ময়মনসিংহ , শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস পালিত ভিয়েনা

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ১২:০১:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ জুন ২০২৪
  • ১১৬ বার পড়া হয়েছে

Collected Photo

অনলাইন নিউজ-

আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায় আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল করেছে দলটির নেতাকর্মীরা।

গতকাল মঙ্গলবার ভিয়েনার হেলবেগটাসে সংগঠনের নিজস্ব কার্যালয়ে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন অস্ট্রিয়া আওয়ামী লীগের সভাপতি খন্দকার হাফিজুর রহমান নাসিম ও সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান শ্যামল।এ সময় প্রধান অতিথি ছিলেন সর্ব ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগের সভাপতি অস্ট্রিয়া প্রবাসী মানবাধিকার কর্মী, লেখক, সাংবাদিক এম. নজরুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন অস্ট্রিয়া বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি রবিন মোহাম্মদ আলী, অস্ট্রিয়া আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি রুহি দাস সাহা, গাজী মোহাম্মদ, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সাবুর হোসেন, সাংগঠনিক-সম্পাদক আমিনুল ইসলাম কাঞ্চন এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব হাবিবুর রহমান প্রমুখ। সভায় প্রধান অতিথি এম নজরুল ইসলাম বলেন, চেপে বসা তত্ত্বাবধায়ক সরকার মিথ্যা মামলায় ২০০৭ সালের ১৬ জুলাই আওয়ামী লীগের সভাপতি জননেত্রী শেখ হাসিনাকে গ্রেপ্তার করার পর সাহসী রাজনীতির পারিবারিক ঐতিহ্য ও সংগ্রামের ইতিহাসকে মুছে ফেলার কুৎসিত-নির্মম ও ভয়াবহ চক্রান্ত করেছিল।

শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস পালিত ভিয়েনা

এই প্রতিক্রিয়াশীল চক্র চেষ্টা করেছে সংকীর্ণ রাজনীতির হীনম্মন্যতার ছদ্মাবরণে বঙ্গবন্ধু কন্যার ভাবমূর্তি নস্যাৎ করতে।তিনি বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনার মুক্তির দাবিতে দেশের মানুষের পাশাপাশি প্রবাসেও আমরা আন্দোলন করেছি।গণমানুষের আন্দোলনের মুখে ২০০৮ সালের ১১ জুন অপশক্তি তাকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়। তার মুক্তিতে সেদিন যেন মুক্তি পেয়েছিল গণতন্ত্র। ১১ জুন তাই গণতন্ত্রের মুক্তির দিন।সভাপতির বক্তব্যে খন্দকার হাফিজুর রহমান নাসিম বলেন, ২০০৭ সালের ১৬ জুলাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কারারুদ্ধ করার মধ্য দিয়ে মূলত: গণতন্ত্রকে কারারুদ্ধ করা হয়েছিল।শেখ হাসিনার মুক্তির মধ্য সেদিন গণতন্ত্র মুক্তিপায়।অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘ জীবন প্রার্থনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস পালিত ভিয়েনা

আপডেট সময় ১২:০১:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ জুন ২০২৪
অনলাইন নিউজ-

আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায় আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল করেছে দলটির নেতাকর্মীরা।

গতকাল মঙ্গলবার ভিয়েনার হেলবেগটাসে সংগঠনের নিজস্ব কার্যালয়ে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন অস্ট্রিয়া আওয়ামী লীগের সভাপতি খন্দকার হাফিজুর রহমান নাসিম ও সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান শ্যামল।এ সময় প্রধান অতিথি ছিলেন সর্ব ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগের সভাপতি অস্ট্রিয়া প্রবাসী মানবাধিকার কর্মী, লেখক, সাংবাদিক এম. নজরুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন অস্ট্রিয়া বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি রবিন মোহাম্মদ আলী, অস্ট্রিয়া আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি রুহি দাস সাহা, গাজী মোহাম্মদ, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সাবুর হোসেন, সাংগঠনিক-সম্পাদক আমিনুল ইসলাম কাঞ্চন এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব হাবিবুর রহমান প্রমুখ। সভায় প্রধান অতিথি এম নজরুল ইসলাম বলেন, চেপে বসা তত্ত্বাবধায়ক সরকার মিথ্যা মামলায় ২০০৭ সালের ১৬ জুলাই আওয়ামী লীগের সভাপতি জননেত্রী শেখ হাসিনাকে গ্রেপ্তার করার পর সাহসী রাজনীতির পারিবারিক ঐতিহ্য ও সংগ্রামের ইতিহাসকে মুছে ফেলার কুৎসিত-নির্মম ও ভয়াবহ চক্রান্ত করেছিল।

শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস পালিত ভিয়েনা

এই প্রতিক্রিয়াশীল চক্র চেষ্টা করেছে সংকীর্ণ রাজনীতির হীনম্মন্যতার ছদ্মাবরণে বঙ্গবন্ধু কন্যার ভাবমূর্তি নস্যাৎ করতে।তিনি বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনার মুক্তির দাবিতে দেশের মানুষের পাশাপাশি প্রবাসেও আমরা আন্দোলন করেছি।গণমানুষের আন্দোলনের মুখে ২০০৮ সালের ১১ জুন অপশক্তি তাকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়। তার মুক্তিতে সেদিন যেন মুক্তি পেয়েছিল গণতন্ত্র। ১১ জুন তাই গণতন্ত্রের মুক্তির দিন।সভাপতির বক্তব্যে খন্দকার হাফিজুর রহমান নাসিম বলেন, ২০০৭ সালের ১৬ জুলাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কারারুদ্ধ করার মধ্য দিয়ে মূলত: গণতন্ত্রকে কারারুদ্ধ করা হয়েছিল।শেখ হাসিনার মুক্তির মধ্য সেদিন গণতন্ত্র মুক্তিপায়।অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘ জীবন প্রার্থনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।