি নিয়ে। পরে ডা. জাহিদ ভাইও আমাদের আলোচনায় এসে যোগ দেন। কথার এক পর্যায়ে ম‌্যাডাম বললেন, ‘তোমার যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার সেদিনের সিদ্ধান্ত ঠিকই ছিল। রাষ্ট্রদূত হিসেবে আমার নিয়োগে তিনি সত্যিকারের আনন্দিত হয়েছিলেন, যদিও দেশ হিসাবে মেক্সিকো হওয়ায় সম্পূর্ণ তৃপ্ত ছিলেন না।’

সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার আরোগ্য কামনা করে তিনি বলেন, ‘আজ আমি এমন এক দেশে আছি, যেখানে ইচ্ছে করলেই দৌড়ে যেতে পারছি না। সরকারি নিয়মকানুন, আর একটি ছোট্ট সার্জারির কারণে তাৎক্ষণিক ফ্লাই করতেও পারছিনা। শুধু অশ্রুসিক্ত চোখে মহান রবের কাছে অযুত প্রার্থনা— তার অফুরন্ত দয়ার ভাণ্ডার থেকে সামান্য করুণা ভিক্ষা..!’