ময়মনসিংহ , বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পূর্বধলায় বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটে বসতঘর ভস্মীভূত, ১০ লাখ টাকার ক্ষতি এসি সোহেল কারাগারে: অর্থ আত্মসাতের মামলার রায় ইরানের অবরুদ্ধ অর্থ এবার কাজে লাগবে জরুরি পণ্য ক্রয়ে সালমানের ভাবমূর্তি ফেরানোর উদ্যোগে নতুন মোড় ​প্রাথমিকের ৩২ হাজার প্রধান শিক্ষক নিয়োগে আইনি বাধা নেই এইচএসসি কেন্দ্রগুলোতে এবার নজরদারি করবে পুলিশের ‘বডি ওর্ন ক্যামেরা’ রাজনৈতিক নির্দেশনার আলোকেই নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়ন হবে বলছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা ​ক্রিকেট উন্মাদনা: বাংলাদেশে আসছে পাকিস্তান, খেলবে ৫ ওয়ানডের সিরিজ ​৫.৫ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল আফগানিস্তান ও পাকিস্তান ​জুলাই মাসের এলপিজির নতুন দর ঘোষণা আজ বিকেলে
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

নেত্রকোনার পূর্বধলা জগৎমণি সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়: স্মৃতির ক্যানভাসে আলোকপাত

ইটের পর ইট, পাথরের পর পাথর গেঁথে একটা দালান হয়তো তৈরি করা যায়, কিন্তু সেখানে ‘আবেগ’ ফুটিয়ে তুলতে প্রয়োজন হয় হাজারো প্রাণের স্পন্দন। নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পূর্বধলা জগৎমণি সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় ঠিক তেমনই এক আবেগের নাম। এটি কেবল একটি বিদ্যাপীঠ নয়, বরং হাজার হাজার শিক্ষার্থী এবং শিক্ষকের স্মৃতি, জ্ঞান, গর্ব আর অফুরন্ত প্রত্যাশার এক জীবন্ত দলিল।

​স্মৃতির অ্যালবামে আলো-আঁধারের মেলা পূর্বধলা জগৎমণি সরকারি পাইলট উচ্চ ​বিদ্যালয়ের করিডোর, সবুজ চত্বর আর চেনা ক্লাসরুমগুলো যেন একেকটি স্মৃতির জাদুঘর। বেলাশেষে যখন আলো-আঁধারের মিলন মেলা বসে, তখন প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের মনের অ্যালবামে ভেসে ওঠে ফেলে আসা দিনগুলো। টিফিনের ঘণ্টার সেই চিরচেনা শব্দ, বন্ধুদের সাথে খুনসুটি, আর শিক্ষকদের শাসন-স্নেহের মিশ্রণ—সব মিলিয়ে এক অদ্ভুত নস্টালজিয়া গ্রাস করে এই চত্বরে পা রাখা প্রতিটি মানুষকে।

​কখনো আনন্দের আলো, কখনো বা বিদায়ের বিষাদ—এই দুইয়ের দোলাচলেই কেটেছে এবং কাটছে হাজারো তরুণের সোনালী কৈশোর।​অপেক্ষার ভোর, অপেক্ষার সকাল
​জীবনের তাগিদে মানুষ ছিটকে পড়ে পৃথিবীর নানা প্রান্তে, কিন্তু হৃদয়ের একটা বড় অংশ পড়ে থাকে এই পূর্বধলা জগৎমণি সরকারি , পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের আঙিনায়। প্রতিটি নতুন ভোরের আলো এখানে নতুন সম্ভাবনার বার্তা নিয়ে আসে। কখনো সেই সকালটা হয় উৎসবের, পাওয়ার আনন্দে সুন্দর; আবার কখনো কোনো প্রিয় মুখ হারানোর বেদনায় বা ব্যর্থতার

গ্লানিতে তা হয়ে ওঠে কিছুটা অসুন্দর।​”তবুও জীবন থেমে থাকে না। আলো-আঁধারের এই খেলায়, সুন্দর আর অসুন্দরের মাঝে সমন্বয় করেই জীবন চলে জীবনের নিজস্ব গতিতে।”
​ঐতিহ্যের আলো ছড়াচ্ছে যে বিদ্যাপীঠশত প্রতিকূলতার মাঝেও পূর্বধলা জগৎমণি সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় তার গৌরবের ধারা বজায় রেখে চলেছে। এখান থেকে শিক্ষা নিয়ে দেশ-বিদেশে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন অসংখ্য গুণী মানুষ, যারা প্রতিনিয়ত সমৃদ্ধ করছেন সমাজ ও রাষ্ট্রকে।

