গত শনিবার (১১ এপ্রিল) রাতে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম সদস্যসচিব (দপ্তর) সালেহ উদ্দিন সিফাত স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা বলেছে এনসিপি।
এনসিপি বলেছে, ‘আমরা মনে করি, ধর্ম অবমাননা কিংবা এ ধরনের সংবেদনশীল অভিযোগের তদন্ত ও বিচারের ক্ষেত্রে যথাযথ আইনি কর্তৃপক্ষ হচ্ছে আদালত। “মব-সহিংসতা” করে যারা অগ্নিসংযোগ ও হত্যা করেছে, তারা একটি গুরুতর ফৌজদারি অপরাধ করেছে।’
এনসিপি বলেছে, সরকারের তরফ থেকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বারবার ‘মব কালচার’ শেষ করার ঘোষণা দিলেও ‘প্রকৃত মব’ থামাতে ব্যর্থ হচ্ছে সরকার। জাতীয় নির্বাচনের পরপরই বাংলাদেশ ব্যাংক ও বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থায় (বাসস) সরকার-সমর্থিত পক্ষ ‘মব’ করে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে কর্মরত দুজন ব্যক্তিকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করে।
দলটির অভিযোগ, একদিকে সরকার ‘মব কালচার’ শেষ করার ঘোষণা দিয়ে সরকার-সমর্থিত ‘মব’কে প্রশ্রয় দিচ্ছে। অন্যদিকে ‘মব কালচার’ পরিভাষাটিকে সরকারি দলের নেতা–কর্মীরা রাজনৈতিক ভিন্নমত দমনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের চেষ্টা করছে।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটছে উল্লেখ করে এনসিপি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে সরকারের সব বিষয়ে মুখপাত্রের ভূমিকা পালন না করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিকরণে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে।

ডিজিটাল রিপোর্ট 






















