পতিত সরকারের সময় জ্বালানি নীতি বিভ্রান্তিকর ও বিতর্কিত ছিল বলে মন্তব্য করেছেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য।
তিনি বলেন, আমলা, ব্যবসায়ী ও রাজনীতিবিদদের অসাধু যোগসাজশে জ্বালানি খাতে তোষণমূলক নীতি অনুসরণ করা হয়েছিল। উৎপাদনমুখী বিনিয়োগের পরিবর্তে কায়েমী স্বার্থে আমদানিমুখী জ্বালানি নির্ভরতাকে প্রাধান্য দিয়ে এলএনজি নিয়ে আসা হয়েছে। বাপেক্সের মতো প্রতিষ্ঠানকে ঠুঁটো জগন্নাথ করা হয়।
দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, ‘জ্বালানি আমদানিতে হরমুজ প্রণালি বড় বাধা নয়। অর্ন্তবর্তী সরকার যুক্তরাষ্ট্রের সাথে শেষ মুহূর্তে যে অসম চুক্তি করেছে তা জ্বালানি নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বের জন্য বড় ঝুঁকি। তবে যুক্তরাষ্ট্র-রাশিয়া থেকে তেল আমদানির শর্ত এক মাস রহিত করার সুযোগ বাংলাদেশকে নেওয়া উচিত। জ্বালানি নিরাপত্তা ইস্যুতে সরকার যে কেবিনেট সাব কমিটি করেছে সে কমিটি কি করছে, স্বচ্ছতার মাধ্যমে তা জনগণকে অবহিত করে জাতীয় সংসদে আলোচনার দাবি রাখে। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সংস্কারের লক্ষ্যে সরকার রিফর্ম কমিশন গঠনের কথা বললেও তা এখনও দৃশ্যমান হয়নি। সরকারি অর্থ ব্যবস্থাপনা, রাজস্ব আয় ও প্রণোদনার ক্ষেত্রে সরকার কি ধরনের সংস্কার করতে চায় তা জনসম্মুখে প্রকাশ করা উচিত।’
ছায়া সংসদে স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটির বিতার্কিকদের পরাজিত করে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বিতার্কিকরা বিজয়ী হয়। প্রতিযোগিতায় বিচারক ছিলেন ড. এস এম মোর্শেদ, সাংবাদিক সাইদুল ইসলাম, আলমগীর হোসেন, জিয়াউল হক সবুজ ও শেখ আবদুল্লাহ। প্রতিযোগিতা শেষে অংশগ্রহণকারী দলকে ট্রফি, ক্রেস্ট ও সনদপত্র দেওয়া হয়।

ডিজিটাল রিপোর্ট 