​পুরনো স্মৃতিগুলোকে বুকে ধারণ করে এবং নতুন প্রজন্মের চোখে সাফল্যের স্বপ্ন বুনে দিয়ে এই বিদ্যাপীঠ দাঁড়িয়ে আছে স্বমহিমায়। দিন বদলায়, মানুষ বদলায়, কিন্তু এই চত্বরকে ঘিরে প্রাক্তন ও বর্তমানদের আবেগ রয়ে যায় একদম অপরিবর্তিত।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পূর্বধলায় বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটে বসতঘর ভস্মীভূত, ১০ লাখ টাকার ক্ষতি

নেত্রকোনার পূর্বধলা জগৎমণি সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়: স্মৃতির ক্যানভাসে আলোকপাত

আপডেট সময় ১০:০৪:০৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬

ইটের পর ইট, পাথরের পর পাথর গেঁথে একটা দালান হয়তো তৈরি করা যায়, কিন্তু সেখানে ‘আবেগ’ ফুটিয়ে তুলতে প্রয়োজন হয় হাজারো প্রাণের স্পন্দন। নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পূর্বধলা জগৎমণি সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় ঠিক তেমনই এক আবেগের নাম। এটি কেবল একটি বিদ্যাপীঠ নয়, বরং হাজার হাজার শিক্ষার্থী এবং শিক্ষকের স্মৃতি, জ্ঞান, গর্ব আর অফুরন্ত প্রত্যাশার এক জীবন্ত দলিল।

​স্মৃতির অ্যালবামে আলো-আঁধারের মেলা পূর্বধলা জগৎমণি সরকারি পাইলট উচ্চ ​বিদ্যালয়ের করিডোর, সবুজ চত্বর আর চেনা ক্লাসরুমগুলো যেন একেকটি স্মৃতির জাদুঘর। বেলাশেষে যখন আলো-আঁধারের মিলন মেলা বসে, তখন প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের মনের অ্যালবামে ভেসে ওঠে ফেলে আসা দিনগুলো। টিফিনের ঘণ্টার সেই চিরচেনা শব্দ, বন্ধুদের সাথে খুনসুটি, আর শিক্ষকদের শাসন-স্নেহের মিশ্রণ—সব মিলিয়ে এক অদ্ভুত নস্টালজিয়া গ্রাস করে এই চত্বরে পা রাখা প্রতিটি মানুষকে।

​কখনো আনন্দের আলো, কখনো বা বিদায়ের বিষাদ—এই দুইয়ের দোলাচলেই কেটেছে এবং কাটছে হাজারো তরুণের সোনালী কৈশোর।​অপেক্ষার ভোর, অপেক্ষার সকাল
​জীবনের তাগিদে মানুষ ছিটকে পড়ে পৃথিবীর নানা প্রান্তে, কিন্তু হৃদয়ের একটা বড় অংশ পড়ে থাকে এই পূর্বধলা জগৎমণি সরকারি , পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের আঙিনায়। প্রতিটি নতুন ভোরের আলো এখানে নতুন সম্ভাবনার বার্তা নিয়ে আসে। কখনো সেই সকালটা হয় উৎসবের, পাওয়ার আনন্দে সুন্দর; আবার কখনো কোনো প্রিয় মুখ হারানোর বেদনায় বা ব্যর্থতার

গ্লানিতে তা হয়ে ওঠে কিছুটা অসুন্দর।​”তবুও জীবন থেমে থাকে না। আলো-আঁধারের এই খেলায়, সুন্দর আর অসুন্দরের মাঝে সমন্বয় করেই জীবন চলে জীবনের নিজস্ব গতিতে।”
​ঐতিহ্যের আলো ছড়াচ্ছে যে বিদ্যাপীঠশত প্রতিকূলতার মাঝেও পূর্বধলা জগৎমণি সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় তার গৌরবের ধারা বজায় রেখে চলেছে। এখান থেকে শিক্ষা নিয়ে দেশ-বিদেশে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন অসংখ্য গুণী মানুষ, যারা প্রতিনিয়ত সমৃদ্ধ করছেন সমাজ ও রাষ্ট্রকে।

​পুরনো স্মৃতিগুলোকে বুকে ধারণ করে এবং নতুন প্রজন্মের চোখে সাফল্যের স্বপ্ন বুনে দিয়ে এই বিদ্যাপীঠ দাঁড়িয়ে আছে স্বমহিমায়। দিন বদলায়, মানুষ বদলায়, কিন্তু এই চত্বরকে ঘিরে প্রাক্তন ও বর্তমানদের আবেগ রয়ে যায় একদম অপরিবর্তিত।