ময়মনসিংহ , সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সব বিভাগে ৮টি ক্যান্সার হাসপাতালের কাজ চলছে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী শিগগিরই ৫টা রোবটিক সার্জারি মেশিন আমদানি করা হবে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরকার অনুমোদন দিলে প্রয়োজনে ক্রসফায়ারও করবো বলে মন্তব্য করেছেন আইজিপি ভারতীয় শীর্ষ গোয়েন্দার সঙ্গে গোলাম পরওয়ারের গোপন বৈঠক বলে মন্তব্য করেছেন রাশেদ খাঁন রাজপথে কোথাও হকার বসতে দেওয়া হবে না জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ প্রশাসক ধামইরহাটে আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত দুই মন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে শাহবাগে গণবিক্ষোভের ডাক এনসিপির দুই বছরে স্বাস্থ্য খাতকে নতুন রূপ দেওয়া হবে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী হকারমুক্ত হবে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক-ফুটপাত বললেন সড়কমন্ত্রী প্রযুক্তির অগ্রগতিতে বিমান চলাচলে বাড়ছে নিরাপত্তার চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন বিমান বাহিনী প্রধান
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

দুর্নীতির মামলায় গ্রেপ্তার জিয়াউল আহসান

ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের (এনটিএমসি) সাবেক মহাপরিচালক বরখাস্ত মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসানকে এবার দুর্নীতির মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

আজ বুধবার (৭ ডিসেম্বর) ‘জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ’ ২২ কোটি ২৭ লাখ ৭৮ হাজার ১৪২ টাকার সম্পদ অর্জনের মামলায় তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের শুনানি নিয়ে ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন।

২০২৪ সালে ক্ষমতার পট পরিবর্তনের পর ওই বছর ১৫ অগাস্টে গভীর রাতে ঢাকার খিলক্ষেত এলাকা থেকে জিয়াউল আহসানকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে বিভিন্ন মামলাসহ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মামলাতেও গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

কারাগারে থাকা জিয়াউল আহসানকে গত ২১ ডিসেম্বর দুদকের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপ-পরিচালক মো. হাফিজুল ইসলাম।

আদালত আসামির উপস্থিতিতে শুনানির জন্য বুধবার ধার্য করেন। সকালে শুনানিতে তাকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে জিয়াউল আহসানকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দিয়ে কারাগারে পাঠায় আদালত।

এ দিন তারপক্ষে ওকালতনামা দাখিল করা হলেও জামিন আবেদন করা হয়নি বলে জানিয়েছেন জিয়াউল আহসানের আইনজীবী ব্যারিস্টার আসিফুর রহমান।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ‘সেনাবাহিনী থেকে বরখাস্ত হওয়া মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসান নিজ নামে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ২২ কোটি ২৭ লাখ ৭৮ হাজার ১৪২ টাকার সম্পদ অর্জন করেন। এ ছাড়াও গাইডলাইন অব ফরেন এক্সচেঞ্জ ট্রান্সজেকশন-২০১৮ ও ২০২০ সালের এফইপিডি সার্কুলার-৬ অনুযায়ী বর্তমান অনুমোদিত সীমা লঙ্ঘন করে নিজের ব্যাংক হিসাবে ৫৫ হাজার মার্কিন ডলার জমা করেন।

বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ জমা করে স্ত্রী নুসরাত জাহানের সহযোগিতা ও যোগসাজশে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামে স্থানান্তর, হস্তান্তর ও রূপান্তর করেন। এছাড়া নিজ নামে ৮টি সক্রিয় ব্যাংক হিসাবে প্রায় ১২০ কোটি টাকার অস্বাভাবিক লেনদেন করেছেন জিয়াউল আহসান। একজন উচ্চপদস্থ সেনা কর্মকর্তা হওয়ার সুবাদে এই কাজে নিজের পদ ও অর্পিত ক্ষমতার অপব্যবহার করে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, দণ্ডবিধি, মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।’

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সব বিভাগে ৮টি ক্যান্সার হাসপাতালের কাজ চলছে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

দুর্নীতির মামলায় গ্রেপ্তার জিয়াউল আহসান

আপডেট সময় ০১:৪৩:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৬

ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের (এনটিএমসি) সাবেক মহাপরিচালক বরখাস্ত মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসানকে এবার দুর্নীতির মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

আজ বুধবার (৭ ডিসেম্বর) ‘জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ’ ২২ কোটি ২৭ লাখ ৭৮ হাজার ১৪২ টাকার সম্পদ অর্জনের মামলায় তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের শুনানি নিয়ে ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন।

২০২৪ সালে ক্ষমতার পট পরিবর্তনের পর ওই বছর ১৫ অগাস্টে গভীর রাতে ঢাকার খিলক্ষেত এলাকা থেকে জিয়াউল আহসানকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে বিভিন্ন মামলাসহ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মামলাতেও গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

কারাগারে থাকা জিয়াউল আহসানকে গত ২১ ডিসেম্বর দুদকের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপ-পরিচালক মো. হাফিজুল ইসলাম।

আদালত আসামির উপস্থিতিতে শুনানির জন্য বুধবার ধার্য করেন। সকালে শুনানিতে তাকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে জিয়াউল আহসানকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দিয়ে কারাগারে পাঠায় আদালত।

এ দিন তারপক্ষে ওকালতনামা দাখিল করা হলেও জামিন আবেদন করা হয়নি বলে জানিয়েছেন জিয়াউল আহসানের আইনজীবী ব্যারিস্টার আসিফুর রহমান।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ‘সেনাবাহিনী থেকে বরখাস্ত হওয়া মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসান নিজ নামে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ২২ কোটি ২৭ লাখ ৭৮ হাজার ১৪২ টাকার সম্পদ অর্জন করেন। এ ছাড়াও গাইডলাইন অব ফরেন এক্সচেঞ্জ ট্রান্সজেকশন-২০১৮ ও ২০২০ সালের এফইপিডি সার্কুলার-৬ অনুযায়ী বর্তমান অনুমোদিত সীমা লঙ্ঘন করে নিজের ব্যাংক হিসাবে ৫৫ হাজার মার্কিন ডলার জমা করেন।

বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ জমা করে স্ত্রী নুসরাত জাহানের সহযোগিতা ও যোগসাজশে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামে স্থানান্তর, হস্তান্তর ও রূপান্তর করেন। এছাড়া নিজ নামে ৮টি সক্রিয় ব্যাংক হিসাবে প্রায় ১২০ কোটি টাকার অস্বাভাবিক লেনদেন করেছেন জিয়াউল আহসান। একজন উচ্চপদস্থ সেনা কর্মকর্তা হওয়ার সুবাদে এই কাজে নিজের পদ ও অর্পিত ক্ষমতার অপব্যবহার করে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, দণ্ডবিধি, মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।’