প্রথম স্বামী ও সন্তানকে খুঁজে পাওয়ার আশায় বৈধ পাসপোর্ট ও ভিসা নিয়ে বাংলাদেশে এসেছিলেন ভারতের এক নারী। তবে সেই খোঁজ তাকে শেষ পর্যন্ত প্রতারণা ও কারাবাসের কঠিন পরিস্থিতিতে ফেলেছে। প্রায় আট মাস কারাভোগের পর অবশেষে নিজ দেশে ফিরে গেছেন তিনি।
গত রোববার (৮ মার্চ) দুপুর ২টার দিকে চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনা জয়নগর আইসিপি সীমান্তে বিজিবি ও বিএসএফের পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ফাল্গুনী রায় (২৯) নামের ওই নারীকে ভারতের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
দীর্ঘদিন অপেক্ষা করেও স্বামী ও সন্তানের কোনো খোঁজ না পেয়ে ফাল্গুনী পরে প্রতিবেশী প্রসেনজিতের সঙ্গে নতুন করে সংসার শুরু করেন। তবুও প্রথম স্বামী ও সন্তানকে একবার দেখার ইচ্ছা তার মনে রয়ে যায়। সেই ইচ্ছা থেকেই ২০২৫ সালের জুন মাসে বৈধ পাসপোর্ট ও ভিসা নিয়ে তিনি বাংলাদেশে আসেন।
পরে বিপদে পড়ে ফাল্গুনী দালালের সহায়তায় ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে ফেরার চেষ্টা করেন। তবে গত বছরের ৩০ জুন সীমান্ত পার হওয়ার সময় বিজিবির সদস্যরা তাকে আটক করেন।
পরে মহেশপুর থানায় সোপর্দ করা হলে দুটি পৃথক মামলায় তার সাজা হয়। সেই সাজা ভোগ করতে গিয়ে প্রায় আট মাস কারাগারে থাকতে হয় তাকে।
দর্শনা ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের এসআই তুহিন জানান, ফাল্গুনী রায় ভারতের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বনগা থানার টেংরা কলোনি এলাকার মৃত বিশ্বনাথ রায়ের মেয়ে। সাজা শেষ হওয়ায় বিজিবি ও বিএসএফের পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে তাকে ভারতে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

ডিজিটাল ডেস্ক 



















