ময়মনসিংহ , বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পূর্বধলায় স্বজনপ্রীতি ও রাজনৈতিক পরিচয়ে নিয়োগের অভিযোগ: বঞ্চিত প্রার্থীদের বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি গণভোটের রায় প্রতিষ্ঠিত হলে অলি আহমেদ রাষ্ট্রপতি হতেন বললেন জামায়াত রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ে ‘বিকল্প’ হিসেবে প্রচারণায় আমি বিব্রত-বিরক্ত জানিয়েছেন রাষ্ট্রদূত মুশফিক জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন: জেনে নিন এনআইডি কার্ডে নাম ও বয়স পরিবর্তনের নতুন নিয়মকানুন বিএনপি জরুরি বৈঠকে কঙ্গোতে ইবোলা ইতিহাসের সবচেয়ে প্রাণঘাতী রূপ নেওয়ার পথে জানিয়েছেন ডব্লিউএইচও “আপনারা কারা?” – “আমরা ম্যাজিস্ট্রেট!” “এমন ম্যাজিস্ট্রেট তো অনেকেই আসে, আসার আগে বলে আসবেন না?” প্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার নালিতাবাড়ীতে অতিরিক্ত লবণ, চিনি ও ট্রান্স ফ্যাটের বিরুদ্ধে অবস্থান কর্মসূচি
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

নেত্রকোণার শ্রেষ্ঠ তদন্ত কর্মকর্তা পূর্বধলার পুলিশ পরিদর্শক হাবিবুর রহমান

​একটি ক্লু-লেস নবজাতক হত্যা মামলার রহস্য দ্রুত উদঘাটন ও আসামিকে গ্রেপ্তারে বিশেষ ভূমিকা রাখায় টানা দ্বিতীয়বারের মতো নেত্রকোণা জেলার শ্রেষ্ঠ তদন্তকারী কর্মকর্তা নির্বাচিত হয়েছেন পূর্বধলা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ  হাবিবুর রহমান, পিপিএম।

​মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) নেত্রকোণা পুলিশ লাইন  অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত মাসিক কল্যাণ ও অপরাধ পর্যালোচনা সভায় বিগত জুলাই মাসের অপরাধ দমন, ক্লু-লেস মামলার রহস্য উদঘাটন এবং সার্বিক কার্যক্রমের মূল্যায়নের ভিত্তিতে তাকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে নেত্রকোণার পুলিশ সুপার মো. তরিকুল ইসলাম তার হাতে সম্মাননা সনদ ও অর্থ পুরস্কার তুলে দেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ২৯ জুন পূর্বধলা উপজেলার কালীহর নদী থেকে স্থানীয়দের খবরের ভিত্তিতে এক নবজাতক কন্যাশিশুর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। মরদেহটি কালো রঙের শার্টে পেঁচানো এবং ইট দিয়ে বাঁধা অবস্থায় ভেসেছিল। পুলিশ ময়নাতদন্তের পাশাপাশি পিতৃ ও মাতৃপরিচয় শনাক্তে ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে এবং একটি হত্যা মামলা দায়ের করে।

​সম্পূর্ণ ক্লু-লেস এই মামলাটির তদন্তভার গ্রহণ করেন পরিদর্শক মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশনায় নিবিড় তদন্ত চালিয়ে অতি দ্রুততম সময়ে তিনি হত্যাকাণ্ডের মূল রহস্য উদঘাটন করেন এবং ঘটনার মূল অভিযুক্ত মো. সাজন মিয়াকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হন।

​অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার ও মামলার রহস্য উদঘাটনে বিশেষ ভূমিকার পাশাপাশি অপরাধ দমনে সামগ্রিক অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে এই পুরষ্কার দেওয়া হয়। এর আগে জুন মাসের পারফরম্যান্সের ভিত্তিতেও তিনি জেলার শ্রেষ্ঠ তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসেবে ভূষিত হয়েছিলেন।​উক্ত সভায় নেত্রকোণা জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং জেলার সকল থানার অফিসার ইনচার্জরা (ওসি)  উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পূর্বধলায় স্বজনপ্রীতি ও রাজনৈতিক পরিচয়ে নিয়োগের অভিযোগ: বঞ্চিত প্রার্থীদের বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি

নেত্রকোণার শ্রেষ্ঠ তদন্ত কর্মকর্তা পূর্বধলার পুলিশ পরিদর্শক হাবিবুর রহমান

আপডেট সময় ১১:৩৬:৫৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

​একটি ক্লু-লেস নবজাতক হত্যা মামলার রহস্য দ্রুত উদঘাটন ও আসামিকে গ্রেপ্তারে বিশেষ ভূমিকা রাখায় টানা দ্বিতীয়বারের মতো নেত্রকোণা জেলার শ্রেষ্ঠ তদন্তকারী কর্মকর্তা নির্বাচিত হয়েছেন পূর্বধলা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ  হাবিবুর রহমান, পিপিএম।

​মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) নেত্রকোণা পুলিশ লাইন  অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত মাসিক কল্যাণ ও অপরাধ পর্যালোচনা সভায় বিগত জুলাই মাসের অপরাধ দমন, ক্লু-লেস মামলার রহস্য উদঘাটন এবং সার্বিক কার্যক্রমের মূল্যায়নের ভিত্তিতে তাকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে নেত্রকোণার পুলিশ সুপার মো. তরিকুল ইসলাম তার হাতে সম্মাননা সনদ ও অর্থ পুরস্কার তুলে দেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ২৯ জুন পূর্বধলা উপজেলার কালীহর নদী থেকে স্থানীয়দের খবরের ভিত্তিতে এক নবজাতক কন্যাশিশুর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। মরদেহটি কালো রঙের শার্টে পেঁচানো এবং ইট দিয়ে বাঁধা অবস্থায় ভেসেছিল। পুলিশ ময়নাতদন্তের পাশাপাশি পিতৃ ও মাতৃপরিচয় শনাক্তে ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে এবং একটি হত্যা মামলা দায়ের করে।

​সম্পূর্ণ ক্লু-লেস এই মামলাটির তদন্তভার গ্রহণ করেন পরিদর্শক মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশনায় নিবিড় তদন্ত চালিয়ে অতি দ্রুততম সময়ে তিনি হত্যাকাণ্ডের মূল রহস্য উদঘাটন করেন এবং ঘটনার মূল অভিযুক্ত মো. সাজন মিয়াকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হন।

​অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার ও মামলার রহস্য উদঘাটনে বিশেষ ভূমিকার পাশাপাশি অপরাধ দমনে সামগ্রিক অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে এই পুরষ্কার দেওয়া হয়। এর আগে জুন মাসের পারফরম্যান্সের ভিত্তিতেও তিনি জেলার শ্রেষ্ঠ তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসেবে ভূষিত হয়েছিলেন।​উক্ত সভায় নেত্রকোণা জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং জেলার সকল থানার অফিসার ইনচার্জরা (ওসি)  উপস্থিত ছিলেন।