বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরুর বিষয়ে আগ্রহ দেখিয়েছে বহুজাতিক আর্থিক প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠান পেপ্যাল। তবে নতুন কোনো বাজারে প্রবেশের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটির দীর্ঘ ও ধাপে ধাপে অনুসরণযোগ্য প্রক্রিয়া থাকায় এতে সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক–বিষয়ক বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী।
গত মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে গণমাধ্যমকে ব্রিফিংকালে লুৎফে সিদ্দিকী এ কথা বলেন। দাভোসে অনুষ্ঠিত বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) সম্মেলনে তার বিভিন্ন বৈঠক-কার্যক্রম নিয়ে এ ব্রিফিং হয়। ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম উপস্থিত ছিলেন।
তবে লুৎফে সিদ্দিকী জোর দিয়ে বলেন, এই আগ্রহকে তাৎক্ষণিক প্রবেশ হিসেবে উপস্থাপন করা ঠিক হবে না। কারণ, নতুন বাজারে প্রবেশের আগে প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে।
লুৎফে সিদ্দিকী বলেন, ‘এই প্রথম আমি পেপ্যালের সঙ্গে সরাসরি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেছি। প্রতিষ্ঠানটি আগ্রহী হলেও এখন তারা অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়া শুরু করবে।’
এ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে পেপ্যালের ভেতরে আলোচনা, বিতর্ক ও পরিচালনা পর্ষদ পর্যায়ের সিদ্ধান্ত প্রয়োজন হবে বলে উল্লেখ করেন লুৎফে সিদ্দিকী। তিনি বলেন, এসব শেষ না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশে পেপ্যাল আসছে—এমন কোনো ধারণা তৈরি করতে চায় না প্রতিষ্ঠানটি।
নিজের ব্যক্তিগত মূল্যায়ন তুলে ধরে লুৎফে সিদ্দিকী বলেন, পেপ্যাল বাংলাদেশের সম্ভাবনা নিয়ে পুরোপুরি আশ্বস্ত। বাংলাদেশের জনসংখ্যাগত সম্ভাবনা আগে থেকেই ছিল। তবে বর্তমানে সুশাসনের উন্নতির কারণে প্রতিষ্ঠানটির আস্থা আরও বেড়েছে।

ডিজিটাল ডেস্ক 






















