ময়মনসিংহ , বৃহস্পতিবার, ০৮ জানুয়ারী ২০২৬, ২৫ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
১৪ জানুয়ারি সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউলের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আদেশ মাইলস্টোনে বিমান দুর্ঘটনা: ৫ দফা দাবি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের এবার কোনো পাতানো নির্বাচন হবে না বলে মন্তব্য করেছেন সিইসি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় ময়মনসিংহ মহানগর ৬ নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের দোয়া মাহফিল শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার বালিঝুড়ি রেঞ্জের সংরক্ষিত বনাঞ্চলে বন্যহাতির আক্রমণে মৃত্যু ধর্ষণ মামলার পলাতক আসামি গ্রেফতার মানবতাবিরোধী অপরাধ: আজ চার্জ গঠনে জিয়াউল আহসানের আইনজীবীর শুনানি স্বাস্থ্য সুরক্ষায় একগুচ্ছ পদক্ষেপ প্রাথমিক স্কুলে শিক্ষার্থীদের শরীয়তপুরে বোমা বিস্ফোরণে উড়ে গেল বসতঘর, যুবক নিহত তাপমাত্রা বেড়েছে রাজধানীতে
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

দুর্নীতির মামলায় গ্রেপ্তার জিয়াউল আহসান

ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের (এনটিএমসি) সাবেক মহাপরিচালক বরখাস্ত মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসানকে এবার দুর্নীতির মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

আজ বুধবার (৭ ডিসেম্বর) ‘জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ’ ২২ কোটি ২৭ লাখ ৭৮ হাজার ১৪২ টাকার সম্পদ অর্জনের মামলায় তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের শুনানি নিয়ে ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন।

২০২৪ সালে ক্ষমতার পট পরিবর্তনের পর ওই বছর ১৫ অগাস্টে গভীর রাতে ঢাকার খিলক্ষেত এলাকা থেকে জিয়াউল আহসানকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে বিভিন্ন মামলাসহ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মামলাতেও গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

কারাগারে থাকা জিয়াউল আহসানকে গত ২১ ডিসেম্বর দুদকের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপ-পরিচালক মো. হাফিজুল ইসলাম।

আদালত আসামির উপস্থিতিতে শুনানির জন্য বুধবার ধার্য করেন। সকালে শুনানিতে তাকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে জিয়াউল আহসানকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দিয়ে কারাগারে পাঠায় আদালত।

এ দিন তারপক্ষে ওকালতনামা দাখিল করা হলেও জামিন আবেদন করা হয়নি বলে জানিয়েছেন জিয়াউল আহসানের আইনজীবী ব্যারিস্টার আসিফুর রহমান।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ‘সেনাবাহিনী থেকে বরখাস্ত হওয়া মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসান নিজ নামে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ২২ কোটি ২৭ লাখ ৭৮ হাজার ১৪২ টাকার সম্পদ অর্জন করেন। এ ছাড়াও গাইডলাইন অব ফরেন এক্সচেঞ্জ ট্রান্সজেকশন-২০১৮ ও ২০২০ সালের এফইপিডি সার্কুলার-৬ অনুযায়ী বর্তমান অনুমোদিত সীমা লঙ্ঘন করে নিজের ব্যাংক হিসাবে ৫৫ হাজার মার্কিন ডলার জমা করেন।

বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ জমা করে স্ত্রী নুসরাত জাহানের সহযোগিতা ও যোগসাজশে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামে স্থানান্তর, হস্তান্তর ও রূপান্তর করেন। এছাড়া নিজ নামে ৮টি সক্রিয় ব্যাংক হিসাবে প্রায় ১২০ কোটি টাকার অস্বাভাবিক লেনদেন করেছেন জিয়াউল আহসান। একজন উচ্চপদস্থ সেনা কর্মকর্তা হওয়ার সুবাদে এই কাজে নিজের পদ ও অর্পিত ক্ষমতার অপব্যবহার করে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, দণ্ডবিধি, মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।’

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

১৪ জানুয়ারি সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউলের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আদেশ

দুর্নীতির মামলায় গ্রেপ্তার জিয়াউল আহসান

আপডেট সময় ০১:৪৩:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৬

ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের (এনটিএমসি) সাবেক মহাপরিচালক বরখাস্ত মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসানকে এবার দুর্নীতির মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

আজ বুধবার (৭ ডিসেম্বর) ‘জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ’ ২২ কোটি ২৭ লাখ ৭৮ হাজার ১৪২ টাকার সম্পদ অর্জনের মামলায় তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের শুনানি নিয়ে ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন।

২০২৪ সালে ক্ষমতার পট পরিবর্তনের পর ওই বছর ১৫ অগাস্টে গভীর রাতে ঢাকার খিলক্ষেত এলাকা থেকে জিয়াউল আহসানকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে বিভিন্ন মামলাসহ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মামলাতেও গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

কারাগারে থাকা জিয়াউল আহসানকে গত ২১ ডিসেম্বর দুদকের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপ-পরিচালক মো. হাফিজুল ইসলাম।

আদালত আসামির উপস্থিতিতে শুনানির জন্য বুধবার ধার্য করেন। সকালে শুনানিতে তাকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে জিয়াউল আহসানকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দিয়ে কারাগারে পাঠায় আদালত।

এ দিন তারপক্ষে ওকালতনামা দাখিল করা হলেও জামিন আবেদন করা হয়নি বলে জানিয়েছেন জিয়াউল আহসানের আইনজীবী ব্যারিস্টার আসিফুর রহমান।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ‘সেনাবাহিনী থেকে বরখাস্ত হওয়া মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসান নিজ নামে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ২২ কোটি ২৭ লাখ ৭৮ হাজার ১৪২ টাকার সম্পদ অর্জন করেন। এ ছাড়াও গাইডলাইন অব ফরেন এক্সচেঞ্জ ট্রান্সজেকশন-২০১৮ ও ২০২০ সালের এফইপিডি সার্কুলার-৬ অনুযায়ী বর্তমান অনুমোদিত সীমা লঙ্ঘন করে নিজের ব্যাংক হিসাবে ৫৫ হাজার মার্কিন ডলার জমা করেন।

বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ জমা করে স্ত্রী নুসরাত জাহানের সহযোগিতা ও যোগসাজশে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামে স্থানান্তর, হস্তান্তর ও রূপান্তর করেন। এছাড়া নিজ নামে ৮টি সক্রিয় ব্যাংক হিসাবে প্রায় ১২০ কোটি টাকার অস্বাভাবিক লেনদেন করেছেন জিয়াউল আহসান। একজন উচ্চপদস্থ সেনা কর্মকর্তা হওয়ার সুবাদে এই কাজে নিজের পদ ও অর্পিত ক্ষমতার অপব্যবহার করে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, দণ্ডবিধি, মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।’