ময়মনসিংহ , রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
হাতি-মানুষের দ্বন্দ্ব নিরসনে সেমিনার অনুষ্ঠিত উখিয়া সীমান্তে ১ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার, পালিয়ে গেল ২ কারবারি যুক্তিবাদী সমাজ গড়ে উঠলে অপসংস্কৃতি, ধর্মান্ধতা ও কুসংস্কার দূর হবে বলেছেন এনডিএফ চেয়ারম্যান পূর্বধলায় সারাদেশের ন্যায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযানের শুভ উদ্বোধন নারীর সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে বলেছেন রিজভী আল্লাহর কাছে তো রেকর্ড হচ্ছেই, বান্দার কাছেও রেকর্ড হচ্ছে বললেন সাবেক ধর্ম উপদেষ্টা দেশের সব সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত বহাল ডেঙ্গু সমস্যা সমাধানে সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী লোহাগাড়ায় দুই হাজার পিস ইয়াবা ও আগ্নেয়াস্ত্রসহ দুইজন গ্রেফতার সুনামগঞ্জে শতাধিক শিশুকে সাঁতার প্রশিক্ষণ ক্যাম্প অনুষ্ঠিত
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

দুই স্ত্রীর বিবাদে প্রাণ গেল যুবদল নেতার

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:১৭:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৫
  • ১৭৩ বার পড়া হয়েছে

বাগেরহাটের কচুয়ায় দুই স্ত্রীর বিবাদের জেরে হামলায় জাহিদুল ইসলাম মিন্টু (৪৫) নামে এক যুবদল নেতা নিহত হয়েছেন। সোমবার (১৩ অক্টোবর) দিবাগত রাত ৩টার দিকে উপজেলার শিবপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মিন্টু কচুয়া উপজেলার শিবপুর গ্রামের সরদার আবু বক্করের ছেলে। তিনি রাড়িপাড়া ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি প্রার্থী ছিলেন।

পুলিশ জানায়, পারিবারিক কলহের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে। দুই বিয়ের কারণে মিন্টুর সংসারে অশান্তি চলছিল। সোমবার গভীর রাতে দুই স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া বাধে। এক পর্যায়ে বাইরে থেকে ৮-১০ জন লোক এসে মিন্টুকে মারধর করে এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপায়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে পরিবারের সদস্যরা প্রথমে বাগেরহাট ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখান থেকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

রাঢ়িপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সরদার রেজাউল হোসেন বলেন, ‘মিন্টুর দুই স্ত্রীর বিরোধ চলছিলো। এরই মধ্যে গত রাতে বাইরে থেকে কিছু লোক এসে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে কঠোর শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানাই।’

আরও পড়ুন: বাগেরহাটে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের ‘মারপিটে’ যুবদল নেতার মৃত্যু

বাগেরহাটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. শামীম হোসেন বলেন, ‘জাহিদুল ইসলাম মিন্টু পারিবারিকভাবে অশান্তিতে ছিলেন। শুনেছি তিনি মাদকাসক্ত ছিলেন। ওনার দুই স্ত্রীর মধ্যে কোন্দল চলছিলো। এরই জের ধরে বহিরাগত ৭-৮ জন লোক এসে ওনাকে হত্যা করেন।’

নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে রয়েছে। হত্যার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে পুলিশ কাজ শুরু করেছে বলে জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার।

 

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হাতি-মানুষের দ্বন্দ্ব নিরসনে সেমিনার অনুষ্ঠিত

দুই স্ত্রীর বিবাদে প্রাণ গেল যুবদল নেতার

আপডেট সময় ০৩:১৭:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৫

বাগেরহাটের কচুয়ায় দুই স্ত্রীর বিবাদের জেরে হামলায় জাহিদুল ইসলাম মিন্টু (৪৫) নামে এক যুবদল নেতা নিহত হয়েছেন। সোমবার (১৩ অক্টোবর) দিবাগত রাত ৩টার দিকে উপজেলার শিবপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মিন্টু কচুয়া উপজেলার শিবপুর গ্রামের সরদার আবু বক্করের ছেলে। তিনি রাড়িপাড়া ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি প্রার্থী ছিলেন।

পুলিশ জানায়, পারিবারিক কলহের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে। দুই বিয়ের কারণে মিন্টুর সংসারে অশান্তি চলছিল। সোমবার গভীর রাতে দুই স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া বাধে। এক পর্যায়ে বাইরে থেকে ৮-১০ জন লোক এসে মিন্টুকে মারধর করে এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপায়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে পরিবারের সদস্যরা প্রথমে বাগেরহাট ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখান থেকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

রাঢ়িপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সরদার রেজাউল হোসেন বলেন, ‘মিন্টুর দুই স্ত্রীর বিরোধ চলছিলো। এরই মধ্যে গত রাতে বাইরে থেকে কিছু লোক এসে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে কঠোর শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানাই।’

আরও পড়ুন: বাগেরহাটে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের ‘মারপিটে’ যুবদল নেতার মৃত্যু

বাগেরহাটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. শামীম হোসেন বলেন, ‘জাহিদুল ইসলাম মিন্টু পারিবারিকভাবে অশান্তিতে ছিলেন। শুনেছি তিনি মাদকাসক্ত ছিলেন। ওনার দুই স্ত্রীর মধ্যে কোন্দল চলছিলো। এরই জের ধরে বহিরাগত ৭-৮ জন লোক এসে ওনাকে হত্যা করেন।’

নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে রয়েছে। হত্যার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে পুলিশ কাজ শুরু করেছে বলে জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার।