অনলাইনে (জুম প্ল্যাটফর্ম) আয়োজিত সেমিনার ও কর্মশালার বিভিন্ন খাতের সম্মানির হার পুনর্নির্ধারণ করেছে সরকার।
এ সংক্রান্ত একটি পরিপত্র জারি করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ।মঙ্গলবার (১৭ জুন) অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের প্রবিধি শাখা-২ থেকে জারি করা পরিপত্রে এ তথ্য জানানো হয়।অর্থ বিভাগের যুগ্মসচিব ড. মো. ফেরদৌস আলম পরিপত্রে স্বাক্ষর করেন।
এতে বলা হয়, সরকার পরিচালন বাজেটের আওতায় অনলাইনে (জুম প্ল্যাটফর্ম) আয়োজিত সেমিনার বা কর্মশালার জন্য সম্মানির নতুন হার নির্ধারণ করেছে। জারির তারিখ থেকেই এ পরিপত্র কার্যকর হবে।
নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, সেমিনার বা কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপকের সম্মানি নির্ধারণ করা হয়েছে সাড়ে ৪ হাজার টাকা।
সেমিনার বা কর্মশালার সঞ্চালক পাবেন ৪ হাজার টাকা। একই হারে, অর্থাৎ জনপ্রতি ৪ হাজার টাকা করে সর্বোচ্চ তিন আলোচককে সম্মানি দেয়া হবে।
এছাড়া, র্যাপোর্টিয়ার হিসেবে দায়িত্ব পালনকারীদের জন্য সম্মানির হার জনপ্রতি আড়াই হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ খাতে সর্বোচ্চ দুজনকে সম্মানি দেয়া যাবে।
অন্যদিকে, সেমিনার বা কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী প্রত্যেক অংশগ্রহণকারীকে ১ হাজার টাকা করে সম্মানি প্রদানের বিধান রাখা হয়েছে।
পরিপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়, অনলাইনে আয়োজিত সেমিনার ও কর্মশালার খাতভিত্তিক সম্মানির হার সংক্রান্ত অর্থ বিভাগের ২০২১ সালের ২৫ আগস্ট জারি করা ২২৯ নম্বর স্মারকটি বাতিল করা হয়েছে।
ফলে নতুন পরিপত্র অনুযায়ী ভবিষ্যতে সকল অনলাইন সেমিনার ও কর্মশালার সম্মানি দেয়া হবে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, অনলাইনভিত্তিক সরকারি সভা, সেমিনার ও কর্মশালার সংখ্যা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাওয়ায় বর্তমান বাস্তবতা বিবেচনায় সম্মানির হার পুনর্বিন্যাস করা হয়েছে।
ফলে অনলাইনভিত্তিক জ্ঞান বিনিময়, প্রশিক্ষণ ও নীতিনির্ধারণী আলোচনায় অংশগ্রহণকারীদের উৎসাহ আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

মাটি ও মানুষ ডেস্ক 


















