শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন যে কোনো সময় দেশের কোনো একটি পরীক্ষাকেন্দ্রে হাজির হতে পারেন বলে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। তবে সেটি রাজধানীর ভেতরে নাকি ঢাকার বাইরে- এ বিষয়ে কেউই নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারছেন না। এমনকি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ভেতরের কর্মকর্তারাও বিষয়টি নিয়ে নীরব।
মন্ত্রণালয়ের একাধিক সূত্র বলছে, এবার ইচ্ছাকৃতভাবেই পরিদর্শনের স্থান গোপন রাখা হয়েছে, যাতে আগাম প্রস্তুতির সুযোগ না পায় কোনো কেন্দ্র। ফলে প্রকৃত পরিস্থিতি সরাসরি যাচাই করা সহজ হবে।
অতীতে নকলবিরোধী কঠোর অবস্থানের জন্য আলোচনায় ছিলেন এই মন্ত্রী। আগের দায়িত্বকালে তিনি হেলিকপ্টারে করে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে হঠাৎ উপস্থিত হয়ে পরীক্ষাকেন্দ্র পরিদর্শন করতেন। সেই অভিজ্ঞতার কারণেই এবারও একই ধরনের চমকপ্রদ পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এদিকে, সারা দেশে একযোগে শুরু হওয়া এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে সাড়ে ১৮ লাখের বেশি শিক্ষার্থী। মোট ৩ হাজার ৮৮৫টি কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত এই পরীক্ষায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নজরদারি রয়েছে। কেন্দ্রগুলোতে মোবাইল ফোনসহ সব ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
প্রথম দিনে বাংলা প্রথম পত্রসহ বিভিন্ন বোর্ডের নির্ধারিত বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আকস্মিক পরিদর্শনের এই কৌশল পরীক্ষার পরিবেশ স্বচ্ছ রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

অনলাইন ডেস্ক 






















